You are here
Home > জীবনযাপন > বিয়েতে বিচ্ছেদ রোধে দরকারি ১০ টিপস!

বিয়েতে বিচ্ছেদ রোধে দরকারি ১০ টিপস!

বিয়েতে বিচ্ছেদ রোধে দরকারি ১০ টিপস

সম্পর্কে ভাঙন থাকে। খুব খারাপ সম্পর্ক যেমন টেনে নিয়ে যাওয়ার অর্থ নেই,  তেমনই সম্পর্কে সমস্যা হলে প্রথমেই বিচ্ছেদের কথা না ভাবাই ভাল। ডিভোর্সকেই একমাত্র পরিণতি না ভেবে আগে থেকেই একটু সতর্ক হলে, এই তিক্ত অভিজ্ঞতা এড়ানোও যেতে পারে।

জেনে নিন, কী ভাবে ডিভোর্সের পথকে কিছুটা হলেও এড়িয়ে যাওয়া যায়।

১. বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অন্তত তিন বছর ডেট করুন। কারও সঙ্গে সারা জীবন এক সঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, বুঝে নিন সত্যিই আপনারা দু’জনে এক সঙ্গে থাকতে চান কি না বা থাকতে পারবেন কি না। ঝালিয়ে নিন নিজেদের কম্প্যাটিবিলিটি লেভেলটাও।

২. কোনও বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সেই ম্যাচিরিওটিটাও থাকা দরকার, তার জন্য ন্যূনতম একটা বয়সের প্রয়োজন হয়। চেষ্টা করুন ২৩-এর আগে বিয়ের সিদ্ধান্ত না নেওয়ার।

৩. প্রেম করার ক্ষেত্রে বয়সটা হয়ত কোনও বড় ফ্যাক্টর নয়। কিন্তু সমমনস্ক হওয়া একান্ত প্রয়োজন। বিয়ে করার জন্য সমমনস্ক মানুষকে খুঁজে নিন।

৪. ইজিগোয়িং এবং ভাবনার কাছাকাছি কাউকে লাইফ লঙ সঙ্গী হিসেবে বেছে নিন।

৫. দামি উপহার নয়, ভালবাসা প্রকাশ পায় আচরণে। বরং দামি উপহারের পিছনে গাদা গাদা খরচ না করে ভবিষ্যতের জন্য সেটা জমিয়ে রাখুন। বিবাহিত জীবনে এই সঞ্চয় কিন্তু কাজে আসবে।

৬. বিয়ের পরে, নিজেদের মধ্যে কথা বলুন মন খুলে। ভাল লাগার সঙ্গে সঙ্গে খারাপ লাগাগুলোকেও জানাতে ভুলবেন না। নিজেদের মধ্যে যোগাযোগটা বন্ধ হতে দেবেন না।

৭. বাড়ির টুকিটাকি কাজ যে কোনও একজনের উপরে চাপিয়ে না দিয়ে, চেষ্টা করুন দু’জনে ভাগাভাগি করে নিতে।

৮. নিজেদের কমন ইন্টারেস্টগুলো খুঁজে বের করুন। সেগুলোর হাত ধরেই দু’জন, দু’জনের সঙ্গে বেশি করে সময় কাটান।

৯. সম্পদ বা অর্থের পিছনে দিশাহীন হয়ে ছোটাছুটি না করে, পারস্পরিক খুশির দিকটাও খেয়াল রাখুন।

১০. নিজেদের যৌনজীবন নিয়ে ভাবনা চিন্তা করুন। সম্পর্কটাকে একঘেঁয়ে হয়ে যেতে দেবেন না।

Top