You are here
Home > কৌতুক > এবারের বিষয়: স্বামী-স্ত্রী (পর্ব-৩)

এবারের বিষয়: স্বামী-স্ত্রী (পর্ব-৩)

স্বামী-স্ত্রী (পর্ব-৩)

♦ স্বামী স্ত্রী এবং ছাগল
স্ত্রীর সাথে রাগ করে বাসা ছেড়ে চলে গেছে রঞ্জু। কিছুদিন পর সে একটি ছাগল নিয়ে বাসায় ফিরে এল।
রঞ্জুর স্ত্রী: ওই বদমাশটাকে নিয়ে এলে কেন?
রঞ্জু রেগে বলল: বদমাশ বলছ কেন, দেখছ না এটা ছাগল!
রঞ্জুর স্ত্রী: আমি তো ছাগলকেই জিজ্ঞেস করেছি।

♦ বিয়ের ভিডিও
স্বামী টিভি দেখছিল। হটাত চিৎকার করে উঠল
স্বামী: কবুল বলিস না! কবুল বলিস না! কবুল বলিস না!
রান্নাঘর থেকে স্ত্রী জিজ্ঞেস করলো
স্ত্রী: টিভিতে কি দেখছ?
স্বামী: আমাদের বিয়ের ভিডিও।

♦ জীবনের শেষ দিন
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা নিয়ে কথা হচ্ছে-
স্বামী: তোমাকে আমি অনেক ভালোবাসি।
স্ত্রী: তাই নাকি!
স্বামী: জানো, তোমার জন্য আমি পৃথিবীর শেষ সীমানা পর্যন্ত যেতে পারি।
স্ত্রী: হুমম, কিন্তু কথা দাও, আমার জন্য হলেও তুমি সেখানে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত থেকে যাবে।

♦ ঝগড়া
কঠিন ঝগড়ার পর স্ত্রী মুখ গোমড়া করে বসে আছে দেখে বিল্টু তার স্ত্রীকে বলছে-
বিল্টু: মানুষ তাকেই চড় মারতে পারে, যাকে কিনা প্রচণ্ড ভালোবাসে।
এ কথা শুনেই বিল্টুর স্ত্রী বিল্টুর গালে কষে ২ চড় মারল
বিল্টুর স্ত্রী: তুমি কি ভাবছ যে আমি তোমাকে ভালোবাসি না! দেখলে এবার আমি তোমাকে দ্বিগুণ ভালোবাসি।

♦ তালাক
এক দম্পতি আদালতে গেছেন তালাক দিতে। কিন্তু স্ত্রী তালাক দিতে নারাজ। আদালতে বেশ কান্নাকাটি শুরু করে দিলেন তিনি। বিচারক ভদ্রমহিলাকে জিজ্ঞেস করলেন,
বিচারক: আপনি কাঁদছেন কেন? তালাক হলে তো আপনার স্বামী আপনাকে খোরপোষ দেবেন। তাতে তো ভালোই চলে যাওয়ার কথা।
ভদ্রমহিলা: আমাদের ৪৫ বছর বিয়ের বয়সে ১৬ জন সন্তান হয়েছে। আর নাতি-নাতনি মোট ২৩ জন।
বিচারক: তাতে সমস্যাটা কী?
ভদ্রমহিলা: কিন্তু বিয়ের সময় আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, তালাক হলে সব সন্তানসন্ততির দায়ভার যে আমাকেই বহন করতে হবে।

♦ মাছির লিঙ্গ নির্ধারণ
বসে বসে পতিপ্রবরের মাছি মারা দেখে স্ত্রী তাকে জিজ্ঞেস করছে—
স্ত্রী: কী করছ তুমি?
স্বামী: দেখছ না, মাছি মারছি।
স্ত্রী: তা কয়টা হলো?
স্বামী: তিনটা পুরুষ আর দুইটা স্ত্রী মাছি মারলাম।
স্ত্রী: কী করে পুরুষ-স্ত্রী বুঝলে?
স্বামী: কারণ, দুইটা মাছি ফোনের কাছে ঘুরঘুর করছিল, আর তিনটা মাছি দূর থেকে তা দেখছিল।

♦ এত আনন্দ
স্ত্রী: কখনো ভেবে দেখেছ, আমি একদিন মরে যাব।
স্বামী: না না! তুমি মরে গেলে আমিও যে মারা যাব!
স্ত্রী: কিন্তু কেন?
স্বামী: কারণ এত আনন্দ আমি সহ্য করতে পারব না!

♦ জুয়েলারির দোকান
জুয়েলারির দোকানের ঠিক পাশে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ফোনে কথা হচ্ছে।
স্ত্রী: (ধমকের স্বরে) কোথায় তুমি?
স্বামী: প্রিয়তমা, তোমার কি সেই জুয়েলারির দোকানটার কথা মনে আছে, যে দোকানের একটা গয়নার সেট তুমি পছন্দ করেছিলে এবং বলছিলে, ‘ইশ্! যদি এটা কিনতে পারতাম?’
স্ত্রী: (গদগদ স্বরে) হ্যাঁ প্রিয়তম, মনে আছে!
স্বামী: আমি সেই জুয়েলারির দোকানের ঠিক পাশের দোকানে বসে চা খাচ্ছি।

♦ জলদি ঝাঁপ দাও!
সমুদ্রতীরে মাছ ধরছে এক দম্পতি। স্বামীর বড়শিতে টোপ গিলল এক বিশাল স্যামন মাছ। কিন্তু হুইল গুটিয়ে সেটাকে তীরে আনার আগেই সুতো-মাছ সব জড়িয়ে গেল সমুদ্র শৈবালের স্তূপে। স্বামী চিৎকার করে উঠেন।
স্বামী: ওগো, জলদি করো! ঝাঁপ দাও! সাঁতরে চলে যাও ওই শ্যাওলাগুলোর কাছে! ডুব দিয়ে সুতোটা ছাড়াও। নইলে হাঙরগুলো মাছটাকে টুকরো টুকরো করে ফেলবে!

♦ এমন স্ত্রী পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার
স্বামী তার স্ত্রীকে তালাক দিতে আদালতে গেছেন-
স্বামী: আমি আমার স্ত্রীকে আজই তালাক দিতে চাই। আপনি একটু ব্যবস্থা করুন।
আইনজীবী: কেন, সমস্যা কী আপনাদের?
স্বামী: আমার স্ত্রী প্রায় ৬ মাস ধরে আমার সঙ্গে কথা বলে না।
আইনজীবী: আরেকবার ভেবে দেখুন। এমন স্ত্রী পাওয়া কিন্তু ভাগ্যের ব্যাপার।

Top