You are here
Home > কৌতুক > এবারের বিষয়: প্রতিবেশী

এবারের বিষয়: প্রতিবেশী

প্রতিবেশী

♦ ব্যাঙের ছাতা কোথায় পান
-আপনারা ব্যাঙের ছাতা কোথায় পান?
-প্রতিবেশীর বাড়ির ছাদ থেকে।
-ওখানে কি ওরা ব্যাঙের ছাতার চাষ করে?
-না, ওখানে ওরা সেগুলো শুকাতে দেয়।

♦ হ্যালো ফায়ার সার্ভিস
ফায়ার সার্ভিস অফিসে একটা ফোন এল।
-হ্যাঁলো, এটা কি ফায়ার সার্ভিস অফিস?
-হ্যাঁ, বলুন।
-দেখুন, মাত্র কিছুদিন হলো আমি আমার ফুলের বাগান করেছি। ছোট্ট সুন্দর বাগান, নানা জাতের ফুল ফুটেছে•••
-আগুন লেগেছে কোথায়?
-গোলাপের চারাগুলো খুব দামি, অর্ডার দিয়ে বিদেশ থেকে আনিয়েছি•••
-কোথায় আগুন লেগেছে তা-ই বলুন, শিগগির।
-তাই তো বলছি। আগুন লেগেছে আমার পাশের বাড়ি। আপনারা তো এক্ষুনি আসবেন। তাই আগে থেকেই অনুরোধ করছি, আগুন নেভানোর ফাঁকে একটু পানি ছিটিয়ে দিয়েন, অনেক দিন পানি দেওয়া যাচ্ছে না।

♦ চারপাশে সব অন্ধকার
এক প্রতিবেশীর সাথে দেখা হল আরেক প্রতিবেশীর।
: শুভ সন্ধ্যা।
: সন্ধ্যা মানে? এই ভর দুপুরে বলছেন শুভ সন্ধ্যা?
: আমি খুবই দুঃখিত। কিন্তু কী করব বলুন, আপনাকে দেখলেই আমার চারপাশে সব অন্ধকার হয়ে আসে যে।

♦ মেয়ের জামাই আর পুত্রবধূ
এক বৃদ্ধা পাশের বাড়ির মহিলার কাছে তাঁর মেয়ের জামাই আর পুত্রবধূর কথা বলছিলেন।
: মেয়ের জামাই আমার খুবই ভালো। প্রতি সকালে মেয়ের জন্য নাশতা বানিয়ে বিছানায় নিয়ে আসে। অফিস থেকে ফিরে আবার রান্নাঘরে ঢোকে। রাতে বিছানার মশারিটাও টানায় জামাই। জামাই আমার মেয়েকে বড় সুখে রেখেছে।
: আর ছেলের বউ কেমন?
: বউটার কথা আর বলবেন না। অলসের এক শেষ। ডাইনি আমার ছেলের হাড়-মাংস জ্বালিয়ে খেল। সকালে ঘুম থেকে ওঠে ১০ টার সময়। উঠার সাথে সাথে ছেলে গিয়ে বেড টি দিয়ে আসে। তারপর আবার সকালের নাস্তা দিতে হয়। অফিস থেকে ফেরার পরও নিস্তার নেই। রান্নাঘরে ঢুকে। ছেলের হোম-ওয়ার্ক দেখিয়ে দিতে হয়। আর নবাবজাদি পায়ের উপর পা তুলে বসে বসে টিভি দেখে না হলে ফোনে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলে।

♦ কথার প্যাঁচ
ছোট্ট আরিয়ান গেছে বন্ধু সোহানের বাড়ি।
সোহানের মা: কী চাই?
আরিয়ান: আন্টি, সোহান কি বাইরে এসে আমাদের সঙ্গে ফুটবল খেলতে পারে?
সোহানের মা: না! বাইরে ভীষণ গরম!
আরিয়ান: ঠিক আছে, আন্টি। সোহান না-হয় না-ই এল। সোহানের ফুটবলটা কি বাইরে এসে আমাদের সঙ্গে খেলতে পারে?

♦ চেঁচামেচির যন্ত্রণা
এক বাড়িতে ডাকাতি হয়েছে। প্রতিবেশীর বাড়িতে অনুসন্ধানের কাজে গেছেন গোয়েন্দা।
গোয়েন্দা: গত রাতে পাশের বাসা থেকে আপনারা কোনো শব্দ শুনতে পেয়েছেন?
প্রতিবেশী: নাহ্! গোলাগুলি, চিৎকার আর ওদের কুকুরটার চেঁচামেচির যন্ত্রণায় কিছু শোনাই যাচ্ছিল না!

♦ গোলপোস্ট
বাড়ির সামনে প্রতিবেশী বাচ্চাগুলোকে খেলতে দেখে রহমান সাহেব বললেন, বাচ্চারা, খেলছ ভালো কথা। কিন্তু আমার গাড়িতে যেন বল না লাগে।
এক বাচ্চা বলে উঠল, অবশ্যই আঙ্কেল, আপনার গাড়িটাই তো আমাদের গোলপোস্ট। আমরা গোল হতে দিলে তো!

♦ কথা বলা ঘড়ি
বন্ধুর নতুন বাসা ঘুরে ঘুরে দেখছিলেন রকিব। দেয়ালে একটা পিতলের থালা আর একটা হাতুড়ি ঝোলানো দেখে জিজ্ঞেস করলেন, এটা কী?
বন্ধু বললেন, এটা একটা ‘কথা বলা ঘড়ি’।
রকিব: তাই নাকি? দেখি তো কেমন কথা বলে?
বন্ধু হাতুড়ি দিয়ে থালায় আঘাত করলেন, প্রচণ্ড শব্দ হলো। সঙ্গে সঙ্গে দেয়ালের ওপাশ থেকে প্রতিবেশী চিৎকার করে বললেন, নালায়েক! রাত ১০টার সময় কেউ এত জোরে শব্দ করে?

♦ বেয়াদব এবং ছোটলোক
থানায় ঢুকেই ভদ্রমহিলা রাগে ফেটে পড়লেন, ইন্সপেক্টর সাহেব, আমি আমার প্রতিবেশীর বিচার চাই। লোকটা একটা আস্ত বেয়াদব এবং ছোটলোক।
ইন্সপেক্টর: কেন? কী করেছে সে?
ভদ্রমহিলা: আমি যখনই তার বাড়িতে উঁকি দিই, দেখি সে-ও উঁকি দিয়ে আছে!

♦ প্রতিবেশীর কুকুরের চিৎকার
প্রতিবেশীর কুকুরটার চিৎকারে বিরক্ত এক দম্পতি। এক মাঝরাতে বিছানা থেকে উঠেই গেলেন বাড়ির কর্তা। বললেন, অনেক হয়েছে। আজ এর একটা বিহিত করতে হবে। বলেই হনহন করে বেরিয়ে গেলেন তিনি।
কিছুক্ষণ পর ফিরলেন। স্ত্রী জিজ্ঞেস করলেন, কি হেনস্তা করে এলে, শুনি?
কর্তা: কুকুরটাকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে এসেছি। এবার বুঝুক, প্রতিবেশীর কুকুরের চিৎকার কেমন লাগে!

Top