You are here
Home > কৌতুক > এবারের বিষয়: ছাত্র-শিক্ষক (পর্ব-২)

এবারের বিষয়: ছাত্র-শিক্ষক (পর্ব-২)

ছাত্র-শিক্ষক (পর্ব-২)

♦ মাছি
শিক্ষক: বলো তো! টেবিলে যদি ৫টা মাছি থাকে, আর ১টি মাছি থাপ্পর দিয়ে মেরে ফেলা হয় তাহলে টেবিলে আর কয়টা মাছি থাকবে?
ছাত্র: একটা স্যার।
শিক্ষক: অবাক হয়ে, কিভাবে?
ছাত্র: সবগুলো উড়ে যাবে, শুধু মরাটা পড়ে থাকবে।

♦ বারোটা বাজবে
এক ছাত্র পরীক্ষার হলে বসে প্রশ্নপত্র নিয়ে বেশ অস্থির হয়ে বিড় বিড় করছে-
শিক্ষক: কী ব্যাপার তুমি খাতায় না লিখে বসে বসে উসখুস করছ কেন?
ছাত্র: স্যার, প্রশ্ন যে রকম কঠিন এসেছে লিখতে আমার বারোটা বাজবে।
শিক্ষক: তাতে কি এখন তো এগারোটা বাজে।

♦ শালা
এক ছাত্র তার বন্ধুকে চিৎকার করে নিহা নিহা বলে ডাকছে-
শিক্ষক: এই নিরঞ্জন তুমি নিহা নিহা বলে কাকে ডাকছ?
ছাত্র: আমার বন্ধুকে স্যার।
শিক্ষক: নিহা কোনো ছেলের নাম হতে পারে?
ছাত্র: না, মানে ওর আসল নাম নিরঞ্জ হাওলাদার স্যার! আমরা সংক্ষেপে নিহা বলে ডাকি।
শিক্ষক: ভাগ্যিস তোদের কালে আমার জম্ম হয়নি।
আমার নাম শান্তুনু লাহিড়ী। (শালা)

♦ জ্ঞানের অভাব
একদিন এক শিক্ষক তার ছাত্রের কাছে প্রশ্ন করলেন
শিক্ষক: বলতো, তোমার সামনে যদি একদিকে কিছু টাকা আর অন্যদিকে জ্ঞান রাখা হয় তবে তুমি কোনটা নিবে?
অনন্যা: এটা সোজা স্যার। আমি অবশ্যই টাকা নেব!
শিক্ষক: আমি হলে জ্ঞানটাই নিতাম।
অনন্যা: যার যেটার অভাব সে তো সেটাই নেবে স্যার।

♦ কেঁচো খাওয়া
কলেজে যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে। এক পর্যায়ে শিক্ষক এক ছাত্রকে দাঁড় করালেন এবং বললেন-
শিক্ষক: আচ্ছা ধরো, তুমি চেয়ারে বসেছ চেয়ার মাটিতে স্পর্শ করে আছে অর্থাৎ তুমি মাটিতে বসেছ। এ রকম একটা উদাহরণ দাও তো?
ছাত্র: ধরুণ স্যার, আপনি মুরগী খেয়েছেন আর মুরগি কেঁচো খেয়েছে সুতরাং আপনি কেঁচো খেয়েছেন।
শিক্ষক: খুব হয়েছে। বস।

♦ গাধা নাকি নির্বোধ
শিক্ষক: যারা একেবারে গাধা বা নির্বোধ তারা ছাড়া সবাই বসে পড়ো।
(সকল ছাত্র বসলেও একজন দাড়িয়ে আছে)
শিক্ষক: কিরে, তুই গাধা নাকি নির্বোধ?
ছাত্র: না স্যার, আপনি একা দাড়িয়ে আছেন এটা ভাল দেখাচ্ছেনা, তাই…

♦ বৃষ্টি
ছাত্র এবং শিক্ষকের মধ্যে কথা হচ্ছে-
শিক্ষক: কী ব্যাপার! তুমি গতকাল স্কুলে আসনি কেন?
ছাত্র: বৃষ্টির জন্য আসতে পারিনি স্যার।
শিক্ষক: বৃষ্টি, বলো কী? আরে একে তো শীতকাল তার উপর গতকাল বৃষ্টি হলে তো আমরাও টের পেতাম!
ছাত্র: টের পাবেন কিভাবে স্যার! বৃষ্টি হচ্ছে আমার খালাতো বোন। ঈদের ছুটিতে বেড়াতে এসেছে। তাই ওকে ফেলে স্কুলে আসা হয়নি।

♦ ব্যাকটেরিয়া
শিক্ষক: তোকে তো ব্যাকটেরিয়ার চিত্র আঁকতে বলেছিলাম। তুই তো দিলি সাদা কাগজ। কেন?
ছাত্র: স্যার, আমি তো ব্যাকটেরিয়ার চিত্র এঁকেছি। কিন্তু আপনি তো তা খালি চোখে দেখতে পারবেন না।

♦ ছানা
শিক্ষক ক্লাসে পড়াচ্ছেন-
শিক্ষক: আচ্ছা বলতে পারো দুধের সঙ্গে বিড়ালের মিল কোথায়?
ছাত্র: স্যার, এটা তো খুব সহজ প্রশ্ন।
শিক্ষক: তাহলে বলো।
ছাত্র: স্যার দুটো থেকেই ‘ছানা’ পাওয়া যায়।

♦ আমার মাথা
শিক্ষক দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী পড়াচ্ছেন বাড়িতে-
শিক্ষক: বলতো ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।
ছাত্রী: ‘মাই হেড’ মানে স্যারের মাথা।
ছাত্রীর বাবা: বল ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।
ছাত্রী: ‘মাই হেড’ মানে বাবার মাথা।
ছাত্রীর ভাই: বল ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।
ছাত্রী: ‘মাই হেড’ মানে ভাইয়ার মাথা,
ছাত্রীর মা: বল ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।
ছাত্রী: এবার বুঝেছি ‘মাই হেড’ মানে সবার মাথা।

Top