You are here
Home > জাতীয় > ক্ষমতাসীনরা ভোট ডাকাতির মহাউৎসব চালিয়েছে

ক্ষমতাসীনরা ভোট ডাকাতির মহাউৎসব চালিয়েছে

ক্ষমতাসীনরা ভোট ডাকাতির মহাউৎসব চালিয়েছেক্ষমতাসীনরা ভোট ডাকাতির মহাউৎসব চালিয়েছে

প্রথম , দ্বিতীয় দফার মত তৃতীয় দফা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ ক্যাডার বাহিনী ভোট ডাকাতির মহাউৎসব চালিয়েছে  বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডবোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

রিজভী আহমেদ বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও তাদের সমর্থকেরা সারা দেশে ভোট ডাকাতি ও ব্যাপক অনিয়ম করছে। আওয়ামী প্রার্থীরা গতকাল রাত থেকেই ব্যালট বাক্স ভরে রেখেছে। আজকে সকাল থেকেই বিএনপির এজেন্টদের বের করে দিয়ে  ভোট কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে। তারা সকল এলাকায় সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।

তিনি বলেন, সরকার ও সরকার সমর্থীদের ভোট কেন্দ্র দখল, বিএনপির এজেন্টদের বের করা দেওয়া , প্রকাশ্য নৌকা মার্কায় সিল মারাসহ নানা অভিযোগ করলেন নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। এসব ক্ষেত্রে আইনশৃক্সখলা বাহিনী কোন পদক্ষেপ না নিয়ে নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সানা উল্লাহ মিয়া, সহ দফতর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, তাইফুল ইসলাম টিপু, ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেলিনা সুলতানা নিশিতা, দফতর সম্পাদক আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী প্রমুখ।

রিজভী আহমেদের পুরো বক্তব্য পাঠকের জন্য তুলে ধরা হল:

সুপ্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা, আপনাদেরকে জানাচ্ছি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা

আপনারা জানেন আজ তৃতীয় ধাপে দেশের ৪৭টি জেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দ্বারা যেসব সন্ত্রাসী ঘটনা, ভোট ডাকাতি ও ব্যাপক অনিয়ম ঘটেছে তার কিছু সংক্ষিপ্ত খন্ডচিত্র এখন আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি।

শরীয়তপুর জেলাধীন গোসাইরহাট উপজেলার ইউপি নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী তারিক হোসেন মোবারক আমাদেরকে অভিযোগ করেছেন যে, আওয়ামী সন্ত্রাসীরা নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট বাক্স সহ অন্যান্য সরঞ্জামাদী লুট করে নিয়ে গেছে। এছাড়া তাকে বিভিন্নভাবে চাপের মধ্যে রাখা হয়েছে। প্রশাসন এবং নির্বাচনী কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে অবহিত করা হলেও তাদের পক্ষ থেকে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি শরীফুল আলমকে বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করায় আজ ভৈরব উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেয়ার আয়োজন করা হয়। কিন্তু প্রশাসন সেটি বন্ধ করে দিয়েছে। এ বিষয়ে শরীফুল আলম আমাদের জানিয়েছেন-তিনি বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করতে চাইলে সেটিও করতে দেয়া হবে না বলে প্রশাসন ষ্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়।

লক্ষীপুর জেলাধীন রামগঞ্জ উপজেলার ৮ নং করপাড়া, ৪ নং ইছাপুর, ৬ নং লামচর, ৫ নং চন্ডিপুর এবং ১ নং কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ব্যাপক তান্ডব চালিয়েছে। সন্ত্রাসীরা বিএনপি সমর্থিত এজেন্টদের ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছে। এছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন সাহেবের গাড়ীও ভাংচুর করেছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।

