You are here
Home > কৌতুক > এবারের বিষয়: স্বামী-স্ত্রী

এবারের বিষয়: স্বামী-স্ত্রী

♦ পটলদা আর পটলবৌদি
পটলদা খুবই অসুস্থ! ডাক্তার পটলদাকে চেক-আপ করে বৌদিকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বললেন, “ওনার হার্টের অবস্থা ভালো নয়। ওনাকে প্রতিদিন ভালো ভালো খাবার রান্না করে খাওয়াবেন। ওনার সাথে ভালো ব্যবহার করবেন, কোত্থাও বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার জন্য বায়না করবেন না। বাড়িতে কোনও টিভি সিরিয়াল দেখবেন না। এভাবে ছয়মাস চললেই উনি সুস্থ হয়ে উঠবেন।
ডাক্তার চলে যাওয়ার পর পটলদা বৌদির কাছে জানতে চাইলো, “হ্যাগো, ডাক্তার কি বললো?”
বৌদি খুব দুঃখিত হয়ে বললো, “কি আর বলবে! তোমার বাঁচার আর কোনও আশা নেই গো!

♦ স্বামী ও স্ত্রী
স্ত্রী: তোমার বন্ধু যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছে সেই মেয়েটি একটি দজ্জাল, তাকে বারন করো।
স্বামী: কেন বারন করব ? সে কি আমার সময় বারন করে ছিল।

♦ স্বামী, স্ত্রী ও সন্তান
ছেলে: মা, আজ সকালে আমি যখন বাবার সাথে বাসে করে যাচ্ছিলাম তখন বাবা আমাকে আমার সিটটি একজন মহিলাকে ছেড়ে দিতে বলল।
মা: এটাতো খুবই ভালো, তুমি ঠিক কাজটিই করেছ।
ছেলে: কিন্তু মা, আমি তো বাবার কোলে বসা ছিলাম।

♦ আমি গাড়ি চালাব
একজন লোক তার বৌকে নিয়ে টাক্সিতে করে মার্কেটে যাচ্ছিল।
টাক্সিতে উঠার পর দেখল ড্রাইভার তার উপরের আয়না একটু ঠিক করে নিচ্ছে
লোকটি এটা দেখে চিৎকার করে উঠল এবং বলল এই তুমি আমার বৌকে দেখছ, তাই না?
যাও তুমি পিছনে যেয়ে বসো, আমি গাড়ি চালাবো

♦ পাগলে কি না করে
পচাদা রোববার সকালে বাড়িতে বসে কাগজ পড়ছে, এমন সময় পচাবৌদি এসে আদুরে গলায় বললো, “হ্যাঁগো, আমি মরে গেলে তুমি কি করবে?”
পচাদা কাগজ থেকে মুখ না উঠিয়েই বললো, “আমিতো পুরো পাগল হয়ে যাবো!
বৌদি, “তুমি আরেকটা বিয়ে করবে না তো?
পচাদা এবার গম্ভীরভাবে বললো, “পাগল লোকেরা যেকোনও কিছুই করতে পারে।

♦ ভূমিকম্পে বাড়ি তো ভাঙ্গবে মালিকের
বান্টা সিং এর বৌ রাতে লাফিয়ে উঠে বান্টাকে বললো, “ওগো ওঠ, ওঠ! হেভি ভূমিকম্প দিচ্ছে। পুরো ঘর যেভাবে নড়ছে, যেকোনও সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে।
বান্টা সিং বিরক্ত হয়ে বললো, “আবে, ঠাণ্ড রাখিও! বাড়ি ভাঙ্গলে তো ভাঙ্গবে মালিকের, আমরা তো ভাড়াটে!

♦ কান যখন আ্যশট্রে
আচ্ছা আপনি আপনার বৌ কে তালাক দিলেন কেন?
সে বিছানায় ধুমপান করত, তাই।
এটা কি তালাক দেয়ার জন্য বড় কোন ব্যাপার হল ?
হ্যা, হলো কারন সে বিছানায় ধুমপান করত আর আমার কানকে বানাত আ্যশট্রে।

♦ ঘুমের বড়ি
ডাক্তার: আপনার স্বামীর এখন পুরো বিশ্রাম দরকার, তাই কিছু ঘুমের বড়ি দিলাম।
রোগীর বৌ: তা কোন কোন সময় এই বড়ি খাওয়াবো ডাক্তার সাহেব।
ডাক্তার: না..না.. ঐ বড়ি তো আপনার জন্য যেন আপনার স্বামী শান্তিতে একটু বিশ্রাম নিতে পারে।

♦ সাধুবাবার দাওয়াই
এক বৌ তাবিজ নিতে এক সাধুবাবার কাছে গেল। গিয়ে সাধুবাবাকে বলল, বাবা আমি খুব অশান্তিতে আছি বাবা। আমার স্বামী বাইরে থেকে বাসায় এসেই আমাকে মারে, বকে কোন সময় ভালো ব্যবহার করে না।
সাধুবাবা ঐ বৌকে একটি তাবিজ দিয়ে বলল, তোমার স্বামী যখন ঘরে আসবে তখন তুমি এই তাবিজটি মুখে দিয়ে রাখবে।
কিছুদিন পর ঐ বৌটি সাধুবাবার কাছে খুব খুশি মুখে এসে বলল, বাবা আপনার তাবিজে খুব কাজ দিয়েছে। আমার স্বামী আমাকে আর মারে না, বাইরে থেকে এসে আমাকে বকা দেয়ার বদলে আদর করে। আপনার তাবিজের খুব গুন।
সব শোনে সাধুবাবা বলল, ওরে এটা তাবিজের গুন নয়, ওটা তোর মুখ বন্ধ রাখার ফল।

Top