You are here
Home > বিনোদন > মুভি রিভিও দঙ্গল: দুহাতে কামাচ্ছে প্রথম দিন থেকেই

মুভি রিভিও দঙ্গল: দুহাতে কামাচ্ছে প্রথম দিন থেকেই

দঙ্গল

২৩শে ডিসেম্বর শুক্রবারই মুক্তি পেয়েছিল আমির খানের ছবি ‘দঙ্গল’। বড়দিনের বাজারে জমিয়ে ব্যবসা করল এই ছবি। আর তারই জেরে মাত্র ৩ দিনে ১০০ কোটি টাকার ব্যবসা করে ফেলল দঙ্গল।

যত দিন যাচ্ছে ততই যেন আমির খানের দঙ্গল ছবি থেকে ব্যবসার পরিমাণও বাড়ছে। শুক্র, শনি ও বড়দিনের রবিবার মিলিয়ে মোট ১০৬.৯৫ টাকার ব্যবসা করেছে দঙ্গল।

এই ছবি হিন্দি ভাষার পাশাপাশি তামিল ও তেলুগু ভাষাতেও মুক্তি পেয়েছে। ২০০৮ সালে গজনি, ২০০৯ সালে থ্রি ইডিয়টস, ২০১৩ সালে ধুম ৩ এবং ২০১৪ সালে পিকে ছবির পর আবারও বড়দিনের সাফল্য আমিরের ঝুলিতে।

সমালোচকরা বলছেন এই ছবি দিয়ে আবারও নিজের জাত চেনালেন আমির খান। তিনি যে একেবারেই অনন্য তা-ই প্রমান হল আরও একবার

পটভূমি
প্রাক্তন ভারতীয় কুস্তিগীর মহাবীর ফোগট (আমির খান) পুত্রসন্তানের কামনায় দিন কাটাচ্ছিলেন, কারণ তাঁর বিশ্বাস ছিল তাঁর ছেলেই ভারতের জন্য কুস্তিতে আন্তর্জাতিক স্তরে সোনা জিতে আনতে পারবে। কিন্তু ভাগ্যের লিখন কে পাল্টাবে। চারবার কন্যা সন্তানের জন্ম দিলেন তার স্ত্রী (সাক্ষী তানওয়ার)।

বারবার ব্য়র্থ হয়ে নিজের স্বপ্নকে বিদায় জানিয়েছিলেন মহাবীর। কিন্তু একদিনের একটা ঘটনা ফের নতুন করে আশা দেখাতে শুরু করল মহাবীরকে। পাড়ার দুটি ছেলে পিছনে লেগেছিল বলে তাঁর দুই মেয়ে গীতা (ফতিমা সানা শেখ) এবং ববিতা (সান্যা মলহোত্রা) তাদের আড়ং ধোলাই করেছিল।

স্ত্রীকে মহাবীর বলল, “মারি ছোরিয়া ছোরো সে কম হ্যায় ক্যায়?… গোল্ড তো গোল্ড হোতা হ্যায়…ছোরা লাভে ইয়া ছোরি। (আমার মেয়েরা ছেলেদের থেকে কম নাকি…সোনা তো সোনাই…মেয়েরা আনুক বা ছেলেরা)” এরপরই শুরু হল নতুন লড়াই। কারণ ‘মেডেল পেড় পে নাহি উগতে…উনহে বানানা পড়তা হ্যায়..প্যায়ার সে, মহনত সে…লগন সে…(মেডেল গাছে ফলে না…তাকে গড়তে হয়, ভালবাসা দিয়ে, পরিশ্রম দিয়ে, মনোযোগ দিয়ে)।’

এরপরই সমাজের প্রথা ভেঙে মেয়েদের কুস্তিতে লড়াইয়ের জন্য তৈরি করতে থাকে বাবা মহাবীর।

এই ছবিতে আমির খানকে একটা দৃশ্যেও দেখা গেল না। কে বলে দঙ্গল আমির খানের ছবি, ছবির প্রথম দৃশ্য থেকে শেষ পর্যন্ত শুধুই তো মহাবীর ফোগট। এই পেল্লাই ভুঁড়ি, দেহাতি চলাফেরা, খোঁচা খোঁচা গোঁফ দাঁড়ি শুধু মেক আপ নয়। শুধু খাঁড়া খাঁড়া কানদুটি ছাড়া আমিরকে চেনার উপায় নেই।

মহাবীর ফোগটকে অসফল কুস্তিগীর বলা হলেও স্বামী হিসাবে, চার মেয়ের বাবা হিসাবে মহাবীর যে সফল তা অতি নিপুণতার সঙ্গে তুলে ধরতে পেরেছেন আমির ও ছবির পরিচালক।

Top