You are here
Home > কৌতুক > এবারের বিষয়: ক্রিকেট (পর্ব-২)

এবারের বিষয়: ক্রিকেট (পর্ব-২)

ক্রিকেট (পর্ব-২)

♦ নামের পাশে ১০০ কিংবা তারও বেশি রান
প্রবীণ ক্রিকেটার বলছে এক নবীন ক্রিকেটারকে, ‘জানো, আমি যখন খেলতাম, তখন প্রতি ম্যাচেই স্কোরবোর্ডে আমার নামের পাশে ১০০ কিংবা তারও বেশি রান থাকত।’
নবীন ক্রিকেটার: জানি। এবং এ-ও জানি, আপনি ছিলেন একজন বোলার!

♦ যা বলতে চাইছিলাম
ক্যাপ্টেন বলছেন দলের একজন খেলোয়াড়কে, ‘পরবর্তী ম্যাচটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের এমন কাউকে প্রয়োজন, যে খুবই শক্ত মনের অধিকারী এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে। তাই তোমাকে ডেকেছি। যাহোক, যা বলতে চাইছিলাম, তুমি পরের ম্যাচটা খেলছ না!’

♦ কোন ব্যাটটা দিয়ে মারব
খেলার খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আহত হলেন একজন ব্যাটসম্যান।
ফিজিও: কী সমস্যা বোধ করছ?
ব্যাটসম্যান: আমি সবকিছু তিনটা দেখতে পাচ্ছি!
ফিজিও: সমস্যা নেই। তিনটা বলের মধ্যে তুমি শুধু মাঝখানের বলটা মারবে।
পরের বলেই আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরল ব্যাটসম্যান।
ফিজিও: কী ব্যাপার? তুমি মাঝখানের বলটা খেলোনি?
ব্যাটসম্যান: খেলেছি। কিন্তু কোন ব্যাটটা দিয়ে মারব, ঠিক বুঝতে পারছিলাম না!

♦ পরবর্তী ম্যাচের পরিকল্পনা
এক ফাস্ট বোলারের দুর্দান্ত বলে আহত হলেন বিপক্ষ দলের বেশ কয়েকজন ব্যাটসম্যান। খেলা শেষে বিপক্ষ দলের এক ব্যাটসম্যান ক্রিজে এসে মনোযোগ দিয়ে কিছু দেখছিলেন।
আম্পায়ার: বাহ্! তুমি নিশ্চয়ই পরবর্তী ম্যাচের পরিকল্পনা ঠিক করছ?
ব্যাটসম্যান: না। আমি আসলে আমার দাঁতটা খুঁজছিলাম!

♦ ক্রিকেট জ্ঞান
বোলারের বেশ কয়েকটি আপিল নাকোচ করে দেওয়ার পর বোলার বললেন আম্পায়ারকে, ‘তোমার কি এক মিনিট সময় হবে?’
আম্পায়ার: হ্যাঁ।
বোলার: ঠিক আছে। এখন ঝটপট আমাকে বলো তো, ক্রিকেট সম্পর্কে তুমি কী কী জানো?!

♦ খেলার হাইলাইটস দেখতে
মোকলেস বহু সাধ-সাধনা করে এসেছে ক্রিকেট বিশ্বকাপ খেলা দেখতে।
মোকলেসকে অনেকক্ষণ ধরে স্টেডিয়ামে বসে থাকতে দেখে এক নিরাপত্তাকর্মী বললেন, ‘কী ভাই, ম্যাচ তো অনেক আগেই শেষ হয়েছে। আপনি খালি খালি স্টেডিয়ামে বসে আছেন কেন?’
মোকলেস বলল, ‘আমি তো খেলার হাইলাইটস দেখতে বসে আছি।’

♦ আমাকে চিনলেন কীভাবে
শারজায় ওয়ান-ডে ক্রিকেট সিরিজ ভারত গো-হারা হেরে দেশে ফিরেছে। লজ্জায় কেউ মুখ দেখাতে পারছে না। সবাই বাড়িতে লুকিয়ে বসে থাকে। শ্রীকান্ত আর থাকতে না পেরে দাড়িগোঁফ লাগিয়ে শিখ পাঞ্জাবি সেজে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ল। খানিক দুর যাবার পর একজন মহিলা জিজ্ঞেস করল, এই যে শ্রীকান্ত, কোথায় যাচ্ছ?
শ্রীকান্ত অবাক। মহিলা তাকে চিনল কী করে? পরদিন সালোয়ার-কামিজ পরে মাথায় পরচুলা লাগিয়ে মেয়ে সেজে রাস্তায় বের হল। সেই মহিলার সাথে আবার দেখা। বলল, কি শ্রীকান্ত, কোথায় যাচ্ছ?
শ্রীকান্ত অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, আপনি আমাকে চিনলেন কীভাবে?
মহিলা উত্তর দিল, আরে আমি রবি শাস্ত্রী।

♦ নতুন অতিথির সঙ্গে আচরণ
নতুন ব্যাটসম্যান ক্রিজে এলেন। নিজের গার্ডগুলো পরীক্ষা করে দেখলেন। একটু নড়েচড়ে শরীরটাকে চাঙা করে নিলেন। চারদিকে ফিল্ডারদের অবস্থানটাও একনজর ঘুরে দেখলেন। এরপর শূন্যে কয়েকবার ব্যাট হাঁকিয়ে আম্পায়ারকে জানালেন, সে তৈরি। আম্পায়ার বোলারকে বল করতে অনুমতি দিলেন। বোলার বলও করলেন এবং সোজা মিডল স্ট্যাম্প উড়ে গেল। তখন পেছন থেকে উইকেট কিপার বললেন, ‘কী লজ্জা! এত ভাব দেখানোর পর মাত্র এক বলেই স্ট্যাম্প উড়ে গেল।’ ব্যাটসম্যান তখন বললেন, ‘লজ্জা তোমাদেরই পাওয়া উচিত। একজন নতুন অতিথির সঙ্গে কীভাবে আচরণ করতে হয় সেটা তোমাদের বোলার এখনো শেখেনি।’

♦ বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের সঙ্গে থাকতে চাই
এক দম্পতির বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গেল। তাদের নাবালক মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করা হল, তুমি কার সঙ্গে থাকতে চাও, মায়ের সঙ্গে?
মেয়েটি বলল, না, মা বড্ড পেটায়!
তাহলে বাবার সঙ্গে?
না, বাবাও ভীষণ পেটায়!
তাহলে কার সঙ্গে থাকতে চাও?
বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের সঙ্গে। ওরা ভারী ভালোমানুষ, চাইলেও পেটাতে পারে না!

♦ ব্যাটিংটা মিস করি আর কি
ডাক্তারঃ আপনি বলছেন আপনি সারারাত ধরে ক্রিকেট খেলার স্বপ্ন দেখেন?
রোগীঃ হ্যাঁ।
ডাক্তারঃ কতদিন ধরে এটা চলছে?
রোগীঃ প্রায় এক বছর।
ডাক্তারঃ হুঁ, কিন্তু আপনার অন্য কোনো স্বপ্ন দেখতে ইচ্ছে করে না? যেমন ধরুন- খাবারদাবার বা বেড়াতে যাওয়া…?
রোগীঃ হুঁ, ওসব করতে গিয়ে আমি আমার ব্যাটিংটা মিস করি আর কি।

Top