You are here
Home > কৌতুক > এবারের বিষয়: পরীক্ষা

এবারের বিষয়: পরীক্ষা

পরীক্ষা

♦ ৫নম্বর
স্কুল পড়ুয়া দুই বন্ধুর পরীক্ষার শেষে স্কুল মাঠে দেখা-
১ম বন্ধুঃ কীরে দোস্ত, পরীক্ষা কেমন হলো ?
২য় বন্ধুঃ পরীক্ষা ভাল হয়নিরে দোস্ত ! তবে ৫ নম্বর নিশ্চিত পাবো।
১ম বন্ধুঃ কীভাবে ?
২য় বন্ধুঃ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য ছিল ৫ নম্বর! তাই আমি পরীক্ষার খাতায় কলমের একটা আচড়ও দেইনি! তাই ৫ নম্বর নিশ্চিত পাবো।

♦ অংকের টিউটর
বাবাঃ আজ স্কুলের টিচার কী বললেন?
ছেলেঃ বলেন তোমার জন্য একজন ভালো অংকের টিউটর রাখতে।
বাবাঃ মানে?
ছেলেঃ মানে তুমি হোম ওয়ার্কের যে অংক গুলো করে দিয়েছিলে সব ভুল ছিল।

♦ পরীক্ষার চাপ
ছেলের দু’দিন পর পরীক্ষা। অথচ পড়াশোনার নাম গন্ধ নেই। সারাদিন টইটই করে ঘুরে বেড়ায়। মা, ব্যাপারটা দেখে-
মাঃ হাবলু, তোর না দু’দিন পরে পরীক্ষা! পড়াশোনা করছিস্‌ না যে!
হাবলুঃ মা পরীক্ষার এত চাপ- পড়ার সময়ই পাচ্ছিনা!!

♦ শুধু একটা ভুল
বাবা: খোকা, পরীক্ষা কেমন দিলি?
ছেলে: শুধু একটা উত্তর ভুল হয়েছে।
বাবা: বাহ্! বাকিগুলো সঠিক হয়েছে?
ছেলে: না, বাকিগুলো তো লিখতেই পারিনি।

♦ পরীক্ষার হল থেকে
পরীক্ষার হল থেকে এক ছেলে স্যারের অনুমতি নিয়ে টয়লেটে গেল। টয়লেটে আগেই একটা বই রাখা ছিল, প্রশ্নের উত্তর বের করে পড়ে আসতে আসতে অনেকক্ষণ দেরি হয়ে গেল। ফিরে আসতেই স্যার কষে ধমক লাগালেন।
-কী ব্যাপার, টয়লেট থেকে আসতে এতক্ষণ লাগল কেন? আর কেউ যাবেনা নাকি?
-না স্যার, ওরা ভালো করেই পড়াশোনা করে এসেছে।

♦ ডিস্টার্ব
জগন্নাথ কলেজের বেঞ্চ গুলোর অবস্থা ভীষণ খারাপ, একেবারে নড়বড়ে। আমার পেছনের বেঞ্চে বসেছিল তুষার। পাশের ছেলেটার সঙ্গে তার গত দুই পরীক্ষা ধরেই রেষারেষি চলছিল। পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণ পর তুষার ইচ্ছা করেই নড়বড়ে বেঞ্চটা আরও বেশি করে নাড়াচ্ছিল। ছেলেটা কয়েক বার বলার পরও না থামাতে সে দাঁড়িয়ে স্যারকে বলল, ‘স্যার, ও আমাকে ডিস্টার্ব করছে। ’স্যার একটা কাঠের চেয়ারে বসে ঢুলছিলেন। তিনি এদিকে তাকিয়ে বললেন, ‘কীভাবে? ’‘ও বারবার বেঞ্চ নাড়াচ্ছে।’ স্যার তখন তুষারের দিকে তাকিয়ে বললেন, তুমি এদিকে আসো, আমার চেয়ারটা একটু নাড়াইয়া দাও, আরাম করি।

♦ পরীক্ষার হল থেকে
পরীক্ষা শুরুর ১৫ মিনিট পর দরজায় মেহেদীকে দেখে স্যার বললেন, ১০ মিনিটের পর এলে কাউকে হলে ঢুকতে দেওয়া যাবেনা। অনেক কাকুতি-মিনতির পর সে শেষ চেষ্টা হিসেবে বলল, ‘বাসা থেকে বেরোতে গিয়ে সিঁড়িতে আছাড় খেয়ে গড়াতে গড়াতে নিচে পড়ে গিয়েছিলাম স্যার। ’কৈফিয়ত শুনে স্যার আরও রেগে গিয়ে বললেন, ‘দোতলার সিঁড়ি থেকে গড়িয়ে নিচে নামতে তোমার ১৫ মিনিট লাগল? বাজে বকার জায়গা পাওনা?’

♦ মুখস্থ
ম্যাডাম বলেছে, প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করতে হবে। সৌরভ করছেও তা। সে বাসায় শিখেছে, আমাদের দেশের কয়েকটি ফলের নাম-আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, বরই প্রভৃতি।পরীক্ষায় প্রশ্ন এল, দেশের পাঁচটি ফলের নাম লেখো। সৌরভ হিসাব করে দেখল, ও শিখেছে ছয়টি ফলের নাম আর লিখতে হবে পাঁচটির নাম। তারপর সৌরভ লিখল- আমাদের দেশের পাঁচটি ফলের নাম হলোঃ
১• আম, ২• জাম, ৩• কাঁঠাল, ৪• লিচু, ৫• প্রভৃতি!

♦ বিভ্রাট
পরীক্ষার কেন্দ্রে অপেক্ষমাণ এক শিক্ষার্থীর মা গল্প করছেন, ‘মেয়েতো আমার একদমই পড়েনা। তারপরও কত ভালো রেজাল্ট করে। আজ ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা, অথচ কাল রাত ১০টা বাজতেই ঘুমিয়ে পড়ল।’
মেয়ে পরীক্ষার হল থেকে বাইরে এসে মাকে তাগাদা দিল, ‘চলো মা।’
‘এই আরেকটু গল্প করি তোমার আন্টির সঙ্গে।’মা বলেন।
‘না, না। ’উত্তর দেয় মেয়েটি, ‘কাল রাত জেগে পড়েছি। এখন গিয়ে একটু ঘুমাব।’মায়ের মুখ ততক্ষনাৎ পাংশু!

♦ খাতা না, ওকেই দেখছি
চার ঘণ্টার পরীক্ষা। তিন ঘণ্টা প্রায় শেষ।পাশে বসা মেয়েটির দিকে আমি বারবার তাকাচ্ছি। ম্যাডাম সেটি দেখে বললেন, ‘তুমি ওর খাতা দেখছ কেন?’আমি বললাম, ‘ম্যাডাম, খাতা না, আমি ওকেই দেখছি।’ম্যাডাম মেয়েটিকে উঠিয়ে একটি ছেলেকে বসালেন। ছেলেটি বিপুল বিক্রমে লিখছে। আমি ছেলেটির খাতার দিকে নজর দিলাম।এবার ম্যাডাম বললেন, ‘এই, তুমি ওর দিকে তাকাচ্ছ কেন? ’একটু হেসে জবাব দিলাম, ‘ম্যাডাম, ভাববেন না যে আমি ছেলেটিকে দেখছি, আমি দেখছি তার খাতা।’
বলাবাহুল্য, ম্যাডাম এর পর আমাকে অন্য সিটে বদলি করে দিলেন।

Top