You are here
Home > কৌতুক > এবারের বিষয়: খেলাধুলা

এবারের বিষয়: খেলাধুলা

খেলাধুলা

♦ পুরোপুরি সত্য না
কোচ বলছেন খেলোয়াড়কে, ‘তোমার রুমমেটের কাছে শুনলাম, তুমি নাকি গতকাল ঘুমের মধ্যে আমাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করছিলে, আর অভিশাপ দিচ্ছিলে? এ কথা কি সত্য?’
খেলোয়াড়: না স্যার, পুরোপুরি সত্য না।
কোচ: তাহলে কতটুকু সত্য?
খেলোয়াড়: আমি ঘুমাচ্ছিলাম—এটা মিথ্যা!

♦ স্ত্রীর শেষকৃত্য
জনি একবার ফুটবল ম্যাচ দেখতে স্টেডিয়ামে গেছে। গ্যালারিতে জনির পাশের চেয়ারেই বসেছেন এক বৃদ্ধ। বৃদ্ধের পাশের চেয়ারটা ফাঁকা।
জনি: চাচা, আপনার পাশের চেয়ারে কি কেউ বসবেন?
বৃদ্ধ: আমার স্ত্রীর বসার কথা, কিন্তু ও বেঁচে নেই।
জনি: ওহ্! আমি দুঃখিত। আপনার কি কোনো আত্মীয় বা বন্ধুও ছিল না, যাকে আপনি সঙ্গে নিয়ে আসতে পারতেন?
বৃদ্ধ: না। ওরা সবাই আমার স্ত্রীর শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে গেছে!

♦ অভিনন্দন আম্পায়ারকে
এক দেশের ক্রীড়ামন্ত্রী আর ক্রিকেট বোর্ডের প্রধানের মধ্যে কথা হচ্ছে।
ক্রীড়ামন্ত্রী: ক্রিকেট ম্যাচ জেতায় আপনাদের অভিনন্দন।
বোর্ডপ্রধান: অভিনন্দন পলকে দিন। সে আমাদের পরাজয় থেকে বাঁচিয়েছে।
ত্রীড়ামন্ত্রী: সে আমাদের ব্যাটসম্যান, নাকি বোলার?
বোর্ডপ্রধান: সে একজন আম্পায়ার!

♦ টিভির বিজ্ঞাপন
ক্রিকেটারের ছেলে বলছে, ‘মা! মা! দেখে যাও! বাবা একের পর এক ছক্কা হাঁকাচ্ছে!’
ক্রিকেটারের স্ত্রী বলল, ‘গিয়ে ভালো করে দেখ্ গাধা! ওটা নিশ্চয় কোনো টিভির বিজ্ঞাপন!’

♦ ছক্কার প্রতি দুর্বলতা
এক ব্যাটসম্যানকে কোনো বোলারই আউট করতে পারছিল না। অধিনায়ক বল তুলে দিল এক তরুণ বোলারের হাতে—
বোলার: চিন্তা কোরো না। আমি এই ব্যাটসম্যানের দুর্বলতা কোথায়, জানি।
তরুণ বোলারের প্রথম তিন বলেই ছক্কা হাঁকাল ব্যাটসম্যান।
অধিনায়ক: হুম্ম! ওর যে ‘ছক্কা’র প্রতি দুর্বলতা আছে, তুমি তাহলে আগেই জানতে!

♦ বাতাসে উড়ে বেল পড়ে গেছে
বোল্ড!
ব্যাটসম্যান: সে কী! আমি এ আউট মানি না। বল তো উইকেট স্পর্শই করেনি। সম্ভবত বাতাসে উড়ে বেল পড়ে গেছে।
আম্পায়ার: তোমার বাতাসকে বলো, তোমাকেও যেন উড়িয়ে মাঠের বাইরে নিয়ে ফেলে।

♦ আউট হলাম কী করে
ব্যাটসম্যানের কবজির একটু ওপরে বল লেগে ক্যাচ উঠল। ফিল্ডার বল ধরতেই আম্পায়ার এক আঙুল তুলে ঘোষণা দিলেন, আউট!
ব্যাটসম্যান: সে কী! বল তো আমার হাতে লাগেনি! আউট হলাম কী করে?
আম্পায়ার: আগামীকালের খেলার খবর পাতা দেখে নিয়ো!

♦ মনোযোগ নেই
খেলার মাঝপথে এক ফিল্ডারকে বললেন আম্পায়ার, ‘অনেকক্ষণ ধরে লক্ষ্য করছি। এখন আর না বলে পারছি না। তুমি ব্যাটসম্যানকে ভেংচি কেটে বিরক্ত করছ কেন?’
ফিল্ডার: আমিও অনেকক্ষণ ধরে লক্ষ্য করছি। এখন আর না বলে পারছি না। ক্রিজে কী হচ্ছে, সেদিকে আপনার একেবারেই মনোযোগ নেই!

♦ গ্যালারিতে গিয়ে বসলেন আম্পায়ার
এক আম্পায়ারের কাণ্ড-কীর্তি মোটেই পছন্দ হচ্ছিল না দর্শকদের। পুরো গ্যালারি থেকেই দুয়োধ্বনি ভেসে আসছিল, ‘এই ব্যাটা আম্পায়ার… ভুয়া… বের হ… আহা, নিশ্চিত আউটটা দিল না…।’
একপর্যায়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে গ্যালারিতে গিয়ে বসলেন আম্পায়ার। পাশ থেকে এক দর্শক বললেন, ‘কী ব্যাপার, আপনিও দর্শক হয়ে গেলেন নাকি?’
আম্পায়ার: না মানে… আপনাদের চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে মনে হলো, এখান থেকেই বোধ হয় খেলাটা ভালো দেখা যায়!

♦ বিখ্যাত দৌড়বিদ
দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে রুস্তম। বন্ধুদের নিয়ে রেস্তোরাঁয় খেতে গেল সে। এদিকে রেস্তোরাঁর দারোয়ান তাঁদের প্রবেশপথে আটকে দিল। বলল, ‘দুঃখিত স্যার, আপনি হাফপ্যান্ট পরে এসেছেন। হাফপ্যান্ট পরে আমাদের রেস্তোরাঁয় প্রবেশ নিষেধ।’
রুস্তম: ব্যাটা বুদ্ধু, কত বড় সাহস! আমাকে আটকে দিস! তুই জানিস আমি কে? আমি বিখ্যাত দৌড়বিদ রুস্তম।
দারোয়ান: তাহলে তো ভালোই হলো। এক দৌড়ে বাসা থেকে ফুলপ্যান্টটা পরে আসুন!

Top