You are here
Home > ঢাকার খবর > ‘আমাকে জেলে নিয়ে ছেলেকে মুক্তি দিন’

‘আমাকে জেলে নিয়ে ছেলেকে মুক্তি দিন’

‘আমাকে জেলে নিয়ে ছেলেকে মুক্তি দিন’

অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপিকা ও দৈনিক আমার দেশ এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মা মাহমুদা বেগম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘আমাকে জেলে নিয়ে ছেলেকে মুক্তি দিন।’

শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

মাহমুদা বেগম বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমার সবিনয় নিবেদন যে, আপনার ব্যক্তিগত জিঘাংসা যদি আমার ছেলেকে এই দীর্ঘদিন জেলে আটক রেখেও পরিতৃপ্ত না হয়ে থাকে তাহলে আমাকে জেলে নেয়ার বিনিময়ে আমার নিরাপরাধ সন্তানকে মুক্তি দিন।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কার্যত বিশ্বের সর্বাপেক্ষা ক্ষমতাশালী সরকার প্রধান। তার নির্দেশ ও ইশারা-ইঙ্গিতেই রাষ্ট্রের সব কিছু পরিচালিত হচ্ছে। তিনি চাইলেই আমাকে কারাগারে নিয়ে মাহমুদুর রহমানকে মুক্তি দিতে পারেন।”

সংবাদ সম্মেলনের পুর্নবিবরন:

আমি মাহমুদুর রহমানের অসহায় বৃদ্ধা মা। ২০০৯ সাল থেকেই ক্ষমতাসীন সরকার আমার একমাত্র সন্তান মাহমুদুর রহমান, আমার পরিবার এবং আমার দেশ পত্রিকার সাংবাদিকদের উপর অবর্ণনীয় নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। আমি সমস্ত জীবন অধ্যাপনা করে শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছি। আমার অসংখ্য ছাত্রছাত্রী আজ সমাজে প্রতিষ্ঠিত। জীবনের এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় কখনো ভাবতে পারিনি যে, বাংলাদেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থা এমনই এক পরিস্থিতিতে পৌঁছাবে যখন প্রায় অন্তিমে এসে আমাকে এভাবে সংবাদপত্রে লিখতে হবে। বিগত ৭ বছর ধরে অব্যাহত জুলুম সহ্য করে আমি একমাত্র মহান আল্লাহতায়ালার কাছে কেঁদেছি। প্রাণপণে সবরের চেষ্টা করেছি। আশা পোষন করেছি সরকার প্রধানের জিঘাংসারও নিশ্চয়ই একটা শেষ আছে। আমার পুত্র এবং পুত্রবধূকে নিয়ে তিনজনের ছোট সংসার আবার স্বাভাবিক শুরু করার আশাতেই তো আজও বেঁচে আছি। আমারই হয়তো দুর্ভাগ্য যে, সেই প্রত্যাশা সফল হয়নি। আজও একমাত্র সন্তানের ঘরে ফিরে আসার পথের দিকে তাকিয়ে আছি। এদিকে সরকারের জুলুম দিনের পর দিন অসহনীয় হয়ে উঠেছে।

মাহমুদুর রহমানকে ২০১৩ সালের ১১ এপ্রিল আমার দেশ কার্যালয় থেকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। গ্রেফতারের সময় উপস্থিত সাংবাদিকরাও পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। পুলিশ পত্রিকা অফিসে তাÐব চালিয়েছে, ক্যামেরা ভেঙ্গে দিয়েছে, জিনিসপত্র বেআইনিভাবে লুটপাট করে নিয়ে গেছে। মাহমুদুর রহমানকে কয়েক দফায় মোট ১৩ দিনের জন্যে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করেছে।

