You are here
Home > জাতীয় > ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম, রিট খারিজ

ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম, রিট খারিজ

ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম, রিট খারিজ

‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’ সংবিধানে অন্তর্ভুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আনীত রিট মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন হাই কোর্ট। ফলে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বৈধ বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। সোমবার বিচারপতি নাঈমা হায়দারের নেতৃত্বে এবং বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ এ রিট আবেদন খারিজ করে দেয়।

এর আগে গত সোমবার শুনানির জন্য হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে উঠেছিল রিট আবেদনটি। আদালত রিট আবেদনের রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানির জন্য আজ ২৭ মার্চ দিন ধার্য করে দিয়েছিল। একইসঙ্গে অ্যামিকাস কিউরিদের (আদালতের বন্ধু) নাম প্রত্যাহার করে নেয় আদালত। সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদের শাসনামলে ১৯৮৮ সালের ৫ জুন চতুর্থ জাতীয় সংসদে অষ্টম সংশোধনী পাস করা হয়। ওই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে অন্তর্ভুক্ত করে সরকার। এর মাধ্যমে সংবিধানে অনুচ্ছেদ ২-এর পর ২ (ক) যুক্ত হয়। ২ (ক)-তে বলা হয়, ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম হবে ইসলাম, তবে অন্যান্য ধর্মও প্রজাতন্ত্রে শান্তিতে পালন করা যাইবে’।

ওই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই বছরের আগষ্ট মাসে ‘স্বৈরাচার ও সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ কমিটির’ পক্ষে সাবেক প্রধান বিচারপতি কামালউদ্দিন হোসেনসহ ১৫ জন বিশিষ্ট নাগরিক হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। দীর্ঘ ২৩ বছর আবেদনটি হাইকোর্টে বিচারাধীন ছিল। এরপর ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসে সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনী এনে তাতে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে বহাল রাখে। এই সংশোধনীর ২(ক) ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে সম্পূরক আবেদন দাখিল করে রিটকারীপক্ষ। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১১ সালে পৃথক দুটি রুল জারি করে হাইকোর্ট। রুলে সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে অন্তর্ভুক্তির বিধান কেন অসাংবিধানিক ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। একইসঙ্গে সিনিয়র ১৪ আইনজীবীকে অ্যামিকাসকিউরি হিসেবে নিয়োগ দেয়। রিট দায়েরের দীর্ঘ ২৮ বছর পর রুলের চূড়ান্ত শুনানির জন্য গত সোমবার (২১ মার্চ) হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে আসে। এরপরই আজ ২৭ মার্চ শুনানির দিন ধার্য করে দিয়েছিল আদালত।

Top