You are here
Home > ঢাকার খবর > দন্ডপ্রাপ্ত দুই মন্ত্রীর পদত্যাগ ও পানামা কেলেংকারিতে জড়িত ২৫ বাংলাদেশীর বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

দন্ডপ্রাপ্ত দুই মন্ত্রীর পদত্যাগ ও পানামা কেলেংকারিতে জড়িত ২৫ বাংলাদেশীর বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

দন্ডপ্রাপ্ত দুই মন্ত্রীর পদত্যাগ ও পানামা কেলেংকারিতে জড়িত ২৫ বাংলাদেশীর বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

শনিবার সকাল ১০টায় ঢাকাস্থ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলন এর উদ্যোগে শপথ ভংগের কারনে দন্ডপ্রাপ্ত দুই মন্ত্রীর পদত্যাগ ও পানামা পেপারস কেলেংকারিতে মানিলন্ডারিং এ জড়িত ২৫ বাংলাদেশীর বিচারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলন আহবায়ক মোঃ হারুন-অর-রশিদ খান এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন রাজনীতি অধ্যয়ন ফোরাম হুমায়ুন কবির হিরু, নাগরিক পরিষদ আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডাঃ সামছুল আলম, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর হোসাইন, বাংলাদেশ কংগ্রেস’র ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পি সরদার, মানবাধিকার কর্মী মোহাম্মদ হানিফ, দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলন নেতা শহিদুল ইসলাম (খুলনা), কাজী আমানুল্লাহ মাহফুজ (ফেনী), বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি এ্যাড, মহিউদ্দিন আহমেদ, স্বদেশ পার্টির নেতা রফিকুল ইসলাম মন্টু, মোঃ ফারুক প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, সাবেক ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ শহুদুল হকের অসদাচরনেব জন্য সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক দুই হাজার টাকা জরিমানা হওয়ার কারনে চাকুরিচ্যুত হয়ে ছিলেন,  কিন্তু শপথ ভংগের কারনে দুই মন্ত্রী এক লক্ষ টাকা জরিমানা দিয়েও মন্ত্রীত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন। অথচ তারা দন্ডপ্রাপ্তের দিন হইতে মন্ত্রীত্ব করার বৈধতা হারিয়েছে। এ যেন  সংবিধানের আড়ালে অসাংবিধানিক শাসন। অবিলম্বে দুই মন্ত্রীকে পদত্যাগ করার জোর দাবি জানান।

পানামা পেপার্স কেলেংকারীতে ফাঁস হওয়া বিভিন্ন মন্ত্রী, নেতা, ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দায়ের করে দ্রুত বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, রাজকোষ বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে লুট হয়েছে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার। মানিলন্ডারিং এ ৬ লক্ষ টাকার অধিক পাচার হয়েছে । শেয়ার বাজাওে লুটপাট সর্বশান্ত করেছে সাধারন মানুষকে। বেসিক ব্যাংক , সোনালি ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, বিসমিল্লাহ গ্রুপ, হলামর্ক, ইউনিপে, ডেসটিনি, যুবক, সানম্যান গ্রুপ কেলেংকারী প্রমাণ করে জনগণের সম্পদ অবাধে লুট হচ্ছে। ভয়াবহ লুটপাট ১৭ কোটি মানুষের শ্রম-ঘাম-রক্তের অর্জন নিঃশেষ করে দিচ্ছে। সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,  প্রেসিডিয়াম সদস্য, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার পানামা পেপার্স কেলেংকারীতে প্রমাণ করেছে তাদের ন্যূনতম দেশপ্রেম নেই। তারা দেশদ্রোহী, রাষ্ট্র বিরোধী। তাদের বিচার না করলে আগামী দিনে যে কোন ব্যক্তিই এহেন রাষ্ট্র বিরোধী কাজে লিপ্ত হতে ভয় পাবে না। তখন বাবার স্বপ্ন আর স্বামীর স্বপ্নের ব্যবসায়ীরা জনগণের সামনে আর মুখ দেখাতে পারবে না।

বক্তারা পানামা পেপারস কেলেংকারিতে ও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত অর্থ পাচারের তালিকায় সেসকল মন্ত্রী, নেতা, ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দায়ের করে দ্রুত বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করার আহ্বান জানান।

Top