You are here
Home > অবাক-বিস্ময় > ছোট্ট নোরার জন্য ওদের ভালোবাসায় চোখ ভিজে আসে!

ছোট্ট নোরার জন্য ওদের ভালোবাসায় চোখ ভিজে আসে!

ছোট্ট নোরার জন্য ওদের ভালোবাসায় চোখ ভিজে আসে!

ভালবাসার এ এক অসামান্য কাহিনি। যা সকলের চোখকে ভিজিয়ে দিতে বাধ্য। এক মৃত্যু পথযাত্রী শিশু। তার পাশে ঠায় বসে রয়েছে বাড়ির দুই পোষ্য। বহুবার তাদের বোঝানো হয়েছে, যে যাচ্ছে তাকে ফিরিয়ে আনা যাবে না। তবু, তাদের পশু সর্বস্ব মাথা দিয়ে বারবারই বুঝিয়েছে তারা ছোট্ট বন্ধুর পাশ থেকে সরতে রাজি নয়। সবাই আশা ছেড়ে দিতে পারে কিন্তু, বাড়ির প্রিয় দুই বাসেট হাউন্ড আশা ছাড়তে রাজি ছিল না। তাদের বিশ্বাস ছিল ছোট্ট বন্ধু আবার চোখ খুলবে। অবুজ বোধ আর হাসিতে তাদের খুশি করবে।

এই কাহিনি চার মাসের শিশু কন্যা ‘নোরা হল’ এবং তাদের বাড়ির দুই বাসেট হাউন্ডের। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটার দম্পতি মেরি ও জন হলের চার মাসের কন্যা নোরা আচমকাই সেরিব্রাল স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়। নোরার মস্তিষ্কের দু’টো দিকই কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এমনকী, আস্তে আস্তে নোরার সমস্ত নার্ভও কাজ করা বন্ধ করতে থাকে। নোরাকে মিনেপোলিস চিলড্রেন্স হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমে রাখা হয়েছিল নোরাকে। ক্রমশই খারাপ হয় তার শারীরিক অবস্থা। চিকিৎসকদের মত ছিল লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম সরিয়ে নেওয়ায়, কারণ নোরাকে বাঁচিয়ে তোলার সমস্ত আশা শেষ হয়ে গিয়েছে।

কিন্তু, এই যুক্তি মানতে রাজি হয়নি বাড়ির বাসেট হাউন্ড প্রজাতির দুই পোষ্য। তারা হাসপাতালে সারাক্ষণই নোরার বিছানায় বসে থাকত। নোরার লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম খোলার চেষ্টা হলেই বাধা দিত।

অবশেষে, দুই বাসেট হাউন্ডকে অনেক কষ্টে বোঝানো হয়। এরপরই নোরার লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম খুলে নেওয়া হয়। মঙ্গলবার চিরঘুমে শায়িত হয়েছে নোরা। তাকে সমাধিস্থ করে বাড়িও ফিরেছেন মেরি ও জন। সন্তান হারানোর বেদনা ভুলতে পারা সম্ভব নয়। তাই দুই বাসেট হাউন্ডকে নিয়েই নতুন করে জীবনের ছন্দে ফেরার চেষ্টা করছেন মেরি ও জন।

Top