You are here
Home > জাতীয় > তাবিথ নয় রিপনেই জয়ের আশা দেখছে তৃনমূল বিএনপি

তাবিথ নয় রিপনেই জয়ের আশা দেখছে তৃনমূল বিএনপি

আসাদুজ্জামান রিপন ও তাবিথ আউয়াল

আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উপনির্বাচন নিয়ে ক্রমেই উতপ্ত হয়ে উঠছে রাজনীতির ময়দান। বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ দুই দলই আসন্ন নির্বাচনকে নিজেদের ইজ্জত রক্ষার নির্বাচন হিসেবে ধরে নিয়ে নির্বাচনী হিসেব নিকেষ কষছেন। আওয়ামী লীগ চায় যে কোন মুল্যে এই উপনির্বাচনে জিতে নিজেদের জনপ্রিয়তা প্রমান করতে। অন্যদিকে বিএনপির আশা এই উপনির্বাচনে জয়ের মধ্য দিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচনে নিজেদের সম্ভাব্য জয়কে উদযাপন করতে। কিন্তু সেক্ষেত্রে দুটো দলেরই প্রার্থী একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন নির্বাচনমুখী সবাই।

১৪ জানুয়ারি, রবিবার থেকে ২০ দলীয় জোট বিএনপি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উপনির্বাচনে দলের মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু করেছে। বিষয়টি একটি আনুষ্ঠানিকতা হলেও, মুলত আলোচনায় আছেন দুই প্রার্থী ড. আসাদুজ্জামান রিপন এবং তাবিথ আউয়াল। এই দুইজনকে কেন্দ্র করেই বিএনপি মনা মানুষদের মধ্যে চলছে তর্ক-বিতর্ক আর আলোচনা।

প্রার্থী হিসেবে কে যোগ্য? এমন প্রশ্ন নিয়ে এই প্রতিবেদক বিএনপির তৃনমূল পর্যায়ের বেশ কয়েকজনের সাথে আলোচনা করেন। তাদের বেশীর ভাগের ভাষ্য, স্বচ্ছ ইমেজের মানুষ হিসেবে প্রার্থীতার দৌড়ে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং বিএনপির বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপনকেই এগিয়ে রাখা উচিত। রাজনীতি করেও বর্তমান সময়ে ক্লিন ইমেজের অধিকারী থাকাটা খুবই দু:সাধ্য আর সেই কাজটিই করেছেন বিএনপির এই নেতা।

অনেকে আবার বলছেন, রাজনীতিটা এখন রাজনীতিবিদদের হাতেই রাখা উচিত। সে হিসেবেও রিপনই হতে পারেন যোগ‌্য প্রার্থী। তাছাড়া তাবিথ ও তার পরিবারের নাম পানামা পেপার্সে আসায়, সেটাও নেতিবাচক ভূমিকা রাখবে তাবিথের প্রার্থীতায়। এছাড়া শুধু টাকার বিনিময়ে দলে ভূমিকা না রাখা একজন ব্যবসায়ীকে মনোনয়ন দিলে সেটা আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির স্বচ্ছ রাজনীতির ক্ষেত্রে ব্যাপক ভুল বার্তা পৌঁছাবে দেশের ভোটারদের কাছে।

এদিকে নিজের প্রার্থীতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে আসাদুজ্জামান রিপন বিভিন্ন গণমাধ্যমকে বলেছেন, আমার হয়ত অর্থ নেই কিন্তু আমার আছে জনগন। বিএনপির রাজনীতি করেই আমি সারাটা জীবন পার করে দিয়েছি। তাই মনোনয়ন বিষয়ে আমার পূর্ণ আস্থা বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ায়। উনি যদি আমাকে যোগ‌্য মনে করে মনোনয়ন দেন তাহলে আমি আমার সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবো তার মান রাখার। আর যদি নাও দেন তাহলেও যিনি পাবেন আমার পূর্ণ সমর্থন থাকবে তার প্রতি।

Top