You are here
Home > কৌতুক > এবারের বিষয়: ডাক্তার-রোগী

এবারের বিষয়: ডাক্তার-রোগী

Breaking News Joke

♦ অদ্ভুত রোগ
একদিন এক রোগী ডাক্তারের কাছে গিয়ে বলল, ‘ডাক্তার সাব, আমার একটা অদ্ভুত রোগ হয়েছে।’
ডাক্তার বললেন, ‘কি রকম?’
রোগী বলল, ‘আমি অল্পতেই রেগে যাই। গালাগালি করি’
ডাক্তার বলল, ‘ব্যাপারটা একটু খুলে বলুন তো।’
রোগী বলল, ‘হারামজাদা, কয়বার খুলে বলব!’

♦ অপারেশনের পর সব পারবে
অপারেশনের আগে রোগী চিকিৎসককে বললেন, ‘স্যার, অপারেশনের পর আমি বেহালা বাজাতে পারব তো?’
চিকিৎসক বললেন, ‘কোনো চিন্তা কোরো না, অপারেশনের পর তুমি সব করতে পারবে।’
‘স্যার, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। কারণ, আমি কোনো দিনই বেহালা বাজাইনি।’ রোগীর মন্তব্য।

♦ অন্য কানটা পুড়ল
এক ভদ্রমহিলা গেছেন ডাক্তারের কাছে,
ভদ্রমহিলা: ডাক্তার সাহেব, আমার দুটো কান পুড়ে গেছে।
ডাক্তার: হুম্, দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু কীভাবে পুড়ল?
ভদ্রমহিলা: আমি আমার স্বামীর শার্ট ইস্ত্রি করছিলাম। হঠাৎ ফোন এল। আমি ফোন না তুলে ভুল করে ইস্ত্রিটা তুলে কানে লাগিয়ে ফেলেছিলাম।
ডাক্তার: বুঝলাম, কিন্তু অন্য কানটা পুড়ল কীভাবে?
ভদ্রমহিলা: লোকটা যে আবারও ফোন করেছিল!

♦ অর্থনীতিবিদকে বিয়ে
এক তরুণীর হঠাৎ কঠিন এক রোগ ধরা পড়ল।
অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা বললেন, ‘আপনি আর বড় জোড় ছয় মাস বাঁচবেন।’
বেচারী বিমর্ষ হয়ে বাড়ি ফিরল। তারপর কী ভেবে আবার সেই চিকিৎসককে ফোন করে বলল, ‘কিন্তু আমি যে আরও অনেক দিন বাঁচতে চাই।’
চিকিৎসক কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন, ‘আপনি একটা বিয়ে করুন।’
‘আপনি আমার সঙ্গে মশকরা করছেন!’
‘না না,’ চিকিৎসক বললেন, ‘আমার কথা শেষ হয়নি। আপনি একজন অর্থনীতিবিদকে বিয়ে করবেন।’
‘কেন?’
‘তার সঙ্গে থাকলে প্রতিটি দিনই আপনার অনেক বড় মনে হবে। এবং অল্প সময়েই জীবনের ওপর বিরক্তি এসে যাবে।’

♦ অসুখটা আসলে মানসিক
ডাক্তার: চিন্তার কিছু নেই। আপনার চাচার অসুখটা আসলে মানসিক। উনি মনে করেন উনি অসুস্থ, আসলে তা নয়।
কিছুদিন পর রোগীর খবর নিতে ফোন করলেন ডাক্তার।
ডাক্তার: কী অবস্থা আপনার চাচার?
রোগীর আত্মীয়: খুবই খারাপ! উনি মনে করেন, উনি মারা গেছেন!

♦ চুমু
প্রথম বন্ধু: ডাক্তাররা বলেন চুমু খাওয়া স্বাস্থের পক্ষে ক্ষতিকর। তোমার কি বিশ্বাস হয়?
দ্বিতীয় বন্ধু: কী করে বলি বল। আমি তো কখনো …
প্রথম বন্ধু: চুমু খাও নি?
দ্বিতীয় বন্ধু: না, তা বলছি না। বলছি অসুস্থ হয়ে পড়িনি।

♦ আগে বিড়ালটা বের করি
রফিক: ডাক্তার জলদি আসুন। আমার স্ত্রী হাঁ করে ঘুমাচ্ছিল তার মুখ দিয়ে একটা ইঁদুর ঢুকে গেছে।
ডাক্তার: আপনি উনার মুখে এক টুকরো কেক নাড়তে থাকুন আমি আসছি।
ডাক্তার এসে দেখেন লোকটি তার মুখে কেক না নেড়ে মাছের কাঁটা নাড়ছে।
ডাক্তার: ও কী করছেন, আপনাকে না কেক নাড়তে বললাম?
রফিক: দাঁড়ান, দাঁড়ান আগে তো বিড়ালটা বের করি।

♦ আতসি কাচ ছাড়াই
সদ্য প্রেগন্যান্ট হয়েছে এমন একজন তরুনী তার স্বামীকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেল। ডাক্তার দেখেটেখে তরুণীর পেটে একটা সিল মেরে দিল।
তরুনী: আমরা আবার কখন আসব?
ডাক্তার: ঐ সিলটা পড়ার চেষ্টা করুন বলে ডাক্তার একটা আতসি কাচ ধরিয়ে দিল।
আতসি কাচ দিয়ে তরুনী লেখাটি পড়ল- ‘এ লেখাটা যখন আতসি কাচ ছাড়াই পড়তে পারবেন তখন দেরি না করে ডাক্তারের কাছে চলে আসবেন।’

♦ আবার আসবেন
সাদেক সাহেব অসুস্থ হয়ে কয়েক সপ্তাহ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এ সময়টুকু একজন হাসপাতালকর্মী তাকে খুব সাহায্য-সহযোগিতা করেন। ফলে রিলিজ হওয়ার দিন সাদেক সাহেব তাকে বেশ ভালো বকশিশ দিলেন। এত বকশিশ পেয়ে ওই কর্মচারী আনন্দে কেঁদে ফেলে বলল, ‘আবার আসবেন, স্যার।’

♦ আমাকে কেউ দেখলেই অজ্ঞান হয়ে যায়
এক তরুণী চিকিৎসকের কাছে এসে বলছে, ‘ডাক্তার, আমি কী করব বলুন তো! আমাকে কেউ দেখলেই অজ্ঞান হয়ে যায়! …ডাক্তার, ডাক্তার, আপনার আবার কী হলো?’

ব্রেকিংনিউজ/টিআরএইচ

Leave a Reply

Top