কুমিল্লা জেলাধীন লাকসাম উপজেলার ৭ নং লাকসাম পূর্ব ইউনিয়ন (নরপাটি) পরিষদ নির্বাচনে সকল ভোটকেন্দ্রে গতরাতেই আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ভোট দিয়ে ব্যালট বাক্স ভরে ফেলেছে। সেখানে অস্ত্রের মহড়া চলছে। ব্যাপক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও হুমকির মুখে ধানের শীষের প্রার্থী নুরুন নবী চৌধুরী ভোট বর্জন করেছেন। এছাড়া জেলাধীন সকল ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ভোটকেন্দ্র থেকে ধানের শীষের প্রার্থীর এজেন্টদের বের করে দেয়া, ব্যালট বাক্স ছিনতাই এবং দেদারসে ব্যালট পেপারে সিল মারা সহ ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন অব্যাহত রেখেছে। নির্বাচনী বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী ক্যাডাররা এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলাধীন সদর উপজেলার এনায়েত নগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটারদেরকে কেবলমাত্র মেম্বার পদপ্রার্থীদের ব্যালট পেপার দেয়া হচ্ছে, চেয়ারম্যান প্রার্থীদেরকে ব্যালট পেপার দেয়া হচ্ছে না। কারন সন্ত্রাসীরা বীরদর্পে বলছে যে, চেয়ারম্যান পদের ভোট আমরাই দিবো। বিষয়টি নিয়ে জেলা বিএনপি’র সভাপতি এ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার ডিসি, এসপি ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ ও অভিযোগ জানালেও তাদের পক্ষ থেকে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের ব্যাপক তান্ডব অব্যাহত রয়েছে। সন্ত্রাসীদের কর্তৃক জালভোট প্রদান, ব্যালট বাক্স ছিনতাই এবং হুমকির মুখে এলাকাগুলোতে এক ভীতিকর অবস্থা বিরাজ করছে।

চাঁদপুর জেলাধীন ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৩ নং সুবিদপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ভোটারদের ওপর হামলা চালিয়েছে। ভোটারদেরকে ভোট দিতে দেয়া হয়নি। এর প্রতিবাদ করলে ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুকিতসহ ২৫ নেতাকর্মী ও সমর্থকের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়ে আহত করেছে আওয়ামী ক্যাডাররা। গুরুতর আহত অবস্থায় ৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ জেলাধীন নান্দাইল উপজেলার ৭ নং মুসুল্লী ইউনিয়নে মেরেঙ্গা ভোটকেন্দ্রে বিএনপি’র এজেন্টকে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে ঐ কেন্দ্রে বেলা ১২টার মধ্যে সকল ভোট দিয়ে দিয়েছে। মূমুর্ষ অবস্থায় বিএনপি এজেন্টকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চপই কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী স্বয়ং নিজেই গুলি করে আতঙ্ক সৃষ্টি করে ভোটকেন্দ্র থেকে সাধারণ ভোটারদের তাড়িয়ে দিয়েছে। রাজগাতি ইউপি নির্বাচনে পাঁচদরিল্লা, পূর্ব দরিল্লা, দাসপাড়া ভোটকেন্দ্রে ধানের শীষের কোন ভোটারকে ভোট দিতে দেয়নি আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউপি নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী কুতুবউদ্দিন সহ তার এজেন্টদেরকে ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করা হলেও তারা চুপচাপ রয়েছে। একই উপজেলার মাওনা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জালভোট দেয়া, আওয়ামী সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও ব্যাপক অনিয়মের কারনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফজলুল হক ভোট বর্জন করেছেন। কাপাসিয়ায় কাপাসিয়া ইউপি নির্বাচনে পাইলট হাইস্কুল কেন্দ্রের ভিতরে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রাজিব ঘোষ তার দলবল নিয়ে ব্যালট পেপারে সিল মেরেছে। গাগোটিয়া ইউনিয়নের কামারগাঁও ও বাউরাইদ ভোটকেন্দ্রেও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা একইভাবে জোর করে ব্যালট পেপারে সিল মারা মহৌৎসব করেছে। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউপি নির্বাচনে প্রায় সকল ভোটকেন্দ্রেরই একই অবস্থা দৃশ্যমান হয়েছে। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা সবগুলো ভোটকেন্দ্রই দখল করে নিয়েছে।

কক্সবাজারের চকোরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউপি নির্বাচনে সকল ভোটকেন্দ্র প্রশাসনের সহায়তায় দখল করে নিয়েছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। একই কায়দায় সুরেশপুর ও মানিকপুরে ভোট ডাকাতি করেছে আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।

নাটোর: নাটোরে ভোটকেন্দ্র দখল, সংঘর্ষ ও ভোট বর্জনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৭টি ইউনিয়নের নির্বাচন।

আজ নির্ধারিত সময় সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরুর আধা ঘণ্টার মধ্যেই ৮৬টি কেন্দ্র দখল করে নেয় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর নেতা-কর্মীরা।

