You are here
Home > কৌতুক > এবারের বিষয়: চাপাবাজ

এবারের বিষয়: চাপাবাজ

চাপাবাজ

♦ সারা দিনের জন্য ছুটি
এক বৃদ্ধ রেস্টুরেন্টের ভেতর ঢুকে ম্যানেজারকে বলল, ‘আজ বিশ্বকাপের ফাইনাল, আমার নাতিটা ফুটবল খেলা খুব ভালোবাসে। ওকে যদি আজ বিকেলটা ছুটি দিতেন, তাহলে খুব ভালো হতো। আমরা দুজন একসঙ্গে বসে খেলা দেখতে পারতাম।’
ম্যানেজার বলল, ‘দুঃখিত, সেটা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ও তো আপনাকে কবর দিতে সারা দিনের জন্য ছুটি নিয়ে গেছে।’

♦ লাইফ ইনস্যুরেন্সের চেক
ইনস্যুরেন্স কোম্পানির এজেন্ট কথা বলছেন এক ভদ্রলোকের সাথে।
স্যার, আমরা খুব প্রম্পট পেমেন্ট করি। আমাদের অফিস আঠার তলা বিন্ডিংয়ের চারতলায়। একবার বারতলা থেকে এক লোক পড়ে যাচ্ছিলেন। তিনি যখন চারতলায় আমাদের অফিসের জানালার সামনে এলেন, আমরা জানালা দিয়ে হাত বাড়িয়ে তাঁর লাইফ ইনস্যুরেন্সের চেক মিটিয়ে দিয়েছিলাম।

♦ লাখপতি ও কোটিপতি
বুঝলি, আমি লাখপতি। তোর মতো লোককে এক হাটে কিনে অন্য হাটে বেচতে পারি।
আর আমি? কোটিপতি। তোর মতো মানুষকে কিনি, কিন্তু বেচার দরকার হয়না।

♦ আড্ডায় চাপা
এক শিকারি বন্ধুদের আড্ডায় বসে বলছে, ‘জানিস, সেবার আফ্রিকার জঙ্গলে গিয়ে আমি কতগুলো রয়েল বেঙ্গল টাইগার মেরেছি?’
বন্ধুরা ভ্রু কুঁচকে বলে, ‘আফ্রিকার জঙ্গলে তো রয়েল বেঙ্গল টাইগারই নেই! তুই মারবি কোথা থেকে?’
শিকারি: আহ্! সব যদি আমি মেরেই ফেলি, তাহলে থাকবে কোথা থেকে?!

♦ মেধাশূন্য পৃথিবী
গদা: জানিস পদা, পৃথিবী দিন দিন মেধাশূন্য হয়ে পড়ছে।
পদা: কিভাবে?
গদা: এই ধর এরিস্টটল মারা গেলো, নিউটন গত হয়েছে, আইনস্টাইন মরে ভূত হয়ে গেল, স্টিফেন হকিং-এর স্বাস্থ্যও খারাপ, আমার শরীরটাও বেশি ভালো থেকছি না কয়েকদিন ধরে…

♦ বীরত্বের গল্প
তিন ইঁদুর নিজেদের বীরত্বের গল্প করছে।
প্রথম ইঁদুর: জানিস, সেদিন আমি এক বোতল ইঁদুর মারার বিষ খেয়ে ফেলেছি, অথচ আমার কিছুই হয়নি।
দ্বিতীয় ইঁদুর: কিছুদিন আগে আমি একটা ফাঁদে আটকা পড়ে গেছিলাম। ফাঁদটা ভেঙে বেরিয়ে এসেছি।
তৃতীয় ইঁদুর: তোরা গল্প কর, আমি আজ উঠি। বাড়ি ফিরে আবার পোষা বিড়ালটাকে খাবার দিতে হবে।

♦ আইফেল টাওয়ার
দুই চাপাবাজের মধ্যে আলাপ হচ্ছে-
প্রথম চাপাবাজ: জানিস মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ারটা কিনে ফেলি।
দ্বিতীয়চাপাবাজ: অত সহজ না বন্ধু! ওটা আমি বেচলেতো।

♦ গরম চা
১ম চাপাবাজঃ আমি এত গরম চা খাই যে, কেতলি থেকে সোজা মুখে ঢেলে দেই!
২য় চাপাবাজঃ কি বলিস! আমি তো চা-পাতা, পানি, দুধ, চিনি মুখে দিয়ে চুলোয় বসে পড়ি!

♦ এটা ফেসবুক নয়
পাঁচ ফুট লম্বা একটি ছেলে গেছে পাত্রী দেখতে। পাত্রীর বাবা ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেন, বাবা, তুমি কতটুকু লম্বা?
পাঁচ ফুট ১০ ইঞ্চি।
ছেলের মা পাশেই বসেছিলেন। তিনি ছেলেকে বললেন, চুপ কর বাপ, এটা ফেসবুক নয়।

♦ চারটিতেই এক ডজন
প্রথম বন্ধুঃ জানিস, আমার মামার বাড়িতে এত বড় আম হয় যে দুটিতেই এক কেজি হয়ে যায়!
দ্বিতীয় বন্ধুঃ আরে তুই জানিস, আমার মামাবাড়িতে এত বড় বড় আম হয় যে চারটিতেই এক ডজন হয়ে যায়!

♦ তিন মাতালের বাহাছ
তিন মাতাল মদ খেয়ে মদের দোকান থেকে বের হয়ে একটি অটোরিক্সায় উঠলো।
অটোরিক্সা ড্রাইভার বসে পান খাচ্ছিল, ভাবলো পানটি খেয়ে কিছুটা সময় নিয়ে তারপর যাত্রা শুরু করব।
কিছুক্ষন পর অটো ষ্টার্ট নিতে যাবে এমন সময় দুই মাতাল বলল, এই অটো থাম..থাম…
এই বলে ড্রাইভারের হাতে দুই শ টাকা দিয়ে দুই মাতাল নেমে গেল অন্য মাতালের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে।
এই দেখে ড্রাইভার ভাবলো, আরে…দারুন মজা তো। কোথাও যেতে হলো না কিন্তু ভাড়া পাওয়া গেল।
তাই সে আরো কিছুক্ষ ঠিক আগের মতই বসে রইল।
কিছুক্ষন পর তৃতীয় মাতাল বলল, এই ড্রাইভার থামো থামো।
নিচে নেমে ড্রাইভারকে সিট থেকে বের হতে বলল, ড্রাইভার ভাবলো ভাড়া নেয়ার জন্য বুঝি বের হতে বলছে।
ড্রাইভার বের হতেই তৃতীয় মাতাল কষে তার গালে চড় মারলো।
হতভম্ব ড্রাইভার এর কারন জানতে চাইলে, মাতাল বললো, এই শালা এত জোরে কেউ গাড়ি চালায়
যদি আক্সিডেন্ট হতো!

Top