You are here
Home > কৌতুক > এবারের বিষয়: ইন্টারভিউ

এবারের বিষয়: ইন্টারভিউ

ইন্টারভিউ

♦ ড্রাইভিং বেতন
ড্রাইভার পদে চাকরির জন্য মন্টু মিয়া গেছে সাক্ষাত্কার দিতে। সাক্ষাত্কার চলছে-
প্রশ্নকর্তা: আপনাকে আমার পছন্দ হয়েছে। চাকরিটা আপনাকে দেওয়া হবে। স্টার্টিং বেতন দেওয়া হবে দুই হাজার টাকা। আপনার কোনো সমস্যা নেই তো?
মন্টু মিয়া: না না স্যার, আমার কোনো সমস্যা নেই। স্টার্টিং বেতন ঠিক আছে, কিন্তু ড্রাইভিং বেতন কত সেটাও তো জানা দরকার মনে হয়।

♦ মহাশূন্যে কি যায় না
: মহাশূন্যে কী করা সম্ভব নয়?
: গলায় দড়ি দেওয়া।

♦ আপনার নামটা যেন কী
একজন চাকরিপ্রার্থী ইন্টারভিউ দিচ্ছে।
: বাংলাদেশের তিন জন মহান ব্যক্তির নাম বলুন।
: শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক, মাওলানা ভাসানী এবং আপনি, মানে আপনার নামটা যেন কী-?

♦ দুধভর্তি সুইমিং পুলে গোসল
সাংবাদিক: লোকজন খেতে পায় না, আর আপনি দুধভর্তি সুইমিং পুলে গোসল করেন?
সেরা ধনী: কী করব বলেন…গরুগুলো সব খাটো খাটো…একটার নিচেও দাঁড়াতে পারি না।

♦ কল্পনা করা বন্ধ করব
ইন্টারভিউ বোর্ডে সর্দারজিকে প্রশ্ন করলেন এক প্রশ্নকর্তা, ‘কল্পনা করো তো, তুমি একটা ২০ তলা বাড়ির ১৫ তলায় আছ। এমন সময় ভীষণ আগুন লেগে গেল। সবাই ছোটাছুটি শুরু করল। তুমি কী করবে?’
সর্দারজি: আমি কল্পনা করা বন্ধ করব!

♦ বাবার ইন্টারভিউ
ছোট্ট মেয়েটি এসে বাবাকে জিজ্ঞেস করল, ‘বাবা, আম্মু কি আমার যত্ন নেয়?’
চোখ বড় বড় করে বাবা খুব আদুরে গলায় বলল, ‘অবশ্যই! আম্মু তোমার অনেক যত্ন নেয়। তোমাকে খাইয়ে দেয়। অসুখ হলে তোমার সেবা-যত্ন করে। তোমাকে গান গেয়ে শোনায়।’
‘দাদুভাই কি আমার যত্ন নেয়?’
‘অবশ্যই! দাদুভাই তোমাকে গল্প শোনায়। তোমার জন্য সুন্দর সুন্দর গিফট, চকলেট নিয়ে আসে।’
‘আর দাদুমণি?’
‘দাদুমণিও।’
‘আর ফুপি?’
‘ফুপি তো তোমার জন্য পাগল। ছুটি পেলেই তোমাকে দেখতে চলে আসে।’
‘আর রহিমার মা?’
‘ও, ও তোমার অনেক যত্ন নেয়। তোমার কাপড় ধুয়ে দেয়, বিছানা ঠিক করে দেয়, ঘুম পাড়িয়ে দেয়।’
সবকিছু শুনে ছোট্ট মেয়েটি সন্তুষ্ট হয়ে বলবে, ‘তাহলে তো আম্মু ঠিকই বলেছে। এ বাসায় একমাত্র তুমিই কোনো কাজের না।’

♦ চাকরী না দিয়ে যাবে কোথায়
একটা বিয়ার কোম্পানিতে বিয়ারের স্বাদ পরীক্ষা করার জন্য লোক নিয়োগ দিচ্ছিল। বাজে চেহারার এক মাতাল ইন্টারভিউ দিতে এল। কোম্পানির ডিরেক্টর একে দেখেই বাতিলের খাতায় রেখে দিলেন। কিন্তু ইন্টারভিউ দিতে যখন এসেছে, তখন তো ইন্টারভিউ নিতেই হবে।
প্রথমে একগ্লাস বিয়ার দেয়া হলো। মাতাল সেটা একটু খেয়ে সব উপকরণের সঠিক নাম বলে দিল। ডিরেক্টরের ভুরু কুঁচকে গেল।
এবার আরেক গ্লাস দেয়া হলো। সেটাও ঠিক মতো বলে দিল।
ডিরেক্টর এবার তার সেক্রেটারিতে ইশারা দিয়ে কিছু করতে বললেন।
সেক্রেটারি গ্লাসে প্রস্রাব করে নিয়ে এসে মাতালের সামনে রাখল।
মাতাল একটু খেয়ে বলল: খুব সুন্দরী, বয়স ২৬ বছর, তিন মাসের প্রেগন্যান্ট। আমাকে চাকরিটা না দিলে আপনার স্ত্রীকে গিয়ে বলে দেব বাবাটা কে।

♦ নিজেই তো একসময় শিশু ছিলাম
: আপনি যে আমার শিশু পরিচর্যার কাজ করবেন বলছেন, আপনার কি শিশু সম্পর্কে কোনো অভিজ্ঞতা আছে?
: অবশ্যই, আমি নিজেই তো একসময় শিশু ছিলাম।

♦ অর্থের আগমনে সুখ
এক কোটিপতির সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন সাংবাদিক।
সাংবাদিকঃ অর্থের আগমন আপনার জীবনে সবচেয়ে বড় কোন সুখ নিয়ে এসেছে?
কোটিপতিঃ সবচেয়ে বড় সুখ, আমার গিন্নি নিজের হাতে রান্না করা ছেড়ে দিয়েছেন।

♦ আমার চেয়ে যোগ্য
ম্যানেজারঃ আসলে আমরা দেখলাম, এই মুহূর্তে আমাদের আর কারও সাহায্যের প্রয়োজন নেই, তাই আপনাকে নিতে পারছি না?
চাকরিপ্রার্থীঃ তাহলে তো স্যার এই পোস্টে আমি আমার চেয়ে আর কাউকে যোগ্য দেখছি না। আমি আমার জীবনেও কাউকে সাহায্য করিনি।

Top