You are here
Home > জীবনযাপন > যতই পরুন দুর্গন্ধ আসবে না এই মোজা থেকে!

যতই পরুন দুর্গন্ধ আসবে না এই মোজা থেকে!

যতই পরুন দুর্গন্ধ আসবে না এই মোজা থেকে

না ধুয়ে পরলে মোজা থেকে বিকট দুর্গন্ধ বেরনো আশ্চর্যের কিছু নয়। নিজের নাকে তো আসেই, আশপাশের মানুষজনের অবস্থাও খারাপ হয় মোজার দুর্গন্ধের কারণে। তার উপর অফিসে এয়ার কন্ডিশনার থাকলে, বন্ধ চার দেওয়ালের মাঝে মোজার দুর্গন্ধ দম আটকে দেয়। ফলে ব্যাপারখানা খুবই বিরক্তিকর হয়ে দাঁড়ায়।

এতশত ভেবেই একটি আশ্চর্য মোজা বানিয়েছেন ইংল্যান্ডের এক কৃষক স্টিভ হোয়াইটনি। সেই মোজাটি থেকে নাকি কস্মিনকালেও দুর্গন্ধ বেরোয় না। মোজাটি তিনি বানিয়েছেন অ্যাঙ্গোরা কিড ছাগলের রোম দিয়ে। শুধু তাই নয়, সেই মোজাজোড়া নাকি যুগযুগ পার করে দেয়। ছেঁড়ে না। নষ্টও হয় না।

তবে দুর্গন্ধহীন মোজা বানানোর উদ্দেশ্য নিয়ে সেটি বানাননি স্টিভ। তিনি চেয়েছিলেন টেকসই মোজা বানাতে। যাঁরা তাঁর তৈরি করা মোজা ব্যবহার করেন, তাঁরাই জানান, অ্যাঙ্গোরা কিড ছাগলের রোমের এই মোজা থেকে নাকি কোনও দুর্গন্ধ আসে না। এমনকী, না কেচে দিনের পর দিন ব্যবহার করলেও মোজা থেকে বেরোয় না কোনও খারাপ গন্ধ। তখনই ব্যাপারটা স্টিভের নজরে আসে। স্টিভ জানান, প্রথমে পুরুষরা চিঠি লিখে তাঁর তৈরি মোজার সুখ্যাতি করতেন, তারপর মহিলদের থেকেও আসতে শুরু করে ইতিবাচক ফিডব্যাক। তাঁদেরই মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন এক অরকেস্ট্রাবাদকের ফিডব্যাক। তিনি জানান, এক বছর না কেচে মোজাজোড়া ব্যবহার করার পরও বিন্দুমাত্র দুর্গন্ধ আসেনি।

স্টিভের স্ত্রী জেনি ব্ল্যাকডাইন হিলে তাঁদের ফার্মে অ্যাঙ্গোরা কিড ছাগলের প্রতিপালন করেন নিজে হাতে। ছাগলের রোম কেটে তা দিয়ে মোজা বোনেন। ব্যবহার করেন মামুলি যন্ত্রপাতি। স্টিভ জানান, অ্যাঙ্গোরা কিড ছাগলের রোমে তৈরি মোজা অসাধারণভাবে ঘাম শুষে নিতে পারে। যার ফলে পায়ের গোড়ালিতে জীবাণুরা বাসা বাঁধতে পারে না। এও জানা যায়, সেনসিটিভ ত্বক যাঁদের বা যাঁদের উলের তৈরি পোশাক পরলে শরীরে অস্বস্তি হয়, তাঁরাও নাকি অবলীলায় ব্যবহার করতে পারেন এই মোজা। এই অনবদ্য মোজাটির দাম ১০ পাউন্ড থেকে ৩০ পাউন্ডের মধ্যে। বাংলাদেশী টাকায় তা প্রায় ১১৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৩৪০০ টাকা।

Top