You are here
Home > কৌতুক > এবারের বিষয়: আইন আদালত

এবারের বিষয়: আইন আদালত

আইন আদালত

♦ মরতে ইচ্ছে হবে
জেলার :তোমারশেষ ইচ্ছে কী?
আসামি :আমার স্ত্রীর হাতের রান্না খেতে চাই।
জেলার : তাতে মৃত্যুর আগে তৃপ্তি পাবে তুমি?
আসামি :না, তৃপ্তি পাবনা। তবে ওর হাতের রান্না খেলেই মরতে ইচ্ছে হবে আমার|

♦ বউকে মারাই সহজ
বিচারক :আপনি বলেছেন- আপনার বন্ধুর সঙ্গে অবৈধ প্রণয় চলছিল বলে বউকে খুন করেছেন। কিন্তু আপনি আপনার বন্ধুকে খুন না করে বউকে খুন করলেন কেন?
আসামি : হুজুর আমার অনেক বন্ধু। সপ্তায় একজন করে বন্ধুকে মারার চেয়ে বউকে মারাই সহজ মনে হল তাই।

♦ ফ্যামিলি চোর
কোর্টে জজ সাহেব চোরকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি একই বাড়িতে এই নিয়ে কুড়ি বার চুরি করতে গেলে। এর কারণ কী?’
চোর হাসতে হাসতে জবাব দিল, ‘স্যার, আমি ওই বাড়ির ফ্যামিলি চোর।’

♦ আমরা চারজন ছিলাম
বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বলল এককয়েদি, ‘হুজুর, আমাকে ব্যাংক ডাকাতির মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ আমি একেবারেই নিরপরাধ। আমাকে আপনি বাঁচান।’
সাক্ষী ব্যাংক কর্মকর্তা চিৎকার করে বললেন, ‘না হুজুর! পাঁচ ব্যাংক ডাকাতের মধ্যে এইলোকও ছিল। আমি নিশ্চিত।’
কয়েদি: অসম্ভব! এই লোকটা মিথ্যা বলছে হুজুর। আমরা চারজন ছিলাম!

♦ জেলখানার খাবার খুবই জঘন্য
দুই কয়েদি পালিয়েছে জেল থেকে। আবার যখন তাদের আটক করা হলো, কারারক্ষক প্রশ্ন করলেন, ‘তোমরা জেল থেকে পালিয়েছিলে কেন?’
১ম কয়েদি: কারণ, জেলখানার খাবার খুবই জঘন্য। খাওয়া যায়না।
কারারক্ষক: কিন্তু তোমরা জেলের তালা ভাঙলে কী দিয়ে?
২য় কয়েদি: সকালের নাশতার রুটি দিয়ে!

♦ এতিমের অপরাধ
বিচারক :নিজ হাতে তুমি তোমার বাবা-মাকে গুলি করে মেরেছ। এ‌টা স্বীকার করার পর তোমার আর কী বলার আছে ?
আসামী : এখন আমি এতিম। এতিমের অপরাধ মাফ করে দিন, হুজুর।

