You are here
Home > কৌতুক > এবারের বিষয়: বোকা ও বুদ্ধিমান

এবারের বিষয়: বোকা ও বুদ্ধিমান

বোকা ও বুদ্ধিমান

♦ পাঁচটি ফুলের নাম
বাড়ির ছোট্ট মেয়েটার সঙ্গে খাতির জমানোর চেষ্টা করছেন অতিথি।
অতিথি: বাবু, তুমি কোন ক্লাসে পড়ো?
ছোট্ট মেয়ে: ক্লাস ওয়ানে।
অতিথি: বাহ্! পাঁচটি ফুলের নাম বলোতো দেখি।
ছোট্ট মেয়ে: দুটি গোলাপ, তিনটি জবা!

♦ ইনডাইরেক্ট
একটা মেয়েকে দেখে একটা ছেলের খুব পছন্দ হলো। ছেলেটি মেয়েটির নাম জানতে ইচ্ছে হলো, কিন্তু সরাসরি বলতে পারছিল না।
তখন মেয়েটিকে প্রশ্ন করলো: আচ্ছা, আপনি কি এমন কাউকে চিনেন যার নাম আর আপনার নাম একই।
মেয়েটি বলল: হ্যাঁ, চিনি।
ছেলে: কী নাম তার?
মেয়ে: (নামটি বলে দিল)।

♦ দুই ভাই মিলে ঢিল
হাবলু আর বাবলু, দুই ভাই একটা আম গাছে ঢিল ছুড়ছিল।
হাবলু: ভাইয়া, এতক্ষণ ধরে ঢিল ছুড়ছি, তবু আমটা পড়ছেনা। আমার মনে হয়, আমটা এখনো কাঁচা।
বাবলু: হুম, বৃথা কষ্ট করে কী লাভ? তুই এক কাজ করতো, গাছ বেয়ে ওপরে উঠে যা।
হাবলু অনেক কষ্ট করে হাচড়ে-পাচড়ে গাছের উপর চড়ে বসল। হাত বাড়িয়ে আমটা টিপেটুপে পরীক্ষা করে চিৎকার করে বাবলুকে জানাল, ‘ভাইয়া, আমটা পাকা!’
বাবলু: গুড! জলদি নিচে নেমে আয়। দুই ভাই মিলে ঢিল ছুড়লে আমটা পাড়তে খুব বেশি দেরি হবেনা!

♦ আমি কেন পালাব
বাবলু আর হাবলু বনের মাঝ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল। হঠাৎ তারা পড়ল এক বাঘের সামনে। বাবলু চট করে একমুঠো বালু বাঘের চোখে ছুড়ে দিয়ে বলল, ‘হাবলু, পালা!’
হাবলু: কী আশ্চর্য! বালুতো তুই ছুড়েছিস! আমি কেন পালাব?!

♦ কত বড় গাধা
জলিল সাহেব রেগে মেগে তাঁর বসের রুমে ঢুকে বললেন, ‘স্যার, অফিসের সবাই বলে, আমি নাকি এ অফিসের সবচেয়ে বোকা লোক! এ অপমান অনেক সয়েছি, আর না! আজ আমি প্রমাণ করে দিয়েছি, আমার চেয়ে বোকা লোকও এইঅফিসে আছে!’
বস: তাই নাকি? তা কীভাবে প্রমাণ করলেন?
জলিল সাহেব: অফিসের গাড়ির ড্রাইভারটা কে বললাম, ‘জলদি আমার বাড়ি গিয়ে দেখে আসোতো, আমি বাড়ি আছি কিনা। ’ব্যাটা অমনি গাড়ি নিয়ে ছুট লাগাল! কত বড় আহাম্মক!
বস: হুম। তাইতো দেখছি।
জলিল সাহেব: জি স্যার! কত বড় গাধা! আমার বাড়ি যাওয়ার কী দরকার ছিল? বাসায় ফোন করে আমার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করলেই হয়!

♦ প্রতিশোধ
জলিল সাহেব দীর্ঘক্ষণ ধরে ঘুমাতে চেষ্টা করছেন, মশার জ্বালায় পারছেন না। যখনই চোখ দুটো ঘুমে একটুখানি লেগে আসে,তখনই কোথা থেকে যেন একটা পাজি মশা এসে কানের কাছে ‘গুন গুন গুন গুন’ করতে থাকে।
রেগে মেগে জলিল দাঁত কিড়মিড় করে বললেন,‘একবার যদি ধরতে পারি, দেখাব মজা!’
জলিল এবার ঘুমের ভান করলেন। যখনই মশাটা কাছে এল, অমনি খপ করে মশাটাকে ধরে ফেললেন। আলতো করে ধরে মশার গায়ে হাত বোলাতে লাগলেন আর ‘আয় ঘুম আয়রে’ বলে বলে মশাটাকে ঘুম পাড়ানি গান শোনাতে লাগলেন! কিছু ক্ষণের মধ্যেই মশাটা নিস্তেজ হয়ে এল। দেখে মনে হলো, মশাটা প্রায় ঘুমিয়ে পড়েছে!এবার জলিল সাহেব মশার কানের কাছে মুখ নিয়ে বললেন,‘গুনগুনগুনগুন….’!!

♦ মাটি কত দূর
জাহাজে চড়ে বনভোজনে যাচ্ছিল একদল লোক। এমন সময় জাহাজ ডুবতে শুরু করল। এক কুস্তিগীর জাহাজের ক্যাপ্টেনের কাছে এসে জিজ্ঞেস করল,‘এখান থেকে মাটি কত দূর?’
ক্যাপ্টেন:দুই কিলোমিটার।
‘হাহ্! দুই কিলোমিটারতো আমি একনিমেষে সাঁতরে পার হতে পারি’ বলেই পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ল কুস্তিগীর। এরপর জাহাজের ডেকে দাঁড়ানো ক্যাপ্টেনকে জিজ্ঞেস করল,‘কোনদিকে?’
ক্যাপ্টেন:নিচের দিকে!

♦ কথা রেকর্ড
রতন: কী করছ?
তন্বী: এই তিন মাসের বাচ্চাটার কথা রেকর্ড করছি।
রতন: কেন?
তন্বী:ও বড় হলে জিজ্ঞেস করব,ও আসলে কী বোঝাতে চাইছিল!

♦ বাঘ চুরি
চিড়িয়াখানার প্রধান: রতন,তুমি বাঘের খাঁচার দরজায় তালা দাওনি?
রতন: কী যে বলেন স্যার,কোন গর্দভ একটা বাঘ চুরি করতে আসবে!

♦ নকল করার আর কোনো সুযোগই নেই
সঞ্জু তার চেকবই হারিয়ে হন্তদন্ত হয়ে ব্যাংকের ম্যানেজারের কাছে গেছে—
ম্যানেজার:আপনি একটু সচেতন থাকবেন না! এখন কেউ যদি আপনার স্বাক্ষর নকল করে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেয়,তখন কী করবেন?
সঞ্জু:অন্যজন কীভাবে আমার স্বাক্ষর নকল করবে? আমি কি বোকা নাকি!
ম্যানেজার:কেন?
সঞ্জু: আরে আমিতো চেকবইয়ের সব পৃষ্ঠাতেই স্বাক্ষর করে রেখেছি। অন্যকারও স্বাক্ষর নকল করার আর কোনো সুযোগই নেই।

Top