এছাড়া প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকে ভোটগ্রহণ করতে দেখা যায়। এছাড়া ধানের শীষে ভোট দিলে কয়েক কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছিঁড়ে ফেলে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর কর্মীরা।  এছাড়া সকাল ১০টায় সাতটি ইউনিয়নের মধ্যে এখন পর্যন্ত বিএনপি মনোনিত ইব্রাহীম খলিল, ছাতনী ইউনিয়নে বিএনপি মনোনিত সুলতান আহমেদ এবং লক্ষ্মীপুর খোলাবাড়িয়া ইউনিয়নের রফিকুল ইসলাম ভোট বর্জন করেছেন।

অনিয়ম এবং কেন্দ্র দখলের কথা স্বীকার করে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক বিএনপি মনোনিত প্রার্থীদের ভোটবর্জন নিশ্চিত করেছেন।

সিরাজগঞ্জ: জেলার সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের পঞ্চসারটিয়া কেন্দ্রে  কক্ষের ভিতরে প্রকাশ্যেই নৌকার এজেন্ট ব্যালট নিয়ে ভোট দিচ্ছে। আর কেন্দ্রের ৫টি বুথের কোথাও ধানের শীষের এজেন্টদের ঢুকতে দেয়া দেয়নি আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।

কেন্দ্রের ১ নং (পুরুষ) বুথের নৌকার এজেন্ট ফরিদ উদ্দিন প্রকাশ্যে ভোট সিল মারার বিষয়ে বলেন, ভোটারা সঠিক ভাবে ভোট দিতে পারছে না, তাই সিল মেরে দিয়েছি।

এ বিষয়ে বুথে কর্তব্যরত পোলিং অফিসার শেখর চন্দ্র ঘোষ বলেন, আপনিতো এই দেশেই থাকেন, সবই বোঝেন। কিভাবে সব হচ্ছে। আমাদের কি করার আছে।

বগুড়া: তৃতীয় ধাপে বগুড়া জেলার তিনটি উপজেলার ২২টি ইউনিয়ন পরিষদ  নির্বাচন হচ্ছে। তার মধ্যে ¨ সারিয়াকান্দী উপজেলার কাজলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে বিএনপির চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীরা ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন|

খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন ইউপি নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষের প্রার্থীদের এজেন্টদেরকে ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। সবগুলো ইউপিতেই আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের প্রকাশ্যে ব্যালট পেপারে সিল মারার মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মহালছড়ি উপজেলা: আজ সকালে ভোট শুরু হওয়ার পরপরই আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা মহালছড়ি ইউনিয়নের তঙ্গাছড়ি স: প্রা: বি:, মহালছড়ি স: প্রা: বি:, মহালছড়ি পাইলট উ: বি:, মহালছড়ি আবাসিক প্রা: বি:, গুচ্ছগ্রাম স: প্রা: বি: ও মাইসছড়ি ইউনিয়নের লেমুছড়ি উ: বি:, লেমুছড়ি সরকারী প্র: বি:, জয়সেনপাড়া উ: বি: ভোট কেন্দ্রে ধানের শীষের এজেন্টদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছে। এ সকল কেন্দ্রে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকে সিল মারছে। এ বিষয়ে স্থানীয় নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃক্সখলা বাহিনীর কাছে বার বার সাহায্য চাওয়া হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

লক্ষিছড়ি উপজেলা: উপজেলার তিনটি ইউনিয়নই দূর্গম এলাকায় বিধায় স্থানীয় সশস্ত্র গ্রুপ ইউনিয়নের ভোট কেন্দ্রগুলো দখল করে নিয়েছে। এছাড়াও আগে থেকেই সাধারণ ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য হুমকি প্রদর্শন করার ফলে ভোটাররা প্রাণ ভয়ে ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে যায়নি।

