You are here
Home > জাতীয় > মনোনয়ন বানিজ্যে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে মারামারি, পালালেন প্রিন্স

মনোনয়ন বানিজ্যে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে মারামারি, পালালেন প্রিন্স

বিএনপি

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগে রোববার দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের কার্যালয়ে তুলকালাম কাণ্ড ঘটিয়েছেন দলটির তৃণমূল পর্যায়ের ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।

ওই অভিযোগে সেখানে তারা তর্কাতর্কি, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় তারা দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্সকে লাঞ্ছিত করেন। পরে পালিয়ে রক্ষা পান তিনি।

মারামারিত কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

কার্যালয় সূত্র জানায়, রোববার দুপুরের দিকে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার ইউপি নির্বাচনের মনোনয়ন নিয়ে সভাপতি গ্রুপের সাথে সাংগঠনিক সম্পাদক গ্রুপের মতপার্থক্য দেখা দেয়। এসময়ে সভাপতি গ্রুপের লোকজন অর্থের বিনিময়ে ইউপি মনোনয়ন দেয়ার বিরোধিতা করে ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স ও তার অনুসারী হিসেবে পরিচিত উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এক পর্যায়ে প্রিন্স বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করলে তাকে লাঞ্ছিত করেন ক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতাকর্মীরা। প্রিন্সের পক্ষ নিয়ে উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবুর রহমান মজু কথা বলতে গেলে তাকে কিল-ঘুষি মেরে আহত করা হয়। তাকে তাৎক্ষণিকভাবে একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে প্রিন্স দৌড়ে কার্যালয় থেকে বের হয়ে যান।

প্রসঙ্গত, বিএনপির ভেতরে ইউপি নির্বাচনের শুরু থেকেই প্রার্থী মনোনয়নকে কেন্দ্র করে বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে। মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারে দলটি কেন্দ্রীয় একটি কমিটি করে। এই কমিটির অনেকের বিরুদ্ধেই মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে।

তৃণমূল থেকে যাদের নাম কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে তাদের অনেকেই দলীয় মনোনয়ন পাননি। এ ছাড়া এ বাণিজ্যের সঙ্গে গুলশান কার্যালয়ের ও নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের একাধিক কর্মকর্তা ও নেতারা জড়িত বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে এই মনোনয়ন বাণিজ্যের অনেক বিষয় সম্পর্কে জানার কারনে গ্রেফতার হয়েছেন বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মো. শাহাজাহানের ঘনিষ্ঠ যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নূর ইসলাম, গুঞ্জন বিএনপিতে।  জানা গেছে গুলশান কার্যালয়ের মনোনয়ন বানিজ্যের ওই সিন্ডিকেটের সদস্য বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপুর ব্যক্তিগত একাউন্টে এক বছরে সাড়ে চার কোটি টাকা লেনদেনের একটি স্টেটমেন্ট নয়াপল্টন কার্যালয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের হাতে হাতে ঘুরছে। শুধু তাই নয় ওই সিন্ডিকেটের মনোনয়ন বাণিজ্য নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে ওই সিন্ডিকেটের আরও কয়েকজন সদস্যের মনোনয়ন বাণিজ্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

Top