You are here
Home > প্রবাস > যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী দম্পতির ঘাতক তাদের বড় ছেলে

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী দম্পতির ঘাতক তাদের বড় ছেলে

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী দম্পতির ঘাতক তাদের বড় ছেলে

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশী দম্পতিকে খুনের ঘটনায় আটক দুই ছেলের মধ্যে বড় ছেলে হাসিব গোলাম রাব্বী তার বাবাকে খুন করার কথা স্বীকার করেছে। তবে সে তার মাকে খুন করার কথা অস্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে সেখানকার পুলিশ।

হাসিব পুলিশকে জানিয়েছে, এক অপরিচিত মানুষ তাকে তার বাবাকে খুন করতে প্ররোচিত করেছে। শুক্রবার ওই খুনের ঘটনায় একটি ফৌজদারী অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সান জোসের পুলিশ কর্মকর্তা প্যাট্রিক গুয়েরে আরো বলেন, খুন হওয়া দম্পতির ছোট সন্তান ওমর গোলাম রাব্বী জানিয়েছে, হাসিবই বাবা-মাকে খুন করেছে। তারপর সে তাকে গ্যারেজ দিয়ে কোনো রক্ত ছড়িয়ে পড়েছে কি না তা দেখে আসতে বলে।

খুন করে তারা অকল্যান্ডে অ্যাকমে সম্মেলনে যোগ দিতে চলে যান। তবে ওমর অপরিচিত কোনো ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেনি।

পুলিশি বক্তব্যে অবশ্য খুনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি।

গত ২৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রে তাদের সান জোসের বাসা থেকেই এই দম্পতির লাশ উদ্ধার করা হয়। হত্যার পর তাদের মরদেহের পাশে একটি ম্যাসেজও লিখে রাখে খুনি। কালো মার্কার দিয়ে তাতে লেখা ছিলো, ‘দু:খিত, আমার প্রথম খুনটা আনাড়ি ছিলো।’

নিহত গোলাম রাব্বী (৫৯) পেশায় একজন ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন আর তার স্ত্রী শামীমা রাব্বী (৫৭) ছিলেন অ্যাকাউন্ট্যান্ট। বছর দশেক আগে তারা বাংলাদেশ থেকে সান জোসে চলে যান।

গতকাল শুক্রবার এই দম্পতির ২৩ বছরের সন্তান হাসিব গোলাম রাব্বীকে কালিফ এলাকা থেকে ৬০ মাইল দূরে আটক করে সান্টা ক্লারা কাউন্টি জেলে পাঠানো হয়। আর ১৭ বছর বয়সী ছেলেকে সান জোস থেকে আটক করে কাউন্টির জুভেনাইন হলে রাখা হয়।

নিজের বক্তব্যে সত্য ঘটনা জানাতে রাজি হলেও বিস্তারিত তথ্য দিতে চাননি হাসিব। তবে তিনি তার ছোট ভাইকে নিরপরাধ দাবী করেন। তবে সব তথ্য তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে দিতে চান বলেও জানান।

ছোটভাই ওমর রাব্বী পুলিশকে জানায়, বাবাকে খুন করার পর ভাই মাকেও খুন করে, এরপর তাকে ঘরের পর্দাগুলো টেনে দিতে বলে।

Top