You are here
Home > প্রতিক্রিয়া > প্রশ্নফাঁস নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর যত কথা

প্রশ্নফাঁস নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর যত কথা

প্রশ্নফাঁস নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর যত কথা

১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

কেউ ফেসবুকে ভুয়া প্রশ্ন দিলে বিটিআরসি সঙ্গে সঙ্গে সেই লিংক বন্ধ করে দেবে। কেন্দ্রসচিব ছাড়া মোবাইল ফোন ও ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস পরীক্ষা কেন্দ্রে নিতে পারবে না।

১৭ মার্চ, ২০১৭

আমরা এমন একটি পরিবেশের মধ্যে আছি, যা আমরা সব খুলে বলতেও পারিনা , সহ্যও করতে পারি না। কিন্তু আমরা আর সহ্য করবো না সত্যিকার অর্থে আমাদের মুল্যবোধসম্পন্ন শিক্ষক বেশি দরকার।

২১ জুলাই, ২০১৭

আমরা এও দেখেছি, পরীক্ষার হলে শিক্ষকরা টাকার বিনিময়ে এমসিকিউ’র উত্তর বলে দিচ্ছেন। এর বিরুদ্ধে আমরা যথাযথ পদক্ষেপও গ্রহন করেছি। প্রশ্নপত্র ফাঁস অনেকাংশে বন্ধ করতে পেরেছি।

২ এপ্রিল, ২০১৭

গার্ডিয়ানরা সন্তানদের উৎসাহিত করেন। আর যদি কোনো শিক্ষক প্রশ্ন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ছবি তুলে পাঠিয়ে দেন তাহলে কী করতে পারি? অভিভাবকরা সন্তানদের ঠিক রাখবেন, শিক্ষকরাও-আর তা না হলে সবাইকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে।

৫ অক্টোবর, ২০১৭

শিক্ষক সমাজের একটি অংশ পথভ্রষ্ট হয়ে নিজ পেশার তাৎপর্য ও মহত্ব ভুলে গিয়ে কোচিং, টিউশনি, ক্লাসে না পড়ানো, প্রশ্নপত্র ফাঁস করাসহ নানা অপকর্মের যুক্ত হচ্ছেন। তারা শিক্ষক নামের কলঙ্ক।

১৬ নভেম্বর, ২০১৭

আগে সরকারি ছাপাখানা বিজি প্রেস ছিল প্রশ্নপত্র ফাঁসের জন্য খুবই রিস্কি জায়গা। এখন সেখান থেকে প্রশ্ন ফাঁসের কোন সম্ভাবনা নেই। জেলা বা থানা থেকেও প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোন সম্ভাবনা নেই। পরীক্ষার দিন সকালে শিক্ষকদের হাতে প্রশ্ন যওয়ার পর কিছু শিক্ষক প্রশ্নপত্র ছাত্রদের দিয়ে দেন। তাঁরা আগ থেকেই সব ব্যবস্থা করে রাখেন।

১৭ ডিসেম্বর, ২০১৭

প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আমাদের কাছে বহু পরামর্শ আসছে। এর মধ্যে শিক্ষকরা আধা ঘন্টা আগে শিক্ষার্থীরা হলে প্রবেশ করার পর প্রশ্নপত্র পাঠানোর বিষয়টিও আলোচনা হচ্ছে। তবে শিক্ষকই যখন প্রশ্ন ফাঁসকারী, তখন আধা ঘন্টা আগে প্রশ্ন পাঠিয়ে কী লাভ?

১৮ ডিসেম্বর, ২০১৭

অনেক আগে থেকেই প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে। আগে বিজি প্রেস ছিল প্রশ্ন ফাঁসের আখড়া। এখন শিক্ষকরাই প্রশ্নফাঁস করছেন। সরকারকে বিপদে ফেলতেই শিক্ষকরাই প্রশ্ন ফাঁস করছেন।

১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

ফেসবুকে এমন ভুয়া ঘোষনা আসে, আউট হয়ে গেছে। সাড়ে ২০ লাখ ছেলেমেয়ের পরীক্ষা আবার নেওয়া, তাদের দুঃশ্চিন্তার বিষয় চিন্তা করেন। এ কারণে যদি প্রমাণ হয়, ফাঁস হয়েছে, তাহলে আমরা পরীক্ষা বাতিল করে দেব, ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রে কোন পরীক্ষা হবে না।

৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

এই যে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করার যারা হোতা, যারা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত সে ধরনের যারা অপরাধী তাদেরকে ধরিয়ে দিতে পারলে, চিহ্নিত করে দিতে পারলে, সঠিক প্রমাণিত হলে ৫ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

Top