You are here
Home > কৌতুক > এবারের বিষয়:পথ ও পথিক

এবারের বিষয়:পথ ও পথিক

পথ ও পথিক

♦ খোসার আড়ালে কী আছে
এক ভদ্রলোক রাস্তায় দাড়িয়ে খোসা না ছাড়িয়েই কলা খাচ্ছে। তাই দেখে আরেক ভদ্রলোক বললেন, সেকি, আপনি দেখি খোসা না ছিলেই কলা খাচ্ছেন!
প্রথম জন জবাব দিলেন, তাতে সমস্যা কী? খোসার আড়ালে কী আছে সে তো আমি জানিই।

♦ কোলের বান্দর
এক ভদ্র মহিলা বাচ্চা কোলে নিয়ে বাসে চড়ল। বাস চালক মুচকি হেসে বলল, “বাচ্চাটি দেখতে কুৎসিত।”
মহিলা ভাড়া চুকিয়ে দিয়ে পিছনের একটা সিটে গিয়ে বসল এবং রাগে গজগজ করতে লাগল।
মহিলাকে এমন করতে দেখে পাশের সিটের ভদ্রলোক জিজ্ঞেস করলো কি হয়েছে।
“বাস ড্রাইভাই আমাকে অপমান করছে!”, ভদ্রমহিলা উত্তর দিল।
সহানুভূতি দেখিয়ে ভদ্রলোক বলল, “নাহ, সে পাবলিক সার্ভেন্ট। প্যাসেঞ্জারদের সাথে সে এরকম ব্যবহার করতে পারে না।”
“ঠিক বলেছেন। আমার মনে হয় ফিরে গিয়ে তাকে একটা উচিত জবাব দিয়ে আসি।”
“ঠিক আছে, যান। তবে আপাতত কোলের বান্দরটাকে আমার কাছে দিয়ে যান।”

♦ পরোপকারী করিম সাহেব
করিম সাহেব একবার গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার পথে দেখলেন, এক লোক রাস্তার পাশের মাঠে দাঁড়িয়ে ঘাস খাচ্ছে।
করিম সাহেব: কী ব্যাপার? ঘাস খাচ্ছ কেন?
লোক: স্যার, আমি তিন দিন ধরে কিছু খাইনি।
করিম সাহেব: ঠিক আছে, তুমি আমার সঙ্গে এসো।
লোক: স্যার, আমার সঙ্গে আমার স্ত্রীও আছে।
করিম সাহেব: তাকেও সঙ্গে নাও।
লোক: স্যার, আমার সঙ্গে আমার তিন ছেলেমেয়েও আছে।
করিম সাহেব: তাদেরও সঙ্গে নাও।
লোক: স্যার, আপনার অশেষ দয়া! কিন্তু এতজনকে নিয়ে আপনার সমস্যা হবে না তো?
করিম সাহেব: নাহ। আমার বাগানের ঘাসগুলোও বেশ বড় হয়ে উঠেছে!

♦ ব্যক্তিগত আলাপ
এক লোক হলে গেছে সিনেমা দেখতে। সামনের সিটে দুই মহিলা এত জোরে গল্প করছিল যে বেচারা কোনো সংলাপই শুনতে পাচ্ছিল না। শেষমেশ না পেরে মহিলা দুজনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন, এই যে, আমি কিছু শুনতে পাচ্ছি না।
‘শোনা উচিতও নয়। আমরা ব্যক্তিগত আলাপ করছি’। মহিলাদের একজন জবাব দিলেন।

♦ ওই পাড়ে
নদীর দুই পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা দুই লোক চিৎকার করে কথা বলছে—
: আমি ওই পাড়ে কী করে আসব?
: গাধার মতো কথা বোলো না। তুমি তো ওই পাড়েই আছো।

♦ ভাবনা
রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে একটি গাড়ি আসতে দেখে এক লোক ভাবছে:
-পাশ কাটিয়ে যাবে। ট্রাম তো নয়।
আর লোকটির দিকে তাকিয়ে গাড়ির চালক ভাবছে:
-সরে যাবে। ল্যাম্পপোস্ট তো নয়!

♦ মেল ট্রেন
মেল ট্রেনটা ছেড়ে দেওয়ায় এক যুবক হন্তদন্ত হয়ে ফিমেল কম্পার্টমেন্টেটই উঠে পড়ল।
সুন্দরী এক তরুনী সাথে-সাথে চেঁচিয়ে উঠল, এতে উঠলেন যে! জানেন না এটা ফিমেল কম্পার্টমেন্ট?
যুবক বলল, তাতে কী হয়েছে? আপনি তো মেল ট্রেনেই যাচ্ছেন।

♦ কে এই ভদ্রলোক
দুধ বহনকারী গাড়িটা অন্যগাড়ির সাথে ধাক্কা লেগে উল্টে গেল। দুধে ভেসে গেল রাস্তা। ভিড় জমে গেল।
ভিড়ের মাঝ থেকে অমায়িক চেহারার এক ভদ্রলোক বেরিয়ে এসে দুধ বহনকারী গাড়ীর ড্রাইভারকে বললেন, এ-জন্য নিশ্চয়ই তোমার মালিক তোমাকে দায়ী করবে। ক্ষতিপূরণ চাইবে।
: জি।
: তুমি তো গরিব। এত টাকা পাবে কোথায়? এক কাজ কর-এই আমি পাঁচ টাকা দিলাম, এখন অন্যান্যদের কাছ থেকে আরো কিছু-কিছু নিলে বোধহয় হয়ে যাবে তোমার। কিছুক্ষণের মাঝেই বেশ কিছু টাকা উঠে গেল। ভিড় কমে গেলে ভদ্রলোকটিও চলে গেলেন।
একজন পথিক আপন মনে বলে উঠল, কে এই ভদ্রলোক?
ড্রাইভার বলল, আমার মালিক।

♦ এখনো অনেক পথ বাকি
চেকার টিকেট চাইলেন যাত্রীর কাছে।
যাত্রী : টিকেট ছিল, কিন্তু আমার খোকা পথে সেটাকে চিবিয়ে খেয়ে ফেলেছে।
চেকার : এখনো অনেক পথ বাকি। আবার খিদে পাবে। আরেকটা টিকেট কাটুন।

♦ দৌড়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন
এক ভদ্রলোক ঝরনার পানিতে গোসল করতে গেছেন। সেখানে প্রায়ই কাপড় চুরি হয়। তাই তিনি তার পোশাক খুলে তার উপর একটা কাগজে লিখে রাখলেন, ‘বিশ্বহেভিওয়েট মুষ্টিযোদ্ধা’।
গোসল করে উঠে দেখেন কাপড় নেই। এক টুকরো কাগজ পড়ে আছে। তাতে লেখা -‘এক হাজার মিটার দৌড়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন’।

Top