You are here
Home > কৌতুক > এবারের বিষয়: প্রেমিক-প্রেমিকা

এবারের বিষয়: প্রেমিক-প্রেমিকা

প্রেমিক-প্রেমিকা

♦ ডিম পেড়ে দেখাও
মোরগ: এই শোনো!
মুরগি: আমাকে বলছেন?
মোরগ: হ্যাঁ, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি। তোমার জন্য আমি সব কিছু করতে পারি।
মুরগি: সত্যি! তুমি আমার জন্য সব কিছু করতে পার? তাহলে কষ্ট করে একটা ডিম পেড়ে দেখাওনা!

♦ বিয়ের প্রস্তাব
প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্য তুমুল ঝগড়া চলছে।
এক পর্যায়ে প্রেমিকা তার প্রেমিককে বলল, আমার চোখের সামনে থেকে দূর হয়ে যাও। তুমি জীবনেও শান্তি পাবেনা, সারা জীবন কষ্টে কষ্টে কাটবে।
এই শুনে প্রেমিক বলল, তুমি কি সত্যি সত্যি আমাকে চলে যেতে বলছ নাকি তোমাকে বিয়ে করার কথা বলছ?

♦ কেমন গাইলাম
গান গেয়ে মলির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করল জলিল। তারপর গদগদ স্বরে বলল, প্রিয়তমা, কেমন গাইলাম বলো তো?
মলি: তোমার তো টেলিভিশনে গান গাওয়া উচিত।
জলিল: সত্যি?!
মলি: হ্যাঁ। সেক্ষেত্রে আমি অন্তত টিভিটা বন্ধ করে দিতে পারব।

♦ নিরস্ত্র
নাটকীয় ভঙ্গিতে প্রেমিকাকে বলল প্রেমিক, তোমার সঙ্গে আমার কি একটা মেধার যুদ্ধ হতে পারে?
প্রেমিকা: না। আমি নিরস্ত্র লোকের সঙ্গে যুদ্ধ করিনা।

♦ মাইনে
প্রেমিক: প্রিয়তমা, আমি যে কটা টাকা মাইনে পাই, বিয়ের পর তাতে কি তোমার চলবে?
প্রেমিকা: আমার তো চলে যাবে। কিন্তু তুমি চলবে কীভাবে?

♦ ত্যাগ
রাইসা বলছে তানিমকে, শোন, আমাকে বিয়ে করতে হলে তোমাকে অনেক কিছু ত্যাগ করতে হবে।
তানিম: যেমন?
রাইসা: এই যে রাত করে বাসায় ফেরা, তাস খেলা, ধূমপান করা…
তানিম: আপাতত বিয়ের চিন্তাটা ত্যাগ করলাম।

♦ ট্রাইলেটার
ভোলা মিঞাকে ফোন করেছে তার প্রেমিকা। শুরুতেই ধমক দিয়ে প্রেমিকা বলল, এই! মোবাইল থাকতে তুমি আমাকে চিঠি পাঠিয়েছ কেন? যদি বাবার হাতে পড়ে যেত?
ভোলামিঞা: তোমাকে ফোন করেছিলাম তো! একটা মহিলা কণ্ঠব লল, ‘প্লিজ, ট্রাইলেটার’।তাই লেটার পাঠানোর ট্রাই করলাম!

♦ বাস আর ট্যাক্সি ক্যাবের ফারাক
যাত্রী ছাউনিতে বসে যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করছে এক প্রেমিক। পাশেই বসে আছে তার প্রেমিকা। প্রেমিক তার চেহারায় গুরুগম্ভীরভাব এনে বলল, মিতু, তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করি। খুবই গুরুত্বপূর্ণ কথা।
প্রেমিকা ধরে নিল, এখন খুবই দার্শনিক টাইপের একটা কথা হবে। তাই সে সিরিয়াসলি বলল, হ্যাঁ, বলো।
প্রেমিক বলতে শুরু করল, মিতু, পৃথিবীতে চলতে হলে আমাদের অনেক কিছুরই ফারাক বুঝতে হয়, চিনতে হয়। আচ্ছা, তুমি আমাকে বলোতো, তুমি কি পাবলিক বাস আর ট্যাক্সি ক্যাবের ফারাক বোঝো?
প্রেমিকা মাথা নাড়াতে নাড়াতে বলল, না, বুঝিনা।
প্রেমিক এবার লাফ দিয়ে বসা থেকে উঠে বলল, তাহলে ক্যাবে যাওয়ার দরকার নেই। পাবলিক বাসেই চলো।

♦ গবেটের সঙ্গে জীবন কাটাবে
মেয়ের প্রেমিকের উদ্দেশ্যে বাবা বললেন, আমার মেয়ে একটা গবেটের সঙ্গে তার জীবনটা কাটাবে এ আমি কিছুতেই হতে দিতে পারিনা।
প্রেমিক বলল, সে জন্যই তো ওকে আপনার বাড়ি থেকে তাড়াতাড়ি আমার বাড়ি নিয়ে যেতে চাই।

♦ পুরোটাই প্রাকটিক্যাল
এক ভদ্রলোক জুয়েলারির দোকানে গিয়ে প্রেমিকাকে উপহার দেওয়ার জন্য সবচেয়ে দামি ব্রেসলেট চাইলেন।
দোকানদার বললেন, ‘স্যার, ব্রেসলেটেকি আপনার প্রেমিকার নাম খোদাই করে নেবেন?’
ভদ্রলোক কিছুক্ষণ চিন্তা করে বললেন, ‘না, তার দরকার নেই। তারচেয়ে বরং লিখে দেন, তুমিই আমার প্রথম এবং একমাত্র প্রেম।’
দোকানদার বললেন, ‘স্যার, আপনি আসলেই খুবরোমান্টিক।’
এবারে ওই ভদ্রলোক বললেন, ‘এখানে আসলে রোমান্টিকতার কিছু নেই, পুরোটাই প্রাকটিক্যাল। যদি তার সঙ্গে আমার ছাড়াছাড়ি হয়, তাহলে ব্রেসলেটটি আমি অন্য কোথাও ব্যবহার করতে পারব।’

Top