শুক্রবার, ২২ এপ্রিল সকালে কাশিমপুর কারাগারে আমি আমার ছেলের সঙ্গে সাক্ষাত করে এসেছি। আপনারা জেনে অবাক হবেন, তার শরীরের ওজন ১০ কেজি কমে গেছে। ডান কাঁধের ব্যথায় সে রাতের পর রাত ঘুমাতে পারে না। বিনা চিকিৎসায় জেলে কোনোক্রমে জীবন ধারণ করে আছে। আদালতে আনলে তার ভেঙ্গে যাওয়া শরীর বোধহয় আপনাদের নজরেও পরে। এর আগে ২০১০ সালের ২ জুন আমার দেশ অফিস থেকেই তাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সেবারও ১৪ দিনের জন্য রিমান্ডে নিয়ে অত্যাচার, নির্যাতন আর কিছু বাদ রাখেনি। তাকে হত্যারও চেষ্টা চালানো হয়। ক্যান্টনমেন্ট থানায় নির্যাতনে আমার ছেলে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিল। আল্লাহর রহমত তাকে বাঁচিয়েছে।

২০১৩ সালে গ্রেফতারের পর দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে বীতশ্রদ্ধ হয়ে মাহমুদুর রহমান জামিন চাইতেও রাজি হয়নি। আমার, আমার পুত্রবধূ এবং সাংবাদিকসহ বিশিষ্টজনদের অনুরোধেই শেষ পর্যন্ত সে গত বছর আগস্ট মাসে জামিন চাইতে সম্মত হয়। সম্মতি দিয়ে সে আমাদের হেসে বলেছিল, তোমাদের খুশি করতে জামিন তো চাচ্ছি, কিন্তু এই সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় আমাকে মুক্তি দেবে না। একের পর এক মিথ্যা মামলা দিতেই থাকবে। মাহমুদুর রহমানের লেখার অনেক ভবিষ্যৎবাণীর মতো তার ওই কথাটাও সত্য প্রমাণিত হয়েছে।

বর্তমান বছরের ১৪ ফেব্রæয়ারী মাননীয় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপীল বিভাগ সর্বশেষ মামলায় মাহমুদুর রহমানকে জামিন দিলে তার মুক্তির সুযোগ তৈরি হয়। কিন্তু ওই দিনেই তার বিরুদ্ধে এই দফার প্রথম মিথ্যা মামলা দায়ের করে সরকার। শাহবাগ থানার ২০১৩ সালের এক মামলায় ২০১৬ সালে তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। সেই মামলাতে হাইকোর্ট জামিন দিলে মাননীয় প্রধান বিচারপতি সেই জামিন বহাল রাখেন। উচ্চতর আদালতের জামিনকে উপেক্ষা করে সরকার ২৭ মার্চ দ্বিতীয় মিথ্যা মামলায় মাহমুদুর রহমানকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখায়। এই মিথ্যা মামলাটি দায়েরের সময় সরকার একটি ভুল করে। যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে মতিঝিল থানার এই মামলা, সেই ঘটনার তারিখের এক মাস আগেই মাহমুদুর রহমান গ্রেফতার হয়েছিল। অতএব ৬ এপ্রিল বাধ্য হয়েই সিএমএম আদালতকে মতিঝিল থানার মামলা খারিজ করতে হয়। সেক্ষেত্রে ২৭ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল, এই ১০ দিন সম্পূর্ণ বেআইনিভাবেই তাকে আটক রাখা হলো। ৬ এপ্রিল মতিঝিল থানার মামলা খারিজের আগে কোতোয়ালী থানার ২০১৩ সালের ফেব্রæয়ারী মাসের এক মামলা খুঁজে বের করা হয়। মাহমুদুর রহমানকে তিন নম্বর ভুয়া মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হলো ৬ এপ্রিল ২০১৬।

মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের একজন বিবেকবান মানুষও কী বিশ্বাস করবেন যে, জনাব শফিক রেহমান ও মাহমুদুর রহমান মিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণের পরিকল্পনা করবেন? দুজনই কী একেবারে নির্বোধ? বাংলাদেশের জনগণ তো জানে যে, সজীব ওয়াজেদ জয়সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সকল সদস্যই এসএসএফ নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন। সেই এসএসএফ-এর ভিভিআইপি নিরাপত্তার মধ্যে অপহরণের কল্পকাহিনী কী আদৌ বিশ্বাসযোগ্য?

