You are here
Home > অবাক-বিস্ময় > তার সুঠাম মসৃণ জোড়া থাইয়ে মজেছেন লাখো পুরুষ!

তার সুঠাম মসৃণ জোড়া থাইয়ে মজেছেন লাখো পুরুষ!

তার সুঠাম মসৃণ জোড়া থাইয়ে মজেছেন লাখো পুরুষ

থাই তো নয়, যেন কলাগাছের গুঁড়ি! রূপসীর জোড়া থাইয়ের চাপে মাথা গুঁড়িয়ে ফেলার স্বপ্ন দেখেন বহু পুরুষ। তবে অনেকেই জানেন না, সুপারমডেল নাটাশার শরীরী আবেদনের পিছনে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম ও অতীত বেদনার রেশ।

সুপারমডেল নাটাশা এনসিনোসার থাইয়ের বেড় ২৬ ইঞ্চি। কোমরের চেয়ে পুরুষ্টু থাইজোড়ার বিস্ফোরক যৌন আবেদন তাঁর ইউএসপি। এরস জেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েক লক্ষ ভক্তের নয়নের মণি তিনি। তাঁর একেকটি পোস্টে কম সে কম ৫০০০ লাইক পড়ে। সেই সঙ্গে বিচিত্র কমেন্টস। নাটাশা কবুল করেছেন, ‘বেশির ভাগ পুরুষ চান, আমার দুই থাইয়ের মাঝে মাথা রাখতে। তাঁদের ইচ্ছে, থাইয়ের চাপে আমি যেন ওঁদের মাথা গুঁড়িয়ে দিই। এর পিছনে কী যুক্তি রয়েছে, তা বুঝতে পারি না তবে বিষয়টি বেশ অস্বস্তিকর।’

এমন মোহিনী ফিগার তৈরি করতে প্রতিদিন জিমে বিস্তর পরিশ্রম করতে হয় বছর কুড়ির সুন্দরীকে। সপ্তাহে ৫ দিন অন্তত ২ ঘণ্টা নানান ব্যায়াম করতে হয়। এই রুটিন গত ৪ বছর ধরে মেনে চলেছেন নাটাশা।

চোখ কপালে তোলার মতো শরীরের পিছনে কঠোর শ্রমও সংযমের সঙ্গে রয়েছে এক করুণ আলেখ্য। চোদ্দ বছর বয়সে প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হয়ে গেলে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। জানিয়েছেন, সেই সময় দেহের অত্যধিক ওজনের কারণে সম্পর্কে ইতি টানেন তাঁর মনের মানুষ।

প্রাথমিক শোক কাটিয়ে উঠে নিজের দেহ-মনের আমূল পরিবর্তন করার রোখ চেপে বসে কিশোরীর। শুরু হয় জিমে যাতায়াত।

চার বছর পেরিয়ে নিজেকে ‘যৌনতার দেবী’তে পরিনত করতে সক্ষম হন তিনি। ইনস্টাগ্রামে তাঁর গুণমুগ্ধের সংখ্যা ১,৭৫,০০০ জন। কোমরের নীচে তাঁর সুঠাম মসৃণ জোড়া থাইয়ে মজেছেন লাখো পুরুষ। তবে নিন্দুকরাও বসে নেই। একজন তো ফুট কেটেছেন, ‘কোমরের নীচ থেকে উনি মিস্টার ইউনিভার্স।’ তাতে অবশ্য কিছু যায় আসে না নাটাশার।

মডেলিং ছাড়া পেশাগত জীবনে একজন সফল সোশ্যাল মিডিয়া কোঅর্ডিনেটর হিসেবে কর্মরত নাটাশা এনসিনোসা। তাঁর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে বিভিন্ন সংস্থার অনলাইন ব্র্যান্ডিং নিয়ন্ত্রণ করা।

পুরনো প্রেমিককে মনে পড়ে? নাটাশার জবাব, ‘যে ছেলেটি সেদিন আমায় তছনছ করে চলে গিয়েছিল, তার কোনও খবর রাখিনি। আমার সাফল্যের পিছনে তার কোনও ভূমিকা নেই। অনেক মেহনত করে এই শরীর গড়েছি সম্পূর্ণ নিজের উদ্যোগে।’

Top