You are here
Home > জাতীয় > ১১৪টি লাশ আর উল্লেখ্যযোগ্য হতাহতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ইউপি নির্বাচন

১১৪টি লাশ আর উল্লেখ্যযোগ্য হতাহতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ইউপি নির্বাচন

ইউপি নির্বাচন ২০১৬

ষষ্ঠ ও শেষ ধাপে শনিবার ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে শেষ হলো নবম ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন। এদিন দেশের ৪৬ জেলার ৯২ উপজেলায় ৭১০ ইউপিতে ভোট চলাকালে সহিংসতায় তিনজনের প্রাণহানীর ঘটনা ঘটেছে।

নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সম্পন্ন করতে নির্বাচনপূর্ব, নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন পরবর্তী সংঘর্ষ এবং নির্বাচনকেন্দ্রিক বিরোধের জেরে সারা দেশে মোট ১১৪ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটলো।

এদিকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান বলেছেন, ছয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সহিংসতায় ১১৩ জন নিহত ও ১০ হাজার জন পঙ্গু হয়েছেন। এই নির্বাচনের সব অনিয়ম ও সহিসংতার দায় নির্বাচন কমিশন ও সরকারের।

তিনি আরো বলেন, ইউপি নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণ হলো বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।

ক্ষমতাসীনদের অধীনে ভবিষ্যতে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে কি-না তা দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয় বলে জানান তিনি। তবে তার ব্যক্তিগত উপলব্ধি হলো, এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।

অন্যদিকে, ২৬ মে রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সুজন জানিয়েছির, ইউপি নির্বাচনের চতুর্থ ধাপ পর্যন্ত ১০১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং আহতের সংখ্যা অন্তত ৮ হাজার। প্রাণহানির ক্ষেত্রে অতীতের সকল রেকর্ড অতিক্রম করেছে এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন এবং তা চলছে দীর্ঘমেয়াদিভাবে।

সুজন আরো জানিয়েছিল, অতীতের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনগুলোর প্রাণহানির তথ্য অনুসন্ধান করে দেখা যায় যে, ১৯৭৩, ১৯৭৭, ১৯৮৩ ও ১৯৯২-এ প্রাণহানির কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে ১৯৮৮ সালে ৮০ জন, ১৯৯৭ সালে ৩১ জন, ২০০৩ সালে ২৩ জন এবং ২০১১ সালে ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

অতীতের নির্বাচনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটে ১৯৮৮ সালে। এ কারণে ওই সালের ইউপি নির্বাচনকে সবচেয়ে খারাপ নির্বাচন আখ্যায়িত করা হয় বলেও জানায় সুজন।

Top