মাহমুদুর রহমান ২০০৬ সালে সরকারী দায়িত্ব পালন সমাপ্ত করে আজ পর্যন্ত একবারের জন্যও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র্ েযায়নি। পুলিশ ২০১১ সালের কল্পকাহিনী সাজিয়েছে। নাকি বাংলাদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয় রাষ্ট্রের ইমিগ্রেশনকে ফাঁকি দিয়ে ২০১১ সালে মাহমুদুর রহমান সকলের অজান্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করে এসেছে? আপনারা সকলেই অবগত আছেন যে, আমার ছেলে কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য পর্যন্ত নন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পুত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসে তার ফেসবুকে বাংলাদেশের যে কোনো নাগরিকের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেবেন আর সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সেই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে যাবে! এর নামই কি আইনের শাসন? আজ প্রফেসর ইউনূস, কাল শফিক রেহমান, পরশু মাহফুজ আনাম, তার পরদিন মাহমুদুর রহমান, এভাবেই কী দেশের সম্মানিত নাগরিকদের হেয় করা চলতে থাকবে? এই অবস্থা তো নিকৃষ্ট রাজতন্ত্র এবং ফ্যাসিবাদের চাইতেও ভয়াবহ। আমি দৃঢ়তার সাথে বলছি যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সংশ্লিষ্ট কোনো ষড়যন্ত্রের সঙ্গে আমার ছেলের কোনো সংশ্রব নেই। মাহমুদুর রহমানকে তার সত্যনিষ্ঠ লেখালেখির জন্যেই একের পর এক মিথ্যা মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে অন্যায়ভাবে জেলে আটক রাখা হয়েছে।

দেশের সাংবাদিক সমাজের প্রতি আমার একটি আবেদন আছে। আশা করি সরকারের গোয়েন্দা সংস্থা যেন সাংবাদিকদের ব্যবহার করতে না পারে। বিনয়ের সঙ্গে আমার অনুরোধ তাদের সরবরাহ করা তথ্যের ভিত্তিতে মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং একতরফা অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশ করবেন না। মাত্র কিছুদিন আগেই দেশের একজন প্রখ্যাত সম্পাদক ঠিক একইভাবে জেনারেল মইনের ১/১১’র সরকারের গোয়েন্দাদের দ্বারা ব্যবহৃত হওয়ার জন্য প্রকাশ্য মিডিয়ায় দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন। সেই দুঃখ প্রকাশ অবশ্য সজীব ওয়াজেদ জয়কে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। তার প্রত্যক্ষ নির্দেশে সেই সম্পাদকের বিরুদ্ধে সারাদেশে ৭২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নিরিখে প্রভাবশালী হওয়ায় তাকে অবশ্য আমার ছেলের মতো জেলে অথবা রিমান্ডে যেতে হয়নি। এ জন্যে আমি খুশি। তবে আমার প্রশ্ন, এদেশে তাহলে ক্ষমতাশালী না হলে অথবা আন্তর্জাতিক যোগাযোগ না থাকলে অন্য নাগরিকের মানবাধিকার কী থাকবে না? আমাদের মতো সাধারণ নাগরিকরা তাহলে কোথায় যাব, কার কাছে বিচার চাইবো?

