You are here
Home > কৌতুক > এবারের বিষয়: উকিল

এবারের বিষয়: উকিল

উকিল

♦ কার পেশা আগে এসেছে
কার পেশা আগে এসেছে— এ নিয়ে একজন ডাক্তার, একজন ইঞ্জিনিয়ার আর একজন উকিল খোশগল্পে মেতেছেন। ডাক্তার বললেন, ‘সবার আগে মানুষ এসেছে। আমরা মানুষের রোগ নিয়ে কাজ করি, তাই চিকিত্সা পেশাটাই সবচেয়ে প্রাচীন। ’প্রকৌশলী কিছুতেই মানতে রাজিনন, ‘কিন্তু মানুষ আসার আগে তো তাদের ঘরবাড়ি বানাতে হয়েছে নাকি! তাহলে তো ইঞ্জিনিয়ারই আগে আসে। ’এবার উকিলের পালা—‘তো মশাই, বাড়ি বানানোর আগে তো মামলা-মোকদ্দমা করে মানুষ কে জমির মালিক হতে হয়েছে, তাই না? তাহলে এবার আপনারাই বলুন, কার পেশাটা আগে আসে?’

♦ অপারেশন থিয়েটার
এক মক্কেল দৌড়ে হাঁপাতে হাঁপাতে এসে উকিলের কক্ষে ঢুকে তাঁর সঙ্গে কথা বলছেন—
মক্কেল: উকিল সাহেব, আমি একটু আগে সিনেমা দেখতে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে তো সিনেমা দেখানোর বদলে জ্যান্ত মানুষ কাটা দেখাচ্ছে।
উকিল: তা আপনি সিনেমা দেখার জন্য কোন সিনেমা হলে গিয়েছিলেন, শুনি?
মক্কেল: কেন? সব থিয়েটারেই তো সিনেমা চলে। আমি যে থিয়েটারে গিয়েছিলাম, তার সামনে লেখা ছিল ‘অপারেশন থিয়েটার’।

♦ প্রমাণ
: তাহলে তুমি বলছ ওই লোকটা তোমার ঘর থেকে চুরি করেছে।
: জি হুজুর।
: ওর কাছে পাওয়া সব জিনিস পত্র টেবিলে আছে এর মধ্যে কোন জিনিসটা তোমার বলতে পার?
: নিশ্চিত হুজুর। ওই কোণে ই লেখা রুমালটা আমার।
: এটা কোনো প্রমাণ হতে পারেনা। আমার পকেটেও একটা ই লেখা রুমাল আছে।
: এখন মনে পড়েছে হুজুর। আসলে ই লেখা দুটো রুমাল আমার হারিয়েছে।

♦ কী কী ভুলে গেছেন
উকিল: আপনি বলতে চাইছেন, আপনার কিছুই মনে নেই?
সাক্ষী: জিনা, কিছুই মনে নেই।
উকিল: কী কী ভুলে গেছেন, সেটা কি মনে আছে?

♦ মধুচন্দ্রিমায় একা
উকিল: আপনি মধুচন্দ্রিমায় কোথায় গিয়েছিলেন?
বিবাদী: কক্সবাজার।
উকিল: একাই?

♦ চোরের মা’র ৫০০ সাক্ষী
উকিল বলছেন চোরকে, ‘তুমি বলছ তুমি নিরপরাধ, অথচ পাঁচজন সাক্ষী বলছে তারা তোমাকে দোকান থেকে ঘড়িটা চুরি করতে দেখেছে।’
চোর: হুজুর, আমি এমন ৫০০ জনকে হাজির করতে পারব, যারা আমাকে চুরি করতে দেখেনি!

♦ ছবিটা তোলার সময় উপস্থিত
উকিল: দেখুনতো, এই ছবিটা কি আপনার?
বাদী: জি।
উকিল: ছবিটা তোলার সময় কিআপনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন?

♦ জন্মদিন কবে
উকিল: আপনার জন্মদিন কবে?
বিবাদী: ১৫ জুলাই।
উকিল: কো নবছর?
বিবাদী: প্রতি বছর!

♦ কিছু বলার আছে
উকিল: মাননীয় আদালত, সব তথ্যের ভিত্তিতে এটা নিঃসন্দেহে প্রমাণিত যে, আমার মক্কেল জনাব ছক্কু সম্পূর্ণ নির্দোষ।ব্যাংক ডাকাতির সঙ্গে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন। অতএব, তাঁকে বেকসুর খালাস দেওয়া হোক।
বিচারক: তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জনাব ছক্কুকে বেকসুর খালাস দেওয়া হলো।জনাব ছক্কু, আপনার কি কিছু বলার আছে?
ছক্কু: আমাকে কি ব্যাংকের টাকাগুলো ফেরত দিতে হবে?

♦ এক ডজন উকিল
একজন শিক্ষক গেছেন নাপিতের দোকানে চুল কাটাতে। চুল কাটা শেষে নাপিত বললেন, ‘আপনি একটি মহৎ পেশায় নিয়োজিত। আপনার কাছ থেকে আমি টাকা নেব না স্যার।’
শিক্ষক খুব খুশি হলেন।পরদিন সকালে নাপিত দোকানে এসে দেখেন, দোকানের সামনে শিক্ষক এক ডজন বই রেখে গেছেন। সেদিন চুল কাটাতে এল এক পুলিশ। চুল কাটা শেষে নাপিত বললেন, ‘আপনি জনগণের সেবক। আপনার কাছ থেকে কী করে টাকা নিই? ’পুলিশ খুশি হয়ে পরদিন নাপিতের দোকানের সামনে এক ডজন কমলা রেখে গেলেন।
পরদিন নাপিতের দোকানে এলেন এক উকিল। নাপিত উকিলের কাছেও টাকা রাখলেন না। বললেন, ‘আপনি ন্যায়ের জন্য লড়াই করেন। আপনার কাছে আমি টাকা নেব না, স্যার।’
পরদিন দেখা গেল, এক ডজন উকিল নাপিতের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে!

Top