You are here
Home > কৌতুক > এবারের বিষয়: হোটেল-রেস্টুরেন্ট- পর্ব-২

এবারের বিষয়: হোটেল-রেস্টুরেন্ট- পর্ব-২

♦ ডায়েট কন্ট্রোল
: স্যার কেকটা চার টুকরা করে দেব না আট টুকরো ?
: চার টুকরোই কর। ডায়েট কন্ট্রোল করছি তো।

♦ পাশের হোটেলে
প্রচন্ড ক্ষুধা নিয়ে হোটেলে খেতে বসেছে একজন। মাছটা মুখে দিয়েই ক্রুদ্ধ হয়ে উঠলেন তিনি।
: এই ব্যাটা, মাছ পচা কেন ? ডাক তোর মালিককে। মালিক কোথায় ?
: পাশের হোটেলে খেতে গেছে, স্যার।

♦ খাবার ঠিকই আছে…তবে
পরিচিত রেস্টুরেন্টে খাওয়া শেষে খদ্দের ওয়েটারকে ডেকে বলল, ‘তোমাদের আগের বাবুর্চিটা মারা গেছে, তাই না?’
ওয়েটার অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘আপনি কি করে জানলেন, স্যার? খাবার কি খারাপ হয়েছে?’
খদ্দের জবাব দেয়, ‘না…খাবার ঠিকই আছে…তবে আগে সাদা চুল পেতাম, ইদানীং কালো চুল পাচ্ছি।’

♦ পানির সমস্যা
বেড়াতে গিয়ে হোটেলে উঠেছে ইমন। হোটেলে ঘর দেখে ইমন জিজ্ঞেস করল হোটেল বয়কে, ‘তোমাদের হোটেলে পানির কোনো সমস্যা নেই তো?’
হোটেল বয়: সে ব্যাপারে আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন স্যার। বৃষ্টির দিন। তাছাড়া আমাদের ছাদে যথেষ্ট পরিমাণে ফুটো আছে।

♦ তেলাপোকার স্যুপ
জাপানের এক হোটেলে খেতে গেছেন তরফদার সাহেব। ওয়েটারগুলোও জাপানি ভাষা ছাড়া অন্য কোনো ভাষা বোঝেনা। তরফদার খাবারের মেন্যু দেখে কোনটা অর্ডার করবেন, বুঝে উঠতে পারছিলেন না। অনেক ভেবে চিন্তে একটা খাবার অর্ডার করলেন। কিছুক্ষণ পর গরমগরম এক বাটি স্যুপ নিয়ে হাজির হলো ওয়েটার। খুশি মনে তরফদার সাহেব যে-ইনা এক চামচ স্যুপ মুখে দিতে যাবেন, হঠাৎ লক্ষ্য করলেন স্যুপের মধ্যে একটা তেলাপোকা ভাসছে। আঁতকে উঠে ওয়েটারকে ডাকলেন। রেগে অস্থির, অথচ কোনোভাবেই ওয়েটারকে বোঝাতে পারছিলেন না, সমস্যাটা কী।
অবশেষে মীমাংসা করতে এগিয়ে এলেন হোটেলের ম্যানেজার। ভাগ্যিস, ম্যানেজার লোকটা ইংরেজি বোঝেন। তরফদার সাহেব তাঁর সমস্যা বললেন। শুনে ম্যানেজার ওয়েটার কে ধমক দিয়ে বললেন, ‘এইবুদ্ধু! তেলাপোকার স্যুপে মাত্র একটা তেলাপোকা দিয়েছ কেন?’

♦ পচা মুরগি
ক্রেতাঃ তোমাদের ম্যানেজার কে ডাকো। এরকম পচা মুরগি আমি খেতে পারবনা।
ওয়েটারঃ ম্যানেজার কে ডেকে কোনো লাভ নেই। তিনিও পচা মুরগি খেতে পারেননা।

♦ এই মন্দার সময় কত খায়
অর্থনৈতিক মন্দার সময় হোটেলে ঢুকেছে ছাত্ররা। একজন বলল, ‘আমাকে দুইটা বিফস্টেক দিন।’
লাইনে দাঁড়ানো ক্রেতারা ফিসফিস করে বলল, ‘দেখেছ, এই মন্দার সময় কত খায়!’
এক ছাত্র তখন বেয়ারাকে বলছে- সঙ্গে আঠারোটা কাঁটা চামচ দেবেন।

♦ গরম রুটি
শীতের মাঝ রাতে হোটেলে রুটি আর মাংস খেতে খেতে..
ভদ্রলোক: বাহ, এই মাঝরাতেও তোমাদের রুটি দেখি বেশ গরম।
ওয়েটার: হবে না স্যার, বিড়ালটা তো রুটিটার উপরেই বসাছিল।

♦ গাধার অযোগ্য খাদ্য
এক ভদ্রলোক হোটেলে খেতে বসে বিরক্ত হয়ে বেয়ারাকে ডাকলেন¬
ভদ্রলোকঃ এই যে, শোন একি খাবার দিয়েছ ?
বেয়ারাঃ কেন স্যার! কোন গোলমাল হয়েছে?
ভদ্রলোকঃ গোলমাল মানে ! আরে এ খাবারতো একেবারে গাধার খাদ্যের অযোগ্য !!
বেয়ারাঃ গাধার যোগ্য খাদ্যতো এই হোটেলে পাবেননা স্যার। আপনাকে না দিতে পাবার জন্য দুঃখিত।

♦ প্রথম সেরা কোনটা
এক লোক নতুন রেস্টুরেন্ট খুলছে, রেস্টুরেন্টের অন্যতম আইটেম খিচুরি।
এক কাস্টোমার একদিন ওই লোককে বলল, ভাই, আপনার এখানকার খিচুরি কেমন?
-”আমার খিচুরি ঢাকার দ্বিতীয় সেরা খিচুরি।– লোকটার জবাব।
– তাহলে প্রথম সেরা কোনটার?
– বাকি সব গুলা।

Top