You are here
Home > আন্তর্জাতিক > এতটাই পাশবিক অত্যাচার যে রান্নাঘরেও চলতো ধর্ষণ

এতটাই পাশবিক অত্যাচার যে রান্নাঘরেও চলতো ধর্ষণ

ধর্ষণ

ধর্ষণের মত ঘৃণ্য কাজও মানুষ কতটা নিষ্ঠুরভাবে করতে পারে তারই আরেকটি প্রমান এই খবর। টানা দু’বছর ধরে এক নাবালিকা ধর্ষণ হয়ে আসছে। সঙ্গে রয়েছে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোডা জেলায়।

নাবালিকা জানায়, দু’‌বছর আগে তার মা-বাবা গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যায়। এরপর সেই নাবালিকা এবং তার দুই ভাইকে দেখাশোনা করার জন্য তার দাদি তাদের সঙ্গে এসে থাকতে শুরু করেন। আর কিছুদিন পরে মাত্র চার হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে সুরিন্দর নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেয়। কিন্তু দিল্লি আনার পর সুরিন্দরের আসল চরিত্র জানতে পারে সে। দিন-রাত যৌন নির্যাতন করা হয় তাকে। মুখে কাপড় গুঁজে, হাত-পা বেঁধে চলত ধর্ষণ।

কিছুদিন পর মেয়েটিকে নিজেরই এক বন্ধু মণি মিশ্রর বাড়িতে কাজে পাঠায় সুরিন্দর। আর সেখানেই শুরু হয় নতুন করে অত্যাচার।

সে জানায়, ‘মিশ্র নামে সেই ব্যক্তি রান্নাঘরেই আমাকে ধর্ষণ করতে থাকে। আমাকে থাকতেও হত রান্নাঘরের এক কোণে। সেই ব্যক্তির স্ত্রী এবং সন্তানরা রান্নাঘরের বাইরে থাকলেও ধর্ষণ করত মণি। এমনকি চলত পাশবিক অত্যাচার। সুরিন্দরের থেকেও বেশি অত্যাচার করা হত আমাকে।’

এরপরই সে পালায়। এরপর দুই যুবক তাকে উদ্ধার করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। আক্রান্তের মুখে এই জবানবন্দি শুনে রীতিমতো শিউরে উঠেছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। ইতিমধ্যে পলাতক অভিযুক্তদের ধরতে গঠন করা হয়েছে বিশেষ দলও।‌‌

Top