রামগড় উপজেলা: পাতাছড়া ইউনিয়নের নিওতই চাকমা স: প্রা: বি: ভোট কেন্দ্র সহ আরও তিনটি কেন্দ্রে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের সামনেই নৌকা প্রতিকে প্রকাশ্যে সিল মারছে। এছাড়াও রামগড় ইউনিয়নের হাতিরকাঠা স: প্রা: বি: ভোট কেন্দ্র সহ আরও দুটি ভোট কেন্দ্র আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা দখল করে নেয়।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা: তবল ছড়ি ইউনিয়নের বড়বিল স: প্রা: বি:, বংপাড়া স: প্রা: বি: সহ ৪টি ভোট কেন্দ্র ছাত্রলীগ-যুবলীগ সন্ত্রাসীরা নিজেদের নৌকা প্রতীকে সিল মারে। এছাড়াও তাইনদং ইউনিয়নের আশালং উ: বি: ভোট কেন্দ্র সহ আরও ২টি ভোট কেন্দ্র গত রাতেই আওয়ামী সশস্ত্র ক্যাডাররা প্রশাসনের মদদে দখল করে নিয়েছে।

দিঘীনালা উপজেলা: মেরং ইউনিয়নের ছোট মেরং উ: বি:, আর এ রেজি: প্রা: বি: ও দক্ষিণ রেনকাইজ্জা জব্বার পাড়া স: প্রা: বি: ভোট কেন্দ্র স্থানীয় প্রাশাসনের সহযোগিতায় ছাত্রলীগ-যুবলীগের ক্যাডাররা নিজেদের দখলে নিয়ে নৌকা প্রতীকে সিল মারছে।

জেলা: বান্দরবান

বান্দরবান সদর উপজেলা: বান্দরবান ইউনিয়নের রেইশা স: প্রা: বি:, গোয়ালীওখন্দা স: প্রা: বি:, সুয়ালোক ইউনিয়নের ৩টি ভোট কেন্দ্র, টংকাবতী ইউনিয়নের ৩টি ভোট কেন্দ্র সরকার দলীয় ক্যাডার বাহিনী প্রশাসনের সহযোগিতায় নিজেদের দখলে নিয়েছে।

লামা উপজেলা: আজিজ নগর ইউনিয়নের ৪টি ভোট কেন্দ্র, ফাসিয়াখালী ইউনিয়নের ৩টি ভোট কেন্দ্র এবং পাইতং ইউনিয়নের ৪টি ভোট কেন্দ্র বহিরাগত সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা দখল করে নৌকা প্রতীকে সিল মারে।

রুমা উপজেলা: পাইন্দু ইউনিয়নের হেডম্যানপাড়া স: প্রা: বি: ভোট কেন্দ্র সহ ৩টি ভোট কেন্দ্র আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা দখল করে নিয়েছে।

জেলা: চট্টগ্রাম

ফটিকছড়ি উপজেলা: দাঁতমারা ইউনিয়নের হেয়াখোঁ স: প্রা: বি: ভোট কেন্দ্র সহ ৩টি কেন্দ্র, রোসাংগীড়ী ইউনিয়নের রোসাংগীড়ী উচ্চ: বি:, রোসাংগীড়ী স: প্রা: বি: ভোট কেন্দ্র, বক্তপুর ইউনিয়নের দায়রাবাড়ী সরকারী প্রা: বি:, গোলদার বাড়ী প্রা: বি:, এনামুল হক একাডেমী ভোট কেন্দ্র আওয়ামী সন্ত্রাসীরা দখল করে নিয়েছে। বেলা ১২ টার পরে সব কটি ভোট কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে আওয়ামী ক্যাডার বাহিনী।

জেলা: কক্সবাজার

চকরিয়া উপজেলা: ডুলাহাজরা ইউনিয়নের ২টি ভোট কেন্দ্র, ফাসিয়াখালী ইউনিয়নের পুবপুকুরিয়া স: প্রা: বি:, হাজিয়ান স: প্রা: বি:, নয়াপাড়া স: প্রা: বি:, খন্দকার পাড়া স: প্রা: বি: ভোট কেন্দ্র, হারবাং ইউনিয়নের ৩টি ভোট কেন্দ্র সকাল ৯টার মধ্যেই আওয়ামী ক্যাডারেরা ধানের শীষের প্রতীকের এজেন্টদের মারধর করে বের করে দিয়ে নৌকা প্রতীকে প্রকাশ্যে সিল মারছে।