মাননীয় প্রধান বিচারপতির প্রতি আমার সবিনয় আবেদন যে, আমার ছেলের জামিনকে কেন্দ্র করে নির্বাহী বিভাগ যেভাবে আইন, সংবিধান ও বিচার বিভাগকে অবজ্ঞা করে চলেছে তার বিরুদ্ধে তিনি যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন। বাংলাদেশ কার্যত একটি ভয়ংকর পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। মাননীয় প্রধান বিচারপতির দৃঢ়তা এবং সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকারের প্রতি অবিচল শ্রদ্ধাই কেবল জনগণকে জালিম সরকারের নির্যাতন থেকে পরিত্রাণ এনে দিতে পারে। মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের প্রসঙ্গে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত অনুষ্ঠানের জন্য আমি মাননীয় প্রধান বিচারপতির কাছে সনির্বন্ধ অনুরোধ জানাচ্ছি।

আপনি দয়া করে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ ব্যবহারপূর্বক আমার ছেলেকে বেআইনী আটকাবস্থা থেকে মুক্তির নির্দেশ প্রদান করে এক অসহায়, বৃদ্ধা মায়ের এই হাহাকার দূর করুন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং তার পুত্রের বক্তব্য এবং দৈনিক পত্রিকাসমূহ ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারিত পুলিশের দাবি অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট নাকি কথিত অপহরণ ষড়যন্ত্রের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের নিকট তথ্য প্রদান করেছে। আর আমি নিশ্চিত যে, জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট যদি কোন তথ্য বাংলাদেশ সরকারের নিকট প্রদান করেও থাকে সেখানে আমার ছেলে মাহমুদুর রহমানের কোনো রূপ সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে না। অতএব, মার্কিন সরকার নীরব না থেকে এ বিষয়ে সকল দলিলাদি স্বচ্ছতার স্বার্থে প্রকাশ করুন। আমি বিশ্বাস করি যে, আমার এই দাবি বাংলাদেশের সকল জনগণ সমর্থন করবেন। মার্কিন সরকার এবং বাংলাদেশে সে দেশের নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের নীরবতার সুযোগ গ্রহণ করে একটি স্বৈরতান্ত্রিক সরকার আমার ছেলেসহ এ দেশের অন্যান্য নিরাপরাধ নাগরিকদের হয়রানি ও নির্যাতন করবে এটা চলতে পারে না। আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাত প্রার্থনা করছি। আমি আশা করি, তিনিও একজন নারী ও মা হিসেবে আমার ব্যথা উপলব্ধি করতে সক্ষম হবেন। তদুপরি বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র নিবাসী পুত্রকে অপহরণের যদি সত্যিই কোন ষড়যন্ত্র যুক্তরাষ্ট্রে হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে বিষয়টি সঠিকভাবে বাংলাদেশের জনগণকে জানানো একজন কূটনীতিকের দায়িত্বের মধ্যেই পরে। এ ব্যাপারে কাউকে কোনো ধূ¤্রজাল সৃষ্টির সুযোগ দেয়া উচিত নয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমার সবিনয় নিবেদন যে, আপনার ব্যক্তিগত জিঘাংসা যদি আমার ছেলেকে এই দীর্ঘদিন জেলে আটক রেখেও পরিতৃপ্ত না হয়ে থাকে তাহলে আমাকে জেলে নেয়ার বিনিময়ে আমার নিরাপরাধ সন্তানকে মুক্তি দিন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কার্যত বিশ্বের সর্বাপেক্ষা ক্ষমতাশালী সরকার প্রধান। তার নির্দেশ ও ইশারা-ইঙ্গিতেই রাষ্ট্রের সব কিছু পরিচালিত হচ্ছে। তিনি চাইলেই আমাকে কারাগারে নিয়ে মাহমুদুর রহমানকে মুক্তি দিতে পারেন।

বাংলাদেশের সকল বয়সের সব মায়েদের কাছে এই বৃদ্ধা মায়ের আবেদন যে, আপনারা আমার একমাত্র সন্তানের মুক্তির জন্যে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন। আমি আপনাদের সকলের জন্যে এবং আপনাদের সন্তানদের জন্যে দোয়া করি।

এক অসহায় মায়ের এই বক্তব্য ধৈর্য্য ধরে পড়ার জন্য পাঠক সমাজের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

Top