You are here
Home > কৌতুক > এবারের বিষয়: হোটেল-রেস্টুরেন্ট

এবারের বিষয়: হোটেল-রেস্টুরেন্ট

হোটেল-রেস্টুরেন্ট

♦ চীনে-কাবাব
: ওয়েটার, চীনে-কাবাবের গলদা চিংড়িটার একটা দাঁড়া কেন ? আর একটা কোথায় গেল ?
: স্যার, মনে হয় লড়াই করতে গিয়ে বেচারা ওটা খুইয়েছে।
: ঠিক আছে, যে গলদাটা জিতেছে আমি সেটার চীনে-কাবাব খেতে চাই।

♦ হোটেল বোর্ডার
হোটেল ম্যানেজার : স্যার, রাতে ভালো ঘুম হয়েছে তো?
বোর্ডার : খুব ! আপনার হোটেলের মশা এমন শক্তিশালী যে আমার প্রায় উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছিল ভাগ্যিস খাটে ছারপোকা ছিল। ওরা আমাকে টেনে ধরে না রাখলে সকালে আমাকে হয়তো অন্য কোথাও পেতেন।

♦ শান্তিতে থাকা
বউয়ের সঙ্গে ঝগড়া করে এক লোক হোটেলে গিয়ে উঠল।
: ম্যানেজার সাহেব, আপনার হোটেলে শান্তিতে থাকা যাবে তো?
: নিশ্চয়ই, মনে হবে একেবারে নিজের বাড়িতেই আছেন।
: দুঃখিত, আপনার হোটেলে থাকতে পারছি না।

♦ রেস্টুরেন্টে সাংসদ
রেস্টুরেন্টে সাংসদের খাওয়া শেষ হলে তাঁর কাছে এগিয়ে এল রেস্টুরেন্টের শেফ। জিজ্ঞেস করল, আলু-মাংসের ডিশটা কেমন লেগেছে আপনার?
—কীভাবে বলি! ওই ডিশে ছিল আলুর নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা। আর মাংস ছিল দুর্বল বিরোধী দলের মতো।

♦ কোল্ড কফি ৫০ টাকা
স্ত্রীকে নিয়ে শফিক সাহেব গেছেন একটি কফির দোকানে।
শফিক: তাড়াতাড়ি শেষ করো, কফি ঠান্ডা হচ্ছে।
স্ত্রী: কেন? সমস্যা কী?
শফিক: আরে বুদ্ধু, মূল্যতালিকা দেখো। ‘হট কফি’ ১৫ টাকা, ‘কোল্ড কফি’ ৫০ টাকা!

♦ হাফ প্লেট মুরগির রোস্ট
: হাফ প্লেট মুরগির রোস্টের জন্য কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে, বলতে পার?
: পারি স্যার, যতক্ষণ আপনার মতো আরেক জন হাফ প্লেটের কাস্টমার না পাচ্ছি।

♦ গরম রুটি
শীতের মাঝ রাতে হোটেলে রুটি আর মাংস খেতে খেতে..
ভদ্রলোক: বাহ, এই মাঝ রাতেও তোমাদের রুটি দেখি বেশ গরম।
ওয়েটার: হবে না স্যার, বিড়ালটাতো রুটিটার উপরেই বসা ছিল।

♦ দুই বার অপমান
ফাইভ স্টার হোটেলে খেয়ে এক ভদ্রলোক বেয়ারাকে ৫ টাকা বকশিশ দিলেন।
: স্যার, এই হোটেলে খেয়ে ৫ টাকা বকশিশ দেয়া মানে আমাকে অপমান করা।
: তা হলে কতো দিতে হবে?
: আর ৫ টাকা দিলেই হবে।
: সরি, তোমাকে ২ বার অপমান করার কথা ভাবতেই পারছি না!

♦ মাছিগুলো ফুটবল খেলছিল
–পিরিচের ওপর মাছিগুলো ফুটবল খেলছিল কেন?
–কাপ জেতার জন্য।

♦ চিঠি দিয়ো, ঠিক আছে?
রফিক হোটেলে খেতে ঢুকে খাবারের অর্ডার দিয়ে গালে হাত দিয়ে বসে আছেন। যে অর্ডার নিয়েছে তার কোনো খবর নেই। অনেকক্ষণ পর এক ওয়েটার এসে বলল,
-আপনি কি ‘অর্ডার’ দিয়েছেন?
রফিক সাহেব বিনীতভাবে বললেন,
-দুই ঘণ্টা আগে ‘অর্ডার’ দিয়েছিলাম, এখন কি একবার ‘রিকোয়েস্ট’ করতে পারি?
ওয়েটার বিব্রত হয়ে বলল, ছি ছিঃ তা কেন! আপনি আরেকবার বলুন, আমি দেখছি।
রফিক সাহেব তিনটা আইটেমের অর্ডার দিলেন। ওয়েটার একটা আইটেম দিয়ে যাওয়ার আধঘণ্টা পর দ্বিতীয় আইটেম নিয়ে এল। ওয়েটার তৃতীয় আইটেম আনতে যাবে, এমন সময় রফিক সাহেব বললেন,
-এই শোনো, চিঠি দিয়ো, ঠিক আছে?
ওয়েটার হতভম্ব হয়ে জিজ্ঞেস করল,
-জি স্যার! ঠিক বুঝলাম না।
রফিক সাহেব হাত নেড়ে বললেন,
-একটা আইটেম নিয়ে আসতে তুমি যতখানি সময় নিচ্ছ, তাতে বিরতির মাঝে আমার কথা ভুলে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। চিঠিপত্র দিলে যোগাযোগটা থাকে আর-কি!

Top