জেলা: সুনামগঞ্জ

দোয়ারা বাজার উপজেলা: দক্ষিণ দোয়ারা বাজার  ইউনিয়নের লামাসানিয়া মাদ্রাসা, টেবলাই স: প্রা: বি: ভোট কেন্দ্র সহ ৩টি ভোট কেন্দ্র, বোগলা বাজার ইউনিয়নের ২টি ভোট কেন্দ্র, দোহালীয়া ইউনিয়নের ২টি ভোট কেন্দ্র, লক্ষিপুর ইউনিয়নের ১টি ভোট কেন্দ্র, মান্নারগাঁও ইউনিয়নের ২টি ভোট কেন্দ্র, বাংলা বাজার ইউনিয়নের ২টি ভোট কেন্দ্র, নরসিংপুর ইউনিয়নের ২টি ভোট কেন্দ্র, পান্ডারগাঁও ইউনিয়নের ৩টি ভোট কেন্দ্র ছাত্রলীগ-যুবলীগের ক্যাডাররা দখল করে নিয়েছে।

জেলা: মৌলভীবাজার

কুলাউড়া উপজেলা: কাদিপুর ইউনিয়নে ১টি ভোট কেন্দ্র, রাউৎগাঁও ইউনিয়নের ২টি ভোট কেন্দ্র, জয়চন্ডি ইউনিয়নের ২টি ভোট কেন্দ্র, ব্রাহ্মণ বাজার ইউনিয়নের ২টি ভোট কেন্দ্র আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা দখল করে নিয়েছে।

জেলা: চাঁদপুর

ফরিদগঞ্জ উপজেলা: চরদুখিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের চরদুখিয়া স: প্রা: বি:, লড়াই চর স: প্রা: বি:, বিরামপুর বাজার উচ্চ বি:, দক্ষিণ পূর্ব বিষকাঠালী স: প্রা: বি: ভোট কেন্দ্র আওয়ামী প্রার্থী হাসান আ: হাই এর নেতৃত্বে সন্ত্রাসী বাহিনী ভোট কেন্দ্র দখল করে নিয়ে নৌকা প্রতীকে সিল মারে। প্রশাসন সেখানে নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে।

ফরিদগঞ্জ উপজেলা: গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নের আওয়ামী প্রার্থী কালাম ভুইয়ার নেতৃত্বে ছাইসাংগা ও লাউতলী ভোট কেন্দ্র সন্ত্রাসীদের কর্তৃক দখল করে নৌকা প্রতীকে সিল মারে।

ফরিদগঞ্জ উপজেলা: পাইকপাড়া উ: ইউনিয়নের আওয়ামী প্রার্থী আক্কাস আলীর নেতৃত্বে সন্ত্রাসী বাহিনী, উপাধিক স: প্রা: বি:, সাশিয়ালী স: প্রা: বি:, সাচিয়াখালী স: প্রা: বি:, চাষারা সিদ্দীকিয়া দাখিল মাদ্রাসা সহ ৯টি ভোট কেন্দ্রই দখল করে নৌকা প্রতীকে সিল মারে।

ফরিদগঞ্জ উপজেলা: রুপসা উত্তর ইউনিয়নে বিশ দলীয় জোট প্রার্থীর সকল এজেন্টদেরকে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে আওয়ামী প্রার্থী ওমর ফারুকের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা নৌকা প্রতীকে সিল মারে।

জেলা: কুমিল্লা

লাকসাম উপজেলা: লাকসাম পূর্ব ইউনিয়নে যুবলীগের থানার সভাপতি রফিকুল ইসলাম হিরার নেতৃত্বে সন্ত্রাসী বাহিনী আওয়ামী প্রার্থীর পক্ষে ফুলগাঁও সরকারী প্রা: বি:, নওয়াবপাটি স: প্রা: বি:, (দ:)এলাইচ নূরানী মাদ্রাসা সহ মোট ৯টি ভোট কেন্দ্রই নিজেদের দখলে নিয়ে নৌকা প্রতীকে সিল মারে।

আদর্শ সদর উপজেলা: কালির বাজার, আমরাতলী, পাঁচথুবি, দূর্গাপুর উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিয়ন সমূহে কুমিল্লা সদরের সংসদ সদস্য বাহা উদ্দিন বাহারের নেতৃত্বে বিভিন্ন বাহিনী বিএনপি’র প্রার্থী ও তার ভোটারদের হুমকি দুমকি দিচ্ছে এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় দখলের পায়তারা চালাচ্ছে।

