You are here
Home > কৌতুক > এবারের বিষয়: বাড়ীওয়ালা

এবারের বিষয়: বাড়ীওয়ালা

বাড়ীওয়ালা

♦ বিখ্যাত চিত্রনায়ক
একজন উঠতি চিত্রনায়ক বলছেন তাঁর বাড়িওয়ালাকে, ‘আমার মৃত্যুর পর আপনার বাড়ি তো বিখ্যাত হয়ে যাবে। লোকজন বাড়ির পাশ দিয়ে যাবে আর বলবে, ‘এই বাড়িতে একজন বিখ্যাত চিত্রনায়ক বসবাস করত…।’
বাড়িওয়ালা: আগামীকালকের মধ্যে তুমি যদি আমার বাড়ির ভাড়া না দাও, লোকজন পরশুই এ কথা বলার সুযোগ পাবে!

♦ স্ত্রী এখন কবরস্থানে
তিন ছেলে, চার মেয়ে আর স্ত্রীকে নিয়ে বিশাল পরিবার রহিম সাহেবের। এত বড় পরিবার বিধায় কোনো বাড়িওয়ালাই তাঁকে বাসা ভাড়া দিতে চান না। একদিন তিনি তাঁর স্ত্রীকে বললেন, ‘তোমরা একটু স্থানীয় কবরস্থানটা ঘুরে এসো, আমি ছেলেগুলোকে নিয়ে বের হচ্ছি।’
ঘুরতে ঘুরতে ‘বাড়ি ভাড়া হবে’ এমন নোটিশ দেখে এক বাড়িওয়ালার কাছে গেলেন রহিম সাহেব।
রহিম সাহেব: ভাই, আমি কি আপনার বাসাটা ভাড়া নিতে পারি।
বাড়িওয়ালা: আপনার পরিবারে কে কে আছেন?
রহিম সাহেব: আমি, আমার স্ত্রী, আমার তিন ছেলে আর চার মেয়ে। তবে চার মেয়েকে নিয়ে আমার স্ত্রী এখন কবরস্থানে।
বাড়িওয়ালা: আহা রে! ঠিক আছে ভাই, আপনি আমার বাসাটা ভাড়া নিতে পারেন।

♦ কেল্লার মালিকের স্বভাব
ঝন্টু আর মন্টু, দুই বন্ধুতে গল্প হচ্ছে।
ঝন্টু: জানিস, সেদিন একটা বহু প্রাচীন কেল্লায় গিয়েছিলাম। কেল্লার কোনো জায়গায় মেরামতের ছোঁয়া পড়েনি, প্রতিটি ইট এখনো আগের মতোই আছে। এমনকি দেয়ালে নতুন রংও দেওয়া হয়নি।
মন্টু: বাহ্! মনে হচ্ছে কেল্লার মালিকের স্বভাব ঠিক আমাদের বাড়িওয়ালার মতো!

♦ পশুপাখি পোষা নিষেধ
ভাড়াটে: দেখুন, আমার বাসায় অনেক ইঁদুর…।
বাড়িওয়ালা (ভাড়াটেকে কথা শেষ করতে না দিয়েই ধমকের সুরে): আপনাকে বলেছিলাম না, আমার বাড়িতে কোনো পশুপাখি পোষা নিষেধ?

♦ হারমোনিয়ামের অনুশীলন
বাড়িওয়ালা বলছেন নতুন ভাড়াটেকে, ‘আপনার পাশের বাসায় একজন তবলচি থাকেন। তিনি প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত তবলার অনুশীলন করেন। আপনার অসুবিধা হবে না তো?’
ভাড়াটে: না, না! অসুবিধা কিসের? আমি তো আমার হারমোনিয়ামের অনুশীলন মধ্যরাতের পরই শুরু করি!

♦ বাসা ঠিক আগের মতো
বাসা ছেড়ে দেওয়ার সময় বাড়িওয়ালা বলছেন ভাড়াটেকে, ‘যাওয়ার আগে আমার বাসা ঠিক আগের মতো করে দিয়ে যাবেন।’
ভাড়াটে: অবশ্যই। কিন্তু ২০০ তেলাপোকা, ৫০টি ইঁদুর আর হাজার খানেক উইপোকা আমি এখন কোথায় পাব, বলুন তো?

♦ সম্পূর্ণ ঝামেলামুক্ত
এক বাড়িওয়ালা নোটিশ টাঙিয়ে দিলেন যাদের ছোট ছেলেমেয়ে নেই একমাত্র তাদেরকেই বাড়ি ভাড়া দেওয়া হবে।
নোটিশ টানাবার ঘন্টা খানেকের মধ্যেই কড়া নড়ল। বাড়িওয়ালা দরজা খুলে দেখেন সামনে বছর দশেকের একটি ছেলে দাঁড়িয়ে।
: কড়া নাড়ল কেন? কী চাও?
: আপনার বাড়ি ভাড়া নিতে চাই। আমার কোনো বাচ্চাকাচ্চা নেই। সম্পূর্ণ ঝামেলামুক্ত -শুধু মা-বাবা আছেন।

♦ ইদুরের যুদ্ধ
ভাড়াটেঃ এ বাসায় আর থাকা যাবে না।
বাড়িওয়ালাঃ কেন, কী হয়েছে।
ভাড়াটেঃ গত রাতে ঘরের মেঝেতে যে ইদুরের যুদ্ধ দেখলাম।
বাড়ি ওয়ালাঃ দুই হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে ইদুরের যুদ্ধ দেখবেননা তো হাতির যুদ্ধ দেখবেন!

♦ চুলের দরকার নেই
: একজন চুলওয়ালা ভদ্র্রলোক আপনাকে ডাকছেন।
: বলে দাও যে, আমার এখন চুলের দরকার নেই।

♦ ব্যাচেলরদের কাছে মেয়ে বিয়ে দিবেন না যেন
এক যুবক বাড়ি ভাড়া খুঁজছে।
বাড়িওয়ালাঃ কাকে চাই?
–বাড়ি ভাড়া হবে?
–আপনি কি বিবাহিত?
–না।
–তাহলে যান। ব্যাচেলরদের কাছে আমি বাড়ি ভাড়া দেই না।
মালিক মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দিলেন। যুবক আবার দরজায় নক করল।
–আবার কী চাই?
–শুনুন, ব্যাচেলররা যদি এতই খারাপ তাহলে ব্যাচেলরদের কাছে মেয়ে বিয়ে দিবেন না যেন।

Top