You are here
Home > জীবনযাপন > সায় না থাকলে ছেলেরা কখনোই এগোয় না মেয়েদের দিকে

সায় না থাকলে ছেলেরা কখনোই এগোয় না মেয়েদের দিকে

সায় না থাকলে ছেলেরা কখনোই এগোয় না মেয়েদের দিকে

এই যে ছেলেরা মেয়েদের দেখে টোন কাটে, ফট করে গায়ে হাত দিয়ে দেয়, কী মনে করেন, পুরো দোষটাই ছেলেদের একার? এতে মেয়েদের কোনও ইন্ধন নেই? অবশ্যই আছে। আচ্ছা, একটা কথা বলুন তো, কোনও মেয়ে যদি ব্যক্তিত্বসম্পন্ন হয়, কোনও ছেলে সাহস পাবে তাকে দুটো কথা বলার? তার সঙ্গে ভুল চালে মেশার? পাবে না। বাজি রেখে বলছি, ধারেকাছেও ঘেঁষতে পারবে না। একান্ত যদি খুব বখাটে ছেলে না হয়। রাস্তাঘাটে, স্কুল-কলেজে, পাড়ায়, অফিসে বা বাড়িতেও নিজের ইজ্জত নিজেকেই ধরে রাখতে হয় মেয়েদের। কথাটা সেকেলে হলেও, সেটাই একমাত্র রাস্তা। ব্যক্তিত্বে সম্ভ্রম না থাকলে ছেলেরা মেয়েদের সস্তা মনে করে। তখনই ঘটে বিপদ। তাই প্রথমেই কিছু কু-অভ্যেস ত্যাগ করতে হবে মেয়েদের। সেগুলি কী কী জেনে নিন –

অন্তরেই থাক অন্তর্বাস
অনেক মেয়ের জামার বাইরে ব্রায়ের স্ট্র্যাপ বেরিয়ে থাকে। অনেকসময় সেটা অজান্তেই ঘটে। কিন্তু সবার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা এক নয়। কিছু মেয়ে আছে যারা ইচ্ছাকৃত ব্রায়ের স্ট্র্যাপ বের করে রাখে। স্বাভাবিকভাবেই পুরুষের নজর সেদিকে যায়। মেয়েটিকে উদ্দেশ্যে করে খারাপ ইঙ্গিত করে। খুব ভদ্র ছেলেরা আবার এ সব মেয়েদের দিকে তাকায় না। কিন্তু মনে মনে মেয়েটিকে সম্মানও দেয় না।

ছেলেদের সঙ্গে কথা বলতে হবে দূর থেকে
ঘাড়ের উপর উঠে কথা বলে যে সব মেয়ে, তাদের সহজলভ্য ভেবে নেয় সবাই। ছেলেরা মনে করে মেয়েটি গায়ে পড়া। বাকি মেয়েরা তার সঙ্গে মিশতে চায় না। সত্যি বলতে কী, এমন মেয়ে কখনওই কারোর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

অশালীন মেসেজ দিলে সস্তা ভাবে ছেলেরা
ভুল করে বা ইচ্ছা করে কোনও ছেলেকে অশালীন মেসেজ করার অভ্যেস ছাড়তে হবে এবার। এই কু-অভ্যেসটি ইদানিং তৈরি হয়েছে মেয়েদের মধ্যে। সারাদিন হোয়াটস্অ্যাপে বুড়ো আঙুল নাড়িয়েই চলেছে তারা। ফলে বান্ধবীর সঙ্গে হাসিমজা করতে করতে কোনও ইঙ্গিতবাহী মেসেজ সে পাঠিয়ে দিল কোনও ছেলেকে। কিছুদিন আগে প্রেমিককে স্তনের ফোটো পাঠাতে গিয়ে অফিসের বসকে ফোটোটি পাঠিয়ে দিয়েছিল এক তরুণী। সে নাকি ভুল করে এমনটা করে ফেলেছিল। প্রশ্ন উঠে, সত্যিই কি ভুল করেই এমন কাজ? নাকি সামনেই প্রোমোশন ছিল বলে এই ঘুষ!

ছেলেদের গায়ে হাত দিয়ে কথা নয়
পরিচিত, স্বল্প পরিচিত ছেলেদের গায়ে হাত দিয়ে কথা বলার স্বভাব অনেক মেয়েরই থাকে। বিশেষ করে বিবাহিত মেয়েরা মুখে “ভাই ভাই” বলে গায়েটায়ে হাত দিয়ে দেয় অনেক ছেলের। সেটা কিন্তু যথেষ্টই উশকে দেওয়ার মতো কাজ। ছেলেটিও যদি মেয়েটির গায়ে পালটা হাত দেয়, তখন?

সবার সামনে পোশাক ঠিক করা নয়
অনেক মেয়েই ছেলেদের সামনে টেনে টেনে পোশাক ঠিক করে। এটা খেয়াল করে দেখে না, ছেলেরা তার আচরণে অপ্রস্তুত বোধ করছে। ফলে হয় কী, মেয়েটিকে সহজলভ্য ভেবে নেয় তারা। ভাবে এই মেয়ের কোনও আত্মসম্মান নেই। এই মেয়ের শরীর স্পর্শ করলেও কিছু বলবে না!

অন্তর্বাস বারান্দায় মেলা নয়
অনেক মেয়ের এই দোষ আছে। অন্তর্বাস ধুয়ে প্রকাশ্য বারান্দায় বা ছাদে তা শুকোতে দেয়। এটা ভাবে না অন্য বাড়ির পুরুষ, পথচলতি মানুষ সেটা দেখতে পাচ্ছে। তারা জেনে যাচ্ছে মেয়েটির অন্তরের রহস্য। এমন ক্ষেত্রে শুধু মেয়েটির ব্যাপারে নয়, তার গোটা পরিবার সম্পর্কেই খারাপ ধারণা পোষণ করতে শুরু করে পুরুষকুল। তাই সাবধান, বাথরুমের রডে বা মেলে রাখা কাপড়ের নীচে অন্তর্বাস শুকোতে দিন। প্রকাশ্যে নয়।

Top