বুড়িচং উপজেলা: মোকাম, ময়নামতি, পিরযাত্রাপুর, ষোলনল, বুড়িচং সদর, রাজাপুর, বকশিমুল ইউনিয়ন সমূহে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা স্থানীয় আইনশৃক্সখলা বাহিনীর সহযোগিতায় কোন কোন ভোট কেন্দ্র নিজেদের দখলে নিয়েছে এবং কিছু কিছু কেন্দ্র দখলের পায়তারা চালাচ্ছে, ১.৩০ টার সময় আওয়ামী ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে।

জেলা: নোয়াখালী

চাটখীল উপজেলা: বদলকোট, মহাম্মদপুর, নোয়াখলা, পাঁচগাঁও, পরকোট, রামনারায়নপুর, ,শাহাপুর, আটপুকুরিয়া, ঘাটলাবাগ ইউনিয়ন সমূহের প্রতিটি কেন্দ্রই গত কাল রাত থেকে প্রশাসনের সহযোগিতায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ঘেরাও করে রেখে নৌকা প্রতীকে সিল মারে।

জেলা: ঝিনাইদহ

কালিগঞ্জ উপজেলা: সুন্দরপুর দূর্গাপুর, কাষ্টভাঙ্গাকোলা, নিয়ামতপুর ইউনিয়ন সমূহের প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে প্রশাসনের সহযোগিতায ধানের শীষের এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেয় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা এবং নৌকা প্রতীকে প্রকাশ্যে সিল মারে। ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নে গত রাতে বিএনপি কর্মীদের উপর হামলা চালায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।

জেলা: মাগুরা

শ্রীপুর উপজেলা: আমলসার, দরিয়াপুর, শ্রীকোল ইউনিয়ন সমূহে ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দিয়ে প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকে সিল মারছে আওয়ামী ক্যাডার বাহিনী।

জেলা: নীল ফামারী

সদর উপজেলা: সংগলশী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের হাজী পাড়া ভোট কেন্দ্রে ধানের শীষের এজেন্টদের মারধর করে বের করে দিয়েছে এবং প্রকাশ্যে নৌকা প্রতিকে সিল মারছে। সোনারায় ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্রে সাধারণ ভোটারদেরকে প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকে সিল মারতে বাধ্য করছে।

জেলা: রংপুর

মিঠাপুকুর উপজেলা: কাফরীখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্র থেকে ধানের শীষ এজেন্টদের বের করে দিয়েছে এবং এমদাদপুর ইউনিয়নের প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে সাধারণ ভোটারদের ভোট দিতে দেয়া হচ্ছে না।

জেলা: নওগাঁ

নিয়ামতপুর থানা: ভাবিচা ইউনিয়নে ইউনিয়ন বিএনপি কর্মী মো: দুলাল হোসেনকে ভোট কেন্দ্র থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

জেলা: জামালপুর

ইসলামপুর উপজেলা: গাইবান্ধা ইউনিয়নে বেলা ১২.৩০ মিনিটের সময় মরাকান্দি ভোট কেন্দ্র আওয়ামী সন্ত্রাসীরা দখলের চেষ্টাকালে বিএনপি’র সমর্থকেরা বাধার মূখে ব্যাপক সংঘর্ষ হয় এক পর্যায়ে পুলিশ আট রাউন্ড গুলি ছুড়ে, এখন নির্বাচন স্থগিত রয়েছে। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। চন্দনপুর স: প্রা: বি:, কৈরইতলা স: প্রা: বি: ও গোপাল নগর স: প্রা: বি: কেন্দ্র থেকে ৩০০/৪০০ বহিরাগত আওয়ামী সন্ত্রাসী গ্রæপ হামলা চালিয়ে বিএনপি;র এজেন্টদের বের করে দিয়ে প্রশাসনের সহযোগিতায় ভোট পিটিয়ে নেয়। চরডাটনা ও মহিষপুরা স: প্রা: বি: কেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি চালাচ্ছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। চরগোয়ালীনী ইউনিয়নের পশ্চিম পিরোজপুর প্রা: বি: জুবেরু মিয়ার নেতৃত্বে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা চালালে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার এক পর্যায়ে পুলিশ ৭ রাউন্ড গুলি ছুড়ে। ডিগ্রিচর এলাকার ৩টি ভোট কেন্দ্র  আনুমাকি ১২.৩০ টার সময় আওয়ামী   সন্ত্রাসীরা দখল করে নেয় এবং বিএনপি’র এজেন্টদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয় ও প্রসাশনের সহযোগিতায় প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকে সিল মেরে ব্যালট পেপার পূরণ করে। বালুর চর কেন্দ্র দখল করে ব্যালট পেপারে নৌকায় সিল মারে। চরকুটিমারী ইউুনিয়নের চিলের চর কেন্দ্র, বিনয়ের চর প্রা: বি: কেন্দ্র আওয়ামী সন্ত্রাসীরা দখল করে নেয় এবং নৌকা প্রতীকে সিল মেরে ব্যালট পেপার পূরণ করে। আগরাখালী, চতলাপাড়া, ছাগলের চর, ৪ নং চর এখানে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে এবং আওয়ামী সন্ত্রাসীরা কেন্দ্র দখল করে নৌকা প্রতীকে ভোট দেয়ার চেষ্টা করে। কিনার চর ভোট কেন্দ্রে পুলিশ ৫ রাউন্ড গুলি ছুড়ে, সুলতান মো: বাবুর নেতৃত্বে বিএনপি’র সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা সব কটি ইউনিয়নের পূণ নির্বাচনের দাবি করেন।