♦ দুই মিনিট শুনেই ধৈর্য হারিয়ে ফেললেন
এক প্রবীণ শান্ত মেজাজের ভদ্রলোক হঠাৎ খেপে গিয়ে বাসে এক ভদ্রমহিলার মাথায় গাট্টা মারলেন। এ নিয়ে আদালতে মামলা উঠেছে।
বিচারক বললেন, ‘আপনাকে দেখে শুনে তো মনে হয় না আপনি এমন বাজে কাজ করতে পারেন। কিন্তু বাসের সবাই সাক্ষী। এ কাজ আপনি করতে গেলেন কেন?’
অভিযুক্ত ভদ্রলোকটি বললেন, ‘হুজুর, শুনুন তবে কেন এমন স্বভাববিরোধী কাজটা করেছি। ভদ্রমহিলার সামনেই দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি। বাসটা যাচ্ছিল মতিঝিল থেকে মিরপুর। সিটে বসেই তিনি হাতের বড় ব্যাগটা খুললেন, তা থেকে একটা ছোট ব্যাগ বের করলেন। তারপর বড় ব্যাগটা বন্ধ করে ছোট ব্যাগটা খুললেন উনি। তা থেকে একটা ১০ টাকার নোট বের করে ছোট ব্যাগটি বন্ধ করলেন। তারপর বড় ব্যাগটি খুলে ছোট ব্যাগটি তার ভেতর পুরে বড় ব্যাগটি বন্ধ করলেন। কন্ডাক্টর ইতিমধ্যে দূরে সরে যাওয়ায় ভদ্রমহিলা আবার বড় ব্যাগটি খুললেন, ছোট ব্যাগটি বের করলেন। বড় ব্যাগটি বন্ধ করলেন, ছোট ব্যাগটি খুলে টাকাটা ছোট ব্যাগে পুরলেন। তারপর ছোট ব্যাগটি বন্ধ করলেন, বড় ব্যাগটি খুললেন…!’
বিচারক অধৈর্য হয়ে বললেন, ‘কী একশ বার ছোট ব্যাগ-বড় ব্যাগ, বড় ব্যাগ-ছোট ব্যাগ করছেন! ইয়ার্কি পেয়েছেন?’
অভিযুক্ত লোকটি বলল, ‘হুজুর, আপনি দুই মিনিট শুনেই ধৈর্য হারিয়ে ফেললেন? ঝাড়া আধঘণ্টা ধরে দুইশত একত্রিশ বার চোখের সামনে এই জিনিস দেখার পর আমি গাট্টাটা মেরেছি।’
বিচারক রায় দিলেন, ‘কেস ডিসমিসড।’

♦ এবার ঘড়িটা ব্যবহার করতে পারবতো
ঘড়ি চুরির কোনো জোরালো প্রমাণ না থাকায় বিচারক আসামিকে বেকসুর খালাস দিলেন।
ছাড়া পেয়েই আসামি বিচারকের কাছে জানতে চাইল, হুজুর, এবার ঘড়িটা ব্যবহার করতে পারব তো?

♦ শুধু ব্যাটা ছেলের কাপড়
বিচারক : চুরি করার সময় একবারও তোমার স্ত্রী আর মেয়ের কথা মনে হয়নি?
চোর : হয়েছে, হুজুর। কিন্তু দোকানটায় শুধু ব্যাটা ছেলের কাপড়ই ছিল।

♦ অর্ডার অর্ডার
জাজ :অর্ডার অর্ডার।
আসামি : ভুনা খিচুড়ি আর রেজালা…

♦ কৃতজ্ঞতা জানাতে হবে
উকিল সাহেব হস্তদন্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন অনেক আগেই। উকিল গিন্নী অবাক হয়ে বললেন কোনদিকে চাঁদ উঠল আজ। এত সকাল সকাল সাহেব যে বাড়ী চলে এলেন। সে কথা পরে বলছি, উকিল সাহেব বললেন, আগে তোমার যাবতীয় কাপড় চোপড় আর গহনাগুলো শিগরীর তোমার বাপের বাড়ীতে রেখে আসো গে।
আরো অবাক হয়ে গিন্নি বললেন, ওমা সে কি কেন ?
আজ এক অতি কুখ্যাত চোরকে বেকুসুর খালাস দিয়ে এসেছি। সে না কি সন্ধ্যার পর কৃতজ্ঞতা জানাতে আসবে।

♦ চারিত্রিক সার্টিফিকেট
: কমিশনার সাহেব বাসায় আছেন ?
: কেন ?
: আমার একটা চারিত্রিক সার্টিফিকেট দরকার |
: তিন মাস পরে আসেন, উনি নারী ঘটিত কেসে ছয় মাসের জেলে আছেন

Top