১৫। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসির নগর থানার চাপড়তলা ইউপি নির্বাচনে খানছুড়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা এবং খানছুড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। হরিপুর ইউপি নির্বাচনে সবকটি ভোটকেন্দ্র দখল করে নিয়েছে।

সাংবাদিক বন্ধুরা,

এই হলো আজকের তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনের অবস্থা। তবে দেশবাসীর নিকট এটি কোন আশ্চর্যের বিষয় নয়। কারণ আওয়ামী ভোটারবিহীন সরকারের জোর করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে তাদের অধীনে যতগুলো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে সবগুলোতেই আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের সহিংস ও ভোট ডাকাতির ঘটনা প্রত্যক্ষ করে আসছে দেশবাসী। দেশের মানুষ ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টনে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের কর্তৃক সংঘটিত লগি-বৈঠার সেই পৈশাচিক ও লোমহর্ষক হত্যাযজ্ঞের কথা এখনও ভুলে যায়নি। নির্বাচন কমিশন প্রাণঘাতি রক্তাক্ত সহিংসতা ঠেকাতে কোন ধরণের উদ্যোগ নিচ্ছে না, কারন ভোট ডাকাতির সাথে সংশ্লিষ্ট ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসীদের একহাতে টাকা অন্যহাতে অস্ত্রের ঝলকানি, আর তাদের মাথায় আপার আশীর্বাদ। যে আপা প্রধানমন্ত্রীত্বের গদি জোর করে দখল করে রেখেছে। সুতরাং এই সমস্ত গুন্ডা-পান্ডাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ঝুঁকি নিচ্ছেন না নির্বাচন কমিশন, কারণ ঝুঁকি নিলে যদি চাকুরি চলে যায়!

দেশবাসী ভালভাবেই জানে-আওয়ামী লীগের অধীনে কখনোই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তারা গায়ের জোরে ক্ষমতা দখল করে প্রতিটি নির্বাচন নিয়ে তামাশার খেলা খেলেছে। এবারেও দেশব্যাপী প্রথম ধাপ থেকে তৃতীয় ধাপ পর্যন্ত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রশাসনের সহায়তায় পেশী শক্তির দ্বারা ভোট লুটপাটের যে খেলা প্রদর্শন করলো তার জুড়ি নেই। প্রধানমন্ত্রী ইউপি নির্বাচনের সহিংসতা রোধে ইলেকশন কমিশনকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি দেশবাসীর নিকট রসিকতা বলে মনে হয়েছে।

বন্ধুরা,

সরকার আজ পরাজয়ের মুখে দাঁড়িয়েছে। তাদের দখল করা ক্ষমতার স্বর্গ টিকিয়ে রাখার বিরুদ্ধে জনগণের ওপর দশগুন শক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে।  গণতন্ত্রে অপরিহার্য শর্ত হচ্ছে নির্বাচন, সেই নির্বাচনকে সরকার উপহাসে পরিণত করেছে। আর তাতে সহায়তা করেছে সীমাহীন মুড়তা আর জনগণের শক্তি সম্পর্কে অতলস্পর্শী অজ্ঞ নির্বাচন কমিশন। আর যার কারণেই তারা গোটা দেশকে এক বিভৎস নৈরাজ্যের অন্ধকারে ঢেকে দিয়েছে।

Top